Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ৬ কার্তিক ১৪২৭, ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

সিলেটে আদালতে রণিসহ অপর ধর্ষকদের কুলাংঙ্গার আখ্যায়িত করে ফাঁসি চাই শ্লোগান

সিলেট ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১:৪৪ পিএম

কড়া পুলিশ প্রহরায় প্রিজন ভ্যানে করে সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে নিয়ে আসা হয় আসামি শাহ মাহবুবুর রহমান রনি ও অজ্ঞাত আসামির তালিকায় থাকা রাজন মিয়া ও মো. আইনুদ্দিনকে। মঙ্গলবার বেলা ১১ টা ৪৫ মিনিটে নিয়ে আসা এরা সকলেই এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে বালিক বধূ ধর্ষণ মামলার আসামি। এর মধ্যে রনি এজাহারভুক্ত দ্বিতীয় আসামি। আদালতে হাজির করার পূর্বে আদালত চত্বরের বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। রনি, রাজন ও আইনুলকে আদালত চত্বরে হাজির করার পর পুলিশী নিরাপত্তার মধ্যেই বিক্ষোভ করেন উপস্থিত জনতা। এই দুই আসামিকে নিয়ে আসার পর আদালতে চত্বরে জড়ো হন শতাধিক সাধারন মানুষ। তারা আসামীদের দেখা মাত্রই শুরু করেন ‘ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই’ শ্লোগান । ‘কুলাঙ্গারদের ফাঁসি চাই’ শ্লোগান দিতে দেখা যায় অনেককে। জনতার এই ক্ষোভের মধ্যেই পুলিশ নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করে রনি, রাজন ও আইনুলকে সিলেট মহানগর হাকিম ২য় আদালতে হাজির করে। আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরান থানার ওসি (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য ৭ দিনের রিমান্ড চাইলে তাদের ৫ রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক সাইফুর রহমান। এর আগে সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে ধর্ষণ মামলার দ্বিতীয় আসামি শাহ মাহবুবুর রহমান রনিকে গত রোববার রাতে হবিগঞ্জ সদর থেকে ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে ধর্ষণ ঘটনায় রাজন মিয়া ও মো. আইনুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার এমসি কলেজের প্রধান গেইটে সিগারেট কিনতে নামে। ধর্ষিতার স্বামী মাইদুল হাসান। এসময় প্রাইভেটকারে বসে থাকা স্ত্রীকে কূটুক্তি করতে থাকে আসামীরা। প্রতিবাদ করতেই ধর্ষিতার স্বামীর উপর চড়াও হন ধর্ষকরা। পরে জোর করে তাদের নিয়ে যায় কলেজ ছাত্রাবাস প্রাঙ্গনে। সেখানে প্রাইভেট কারের মধ্যে পালাক্রমে ধর্ষন করে বালিকাবধূকে। এ ঘটনায় বালিক বধূর স্বামীর দায়ের করা মামলায় আসামিরা হলেন- সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদনগরের রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), হবিগঞ্জ সদরের বাগুনীপাড়ার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর (২৫), দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর (জগদল) গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৫) ও কানাইঘাটের গাছবাড়ি গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাসুমকে (২৫)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৩জনকে আসামি করা হয়। এ ঘটনায় এজাহারভূক্ত পাঁচজন সহ এ পর্যন্ত ৭জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সাইফুর, অর্জুন, রবিউলকে সোমবার এবং রনি, রাজন ও আইনুলকে আজ মঙ্গলবার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: আদালত


আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ