Inqilab Logo

ঢাকা মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

নদীগর্ভে বিলীন

লোহাগাড়ার গারাঙ্গিয়া রশিদিয়া সড়ক

তাজ উদ্দীন, লোহাগাড়া, (চট্টগ্রাম) থেকে : | প্রকাশের সময় : ১১ অক্টোবর, ২০২০, ১২:০২ এএম

লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর গারাঙ্গিয়া রশিদিয়া সড়কটি চলতি বর্ষা মৌসুমে পানির স্রোতে ভেঙে ডলু নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। প্রায় ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়টির উপর চলাচল করে ছোট ছোট কয়েকটি পাড়ার ২ শতাধিক পরিবার। 

এই সড়কের উপর দিয়ে ছোট অটোরিক্সা, কার মাইক্রো নিয়মিত চলাচল ছিল। কিন্তু বিগত কয়েকবছরের ভাঙনের কারণে বর্তমানে গাড়িতে দুরের কথা মানুষ ও চলাচল করতে পারছে না। বিশেষ করে সর্দারনী পাড়ার অংশটির পুরোটাই ডলু নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে এলাকার মানুষ পাশ্ববর্তী মছদিয়া কবরস্থানের উপর দিয়ে চলাচল করে যাচ্ছে। অসুস্থ রোগীদের নিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। চলাচলের পাশাপাশি সর্দারনী পাড়ার অর্ধশতাধিক পরিবার ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে। যেকোন সময় পাহাড়ী পানির ঢল নামলে ঘর বাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
এ কারণে সামান্য বৃষ্টি দেখলেই এই পাড়ার পরিবারগুলোর মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করে। নদীতে পড়ে যাবার ভয়ে অভিভাবকরা তাদের ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে চরম আতঙ্কে রয়েছে। স্থানীয় তরুন সমাজসেবক মোহাম্মদ হারুন বলেন, তিনি এলাকাবাসীদের নিয়ে সড়কটি মেরামতে জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মহলে সকল ধরনের তদবীর করেছেন। কিন্তু কেউ সহায়তা করেননি। তিনি জানান, গ্রামের চলাচলের এই একটি মাত্র সড়ক একদিনে নদীগর্ভে যায়নি বরং বিগত ৭-৮ বছর ধরে একটু একটু করে ভাঙতে ভাঙতে পুরোটাই বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা লোক দেখানোর জন্য সড়কের উপর সামান্য মাটি দিয়েই দায় সারেন।
সড়ক রক্ষার কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না। তিনি আরো বলেন, নির্বাচন আসলে সকলেই সড়কটির পাশে বাধ দেবার প্রতিশ্রুতি দেন, লোকজন নিয়ে পরিদর্শন করেন। কিন্তু নির্বাচনী বৈতরনী পার করে তারা আর খবর নেন না। বর্তমানে সড়কটির অবশিষ্টাংশ রক্ষার জন্য স্থানীয়রা সড়কের উপর পলিথিন দিয়ে ভাঙন থেকে রক্ষার ব্যর্থ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: নদীগর্ভে-বিলীন

১১ অক্টোবর, ২০২০
আরও পড়ুন