Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ০২ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

কাউন্সিলর সেন্টুর বিরুদ্ধে মামলা

চাঁদাবাজি-মারধরের অভিযোগ

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:০৬ এএম

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঁদার টাকা না পেয়ে এক ব্যবসায়ী ও তার বাবাসহ দোকান কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম সেন্টুর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে মোহাম্মদপুর থানায় আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী তরিকুল ইসলাম। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন - সেলিম, ব্যবসায়ী সমিতির নেতা বাবুল, আবুল মন্ডল, মো. সালাম, মো. লাবু, মো. চৌধুরী এবং মো. মোহন।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি আব্দুল লতিফ বলেন, মামলা হয়েছে তা আমরা খতিয়ে দেখছি। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এখনও কাউকে গ্রেফতার করা না হলেও তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মামলার বাদী তরিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, মোহাম্মদপুরের টাউন হল বাজারে সিঙ্গাপুর জুস অ্যান্ড কফি বার নামে একটি দোকান চালান তিনি। গত ২০ সেপ্টম্বর দুপুরে কাউন্সিলর সেন্টু তার অফিসের কর্মচারী কামরুলকে দোকানে পাঠিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু তরিকুল চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় পরদিন কাউন্সিলর সেন্টু দলবল নিয়ে ওই দোকানে গিয়ে তরিকুল ও তার কর্মচারীদের মারধর করেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

এজাহারে তরিকুল অভিযোগ করেন, কাউন্সিলর সেন্টুর সঙ্গে থাকা লোকজন তার দোকানের ক্রেতাদেরও মারধর করে তাড়িয়ে দিয়েছেন। একপর্যায়ে তরিকুলের বাবা আবু তাহের এগিয়ে গেলে কাউন্সিলর সেন্টু পিস্তল দিয়ে তার মাথা ও মুখে আঘাত করেন এবং চাঁদার টাকার জন্য গুলি করার ভয় দেখান।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম সেন্টু সাংবাদিকদের বলেন, বেশ কয়েকটি খাবারের দোকান ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করে। বিশেষ করে সন্ধ্যার দিকে ওই পথ দিয়ে কেউ চলাচল করতে পারে না। সাধারণ জনগণ অভিযোগ করেন। ফুটপাত ছেড়ে ব্যবসা করতে বলা হয়েছে। এরপর যে যার মতো কাজ করছি। গতকাল (মঙ্গলবার) হঠাৎ জানতে পারি, আমার নামে মামলা করেছে ব্যবসায়ী তরিকুল।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, টাকা (চাঁদা) চাওয়ার প্রশ্নই আসে না। আর মারধরের যে অভিযোগ করা হয়েছে সেটিও মিথ্যা। কারণ পিস্তুল দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তাদের হাসপাতালে থাকার কথা। অথচ তারা দিব্বি দোকান করছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চাঁদাবাজি


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ