Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১২ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

মুক্তি পেয়েই মেহবুবা মুফতি জানালেন আন্দোলন চলবে

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৫ অক্টোবর, ২০২০, ১২:০২ এএম

এক বছরেরও বেশি সময় গৃহবন্দি থাকার পর মঙ্গলবার রাতে মুক্তি পেয়েছেন কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (পিডিপি) প্রেসিডেন্ট মেহবুবা মুফতি। মুক্তি পাওয়ার পর নিজের জীবনের কঠিন সময়ের কথা টুইটারে শেয়ার করেন মেহবুবা। সেখানে তিনি বলেন, জম্মু-কাশ্মীরের লড়াই চলবেই। এখনও যাদের আটকে রাখা হয়েছে, তাদেরও ছাড়তে হবে। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টার দিকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। মেহবুবার মুক্তির বিষয়টি টুইট করে জানিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীর সরকারের মুখপাত্র রোহিত কানসাল।
ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের পর গত বছরের ৫ আগস্টে জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক তিন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ, ওমর আবদুল্লাহ এবং মেহবুবা মুফতিসহ কাশ্মীরের বহু রাজনীতিককে আটক করে কেন্দ্রীয় সরকার। কয়েক মাস আগে ওমর আবদুল্লাহ ও ফারুক আবদুল্লাহসহ কয়েকজনকে মুক্তি দেয়া হলেও মেহবুবাকে গৃহবন্দি করেই রাখা হয়। বারবার নানা অজুহাতে তার গৃহবন্দির মেয়াদ বাড়ানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। গত জুলাইয়ে তিন মাসের জন্য মেহবুবার গৃহবন্দির সময়কাল বাড়িয়েছিল প্রশাসন।
৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের পর মেহবুবাকে প্রথমে দুটি সরকারি বাসস্থানে আট মাস গৃহবন্দি করে রাখা হয়। তার পর এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে তাকে ফের আটক দেখানো হয় জননিরাপত্তা আইনে। এরপর তার বাসভবন ফেয়ার ভিউতে স্থানান্তর করা হয় মেহবুবাকে। সেই বাসভবনকে অস্থায়ী জেলে পরিণত করা হয় এবং সেখানেই গৃহবন্দি করে রাখা হয় পিডিপি নেত্রীকে।
মেহবুবাকে কোন যুক্তিতে আটকে রাখা হয়েছে তা নিয়ে সরব হয়েছিলেন তার মেয়ে ইলতিজা মুফতি। সরকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিমকোর্টে মামলা করেন ইলতিজা। গত সেপ্টেম্বরে সেই মামলার শুনানি ছিল। তখন আদালত সরকারের কাছে জানতে চেয়েছিলেন কতদিন মেহবুবাকে তাদের হেফাজতে রাখবে। এ বিষয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে সরকারের জবাবদিহি চেয়েছিলেন আদালত। তার পরই এ দিন মুক্তি দেয়া হয় মেহবুবাকে।
মেহবুবার মুক্তির কিছুক্ষণের মধ্যেই ইলতিজা টুইট করে বলেন, মেহবুবাকে অবৈধভাবে আটক করা হয়েছিল। আজ অবশেষে মুক্তি পেলেন। এই সঙ্কটময় মুহূর্তে যারা আমাদের পাশে থেকেছেন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের সাহস জুগিয়েছেন, তাদের সবার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। মেহবুবার মুক্তিতে টুইট করেছেন ওমর আবদুল্লাহ। তিনি লেখেন- এক বছরেরও বেশি সময় আটক থাকার পর মেহবুবাকে যে মুক্তি দেয়া হয়েছে, তাতে আমি খুশি। অন্যায়ভাবে তাকে আটক করে রাখা হয়েছিল, যা গণতন্ত্রবিরোধী। সূত্র : এনডিটিভি।

 



 

Show all comments
  • salman ১৫ অক্টোবর, ২০২০, ৫:২৩ এএম says : 0
    Faruk Abdullah, Omar Abdullah, Mehbuba Mufti, ai Gula Sob ............. DALAL, Like ............. Sara Zibon Dalali koray o ader ROKKHA Hoi nai. Hobay o na kokhono.
    Total Reply(0) Reply
  • Jack Ali ১৫ অক্টোবর, ২০২০, ১১:৫০ এএম says : 0
    O'Muslim in Kashmir follow Qur'an and Sunnah.. Majority Muslim women do not wear Hizab and also men shave of their beard like bangladesh so called muslim. has promised those who have believed among you and done righteous deeds that He will surely grant them succession [to authority] upon the earth just as He granted it to those before them and that He will surely establish for them [therein] their religion which He has preferred for them and that He will surely substitute for them, after their fear, security, [for] they worship Me, not associating anything with Me. But whoever disbelieves after that - then those are the defiantly disobedient." (QS. An-Nur: 55)
    Total Reply(0) Reply
  • Jack Ali ১৫ অক্টোবর, ২০২০, ১১:৫৪ এএম says : 0
    Sura [58] Al Mujadilah [ayat:5]Verily, those who oppose Allah and His Messenger [Muhammad [SAW]will be disgraced, as those before them (among the past nation)were disgraced. And We have sent down clear Ayat [proofs, evidences, verses, lessons, signs, revelations, ect.]And for the disbelievers is a disgracing torment. Sura[58] Al Mujadilah [ayat:6]On the Day when Allah will resurrect them all together [i.e. on the Day of Resurrection]and inform them of what they did. Allah has kept account of it, while they have forgotten it, And Allah is Witness over all things.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন