Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৯ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

জাপানে উচ্চশিক্ষা সম্মেলন ২০২০ অনুষ্ঠিত

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৬ অক্টোবর, ২০২০, ৬:০০ পিএম

মঙ্গলবার বাংলাদেশে ‘স্টাডি ইন জাপান অনলাইন সেমিনার ২০২০’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাপান দূতাবাস এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারে জাপানে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ, সরকারী বৃত্তি (শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়; এমইএক্সটি স্কলারশিপ), পড়াশোনা এবং জাপানের জীবনযাত্রার মানের পাশাপাশি সুযোগ-সুবিধার তথ্য সরবরাহ করা হয়।

সেমিনারে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অনুষদের সদস্য সহ ১ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। সেখানে জাপান থেকে উচ্চ শিক্ষা সম্পন্ন করে আসা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই ছাত্র জাপানে বিদেশী শিক্ষার্থী হিসাবে তাদের পড়াশুনার অভিজ্ঞতা এবং দৈনন্দিন জীবন তুলে ধরেন। সেমিনারের শুরুতে জাপানের রাষ্ট্রদূত আইটিও নওকি বলেন, ‘আমি আশা করি যে, আমরা প্রতিশ্রুতিশীল ও দক্ষ শিক্ষার্থীদের জাপানে নিয়ে যেতে এবং আমাদের দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করতে পারব। করোনা মহামারীটির মধ্যে বিদেশে পড়াশোনার কথা কল্পনা করা কঠিন হতে পারে। তবে আমি নিশ্চিত যে কোভিড-১৯ পেরিয়ে গেলে সেখানে তরুণ শিক্ষার্থীদের প্রচুর সুযোগ এবং বিস্তৃত সম্ভাবনা থাকবে। আমি সত্যিই আশা করব যে, আপনি সবচেয়ে বেশি সুযোগ তৈরি করুন এবং আপনার ক্যারিয়ারকে সফল করুন। কোভিড-১৯ এর পরে জাপানে পড়াশোনা সম্পর্কে চিন্তা করুন।’ তার বক্তব্যের পরে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদেশ বিষয়ক কার্যালয়ের পরিচালক ডক্টর ক্যাথরিন লি বলেন, ‘আমি জাপানে আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি যে, আপনি যদি ছাত্র হিসাবে জাপানে যেতে চান তবে সেখানে পড়াশোনার ও জাপানি ভাষা শেখার অনেক সুযোগ রয়েছে। এমনকি একটি চাকরি পেতে পারেন। জাপান সক্রিয়ভাবে দক্ষ কর্মীদের সন্ধান করছে এবং তারা আপনার পক্ষে জাপানে কাজ করা সম্ভব করার জন্য ভাষা, সংস্কৃতি এবং দক্ষতা শেখানোর প্রশিক্ষণ দিতে যথেষ্ট উদারতা দেখায়।

এমইএক্সটি বৃত্তি সম্পর্কে: ৫ দশকেরও বেশি সময় ধরে, জাপান ৪ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশিকে সরকারী বৃত্তি প্রদান করে আসছে। শুধুমাত্র ২০১৯ সালেই, ১২০জনেরও বেশি বাংলাদেশী শিক্ষার্থী নতুন এই সরকারী অনুদানপ্রাপ্ত বৃত্তি পেয়েছে এবং এখন জাপানে বিভিন্ন একাডেমিক ক্ষেত্রে পড়াশোনা করছে। বৃত্তির জন্য বছরে দু’বার আবেদন করা যায়। প্রথমবার এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে (দূতাবাসের সুপারিশ) এবং দ্বিতীয়বার অক্টোবরে (বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপারিশ)। বিস্তারিত জানার জন্য দূতাবাসের ওয়েবসাইট দেখুন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ