Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

আফগানিস্তানে জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে ভারত : দাবি পাকিস্তানের

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১০ অক্টোবর, ২০২০, ১২:০৪ এএম

ভারত ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক আরও জোরদার করার জন্য মঙ্গলবার ভারতে এসেছেন শীর্ষ আফগান নেতা আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ। পাঁচদিনের এই সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে তার। কীভাবে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করা যায় তার রাস্তা খোঁজারও চেষ্টা হয়েছে। আর ঠিক এই সময়েই আফগানিস্তান-এর বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীকে ভারত মদত দিচ্ছে বলে অভিযোগ জানাল পাকিস্তান। শুধু তাই নয়, নয়াদিল্লির মদতপুষ্ট জঙ্গিরা আফগানিস্তানের সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে ঢুকে নাশকতা করছে বলেও দাবি তাদের। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রসংঘে আয়োজিত একটি বৈঠকে পাকিস্তানের এক আধিকারিক জাহানজেব খান দাবি করেন, নিষিদ্ধ তেহেরিক-ই তালিবান পাকিস্তান জঙ্গি সংগঠনকে মদত দিচ্ছে ভারত। আর এর একটি অংশ জামাতুল আরার আফগানিস্তানের সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও সাধারণ নাগরিকদের উপর হামলা চালাচ্ছে। নয়াদিল্লির মদতে আফগানিস্তানের সীমান্ত এলাকায় ঘাঁটি বানিয়ে পাকিস্তানে উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে নাশকতা ছড়াচ্ছে। এর জন্য ওই জঙ্গিদের অর্থ-সহ সবরকম সাহায্য করছে ভারত। শুধু তাই নয়, চিনের শিনজিয়াং প্রদেশ থেকে বালুচিস্তানের গদর বন্দর পর্যন্ত পাকিস্তান-চিন যে অর্থনৈতিক করিডর তৈরি হচ্ছে তা বন্ধ করারও চেষ্টা করছে।
কয়েক মাস আগে পাকিস্তানের চীনা দূতাবাস ও করাচীর পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্চ বিল্ডিংয়ে যে হামলা হয়েছিল তার পেছনেও ভারতের হাত রয়েছে বলে এদিন জানান পাকিস্তানের কর্মকর্তা। গত দশেক ভারতের মদদপুষ্ট হামলায় পাকিস্তানের হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলেও তার দাব। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে কাশ্মীরে সন্ত্রাস চালাচ্ছে ভারত। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন।



 

Show all comments
  • রিয়াজ আহাম্মেদ ১০ অক্টোবর, ২০২০, ১:৩৩ এএম says : 1
    কারেট
    Total Reply(1) Reply
    • ABU ABDULLAH ১০ অক্টোবর, ২০২০, ১১:১৭ এএম says : 0
      অনেক দিন পর পাকিস্তানের হুশ হল হিন্দুরা যে ভাবে সবসময় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ করে অনুরূপ ভাবে পাকিস্তানের ও উচিত হিন্দুদের সন্ত্রাসী কার্কান্ড বিশ্ববাসীকে কে জানানো
  • [email protected] ১০ অক্টোবর, ২০২০, ১:৩৩ এএম says : 0
    দাবি সত্য ।
    Total Reply(0) Reply
  • বিপুলেন্দু বিশ্বাস ১০ অক্টোবর, ২০২০, ১:৩৫ এএম says : 0
    ভারত একটা সন্ত্রাসী রাস্ট্র, সারাবিশ্বে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেয়া তাদের কাজ
    Total Reply(0) Reply
  • দু খী জীবন ১০ অক্টোবর, ২০২০, ১:৩৫ এএম says : 0
    Pakistan is 100% right
    Total Reply(0) Reply
  • habib ১০ অক্টোবর, ২০২০, ৪:০৫ পিএম says : 0
    India is a common enemy of Muslim world.....all Muslim leader should be realize it.....
    Total Reply(0) Reply
  • Jack Ali ১০ অক্টোবর, ২০২০, ১১:৩৪ এএম says : 0
    ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীন হওয়ার পরপরই প্রতিবেশী স্বশাসিত রাজ্যগুলোর উপর আধিপত্য বিস্তারে মনোনিবেশ করে ভারত সরকার। হায়দ্রাবাদ, জুনাগড় ও কাশ্মীর ছাড়া সকল রাজ্যই ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই তিনটি রাজ্যকে কীভাবে উদরস্থ করা যায় তার জন্য নতুনভাবে কোমর বেঁধে নামে ভারত। ‘সব সীমান্তবর্তী রাজাকে শত্রু বলে মনে করবে’, চানক্যের এই উপদেশকে শিরোধার্য করে ভারত তার আগ্রাসী নীতি অবলম্বন করে। জুনাগড় ও কাশ্মীরকে ভারতভুক্তির পর সর্বশেষ ভারতীয় আগ্রাসনের শিকার হয় হায়দ্রাবাদ। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ভারত হায়দ্রাবাদে নানা রকম অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা করলেও শেষ নিজাম তা শক্ত হাতে দমন করেন। ১৯৪৮ সালের জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু ঘোষণা করেন, ‘যখন প্রয়োজন মনে করবো তখন হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযান শুরু করা হবে।’ এ ব্যাপারে ভারত বেশ কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এর অংশ হিসেবে কংগ্রেস স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় করা হয়, হায়দ্রাবাদের রাজনীতিকে কলুষিত করা হয়, শিক্ষাঙ্গন, সাংস্কৃতিক জগৎ, বুদ্ধিজীবী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনুগত লোক তৈরি করা হয়, সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে অনুগত দালাল সৃষ্টি করা হয় এবং হিন্দু মৌলবাদীদের দিয়ে নানা রকম সন্ত্রাসী কর্মকান্ড উস্কে দেয়া হয়। কংগ্রেস সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় হিন্দু মহাসভা, আরএসএস ও আর্য সমাজ এতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। ১৯৪৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তেলেঙ্গগনায় কম্যুনিস্ট বিদ্রোহ দমনের অজুহাতে অপারেশন পোলোর নামে ভারতীয় সৈন্যবাহিনী হায়দ্রাবাদে আক্রমণ চালায়। এ আক্রমণ শুরুর আগেই সেনাপ্রধান আল ইদরুসকে কিনে নেয় ভারত। আল ইদরুস দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত অরক্ষিত রাখে, সেনাবাহিনীকে করে রাখে অপ্রস্তুত। ভারত আল ইদরুসের সহায়তায় হায়দ্রাবাদে তার বিপুল সেনাশক্তি, পদাতিক বাহিনী ও বিমান বাহিনীসহকারে শুরু করে সামরিকভাবে আক্রমণ। প্রথমে ট্যাংক বাহিনী আক্রমণ শুরু করে। এরপর বিমান বাহিনী বোমাবর্ষণ করে বিভিন্ন বিমানবন্দর ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে। ভারতীয় বাহিনীর সাথে একাত্ম হয়ে আর্য সমাজ ও অন্যান্য হিন্দু মৌলবাদী সংগঠন হায়দ্রাবাদে প্রায় দুই লাখ মুসলিমদের উপর নির্বিচারে গণহত্যা চালায়। ভারতীয় সৈন্যবাহিনী মুসলিম নিরীহ নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ, বৃদ্ধা, শিশুদের হত্যা করেছে, বিমান দিয়ে বোমা বর্ষণ করে শহর বন্দর গ্রাম গুঁড়িয়ে দেয়া হয় এবং মসজিদ, মাদ্রাসা ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর ভারতীয় বাহিনী রাজধানী দখল করে। হায়দ্রাবাদকে অন্ধ্র, কর্ণাটক ও মহারাষ্ট্র এই তিন রাজ্যে বিভক্ত করা হয়। ৭২ বছর পরে এসে মোদী সরকার একে একে মুসলিমদের সকল অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। সা¤প্রদায়িক বিষবাস্প ছড়াচ্ছে। ভারতকে সা¤প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদী ভারতে পরিণত করেছে।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: আফগানিস্তান


আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ