Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০৯ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

শান্তিচুক্তি সইয়ের একমাসের মধ্যেই ফের ইহুদি বসতি বাড়াচ্ছে ইসরায়েল

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৫ অক্টোবর, ২০২০, ১১:২০ এএম

সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সাথে শান্তিচুক্তি সইয়ের একমাস না পেরুতেই চুক্তির প্রতিশ্রুতি ভেঙে আবারো অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি বাড়ানোর পথে এগুচ্ছে ইসরায়েল। গতকাল বুধবার ইসরায়েল পশ্চিম তীরে ১,৩০০’র বেশি নতুন বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছে সেখানকার বেসরকারি ইহুদি বসতি-পর্যবেক্ষণ সংগঠন ‘পিস নাউ ’।
প্রসঙ্গত, আরবদের সঙ্গে শান্তিচুক্তির আওতায় পশ্চিম তীরের আরও এলাকা দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ইসরায়েল। কিন্তু পিস নাউ জানিয়েছে, ইসরায়েলের পৌর প্রশাসনের পরিকল্পনা কমিটি পশ্চিম তীরের কয়েকটি এলাকায় ১ হাজার ৩১৩টি হাউজিং ইউনিট নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। আরও ৮৫৩ টি ইউনিট নির্মাণেরও পরিকল্পনা আছে ইসরায়েলের। তবে তা এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি।
বেইত এল ইসরায়েলি বসতি এলাকার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এ এলাকায় ৩৫০টি হাউজিং ইউনিট তৈরি হবে। ইসরায়েলি পৌর কমিটি সিদ্ধান্ত বেইত-এল এর জন্য এক দূর্দান্ত অর্জন।”
ইসরায়েলের এ সিদ্ধান্তে ফিলিস্তিনিরা ক্ষেপলেও খুশী ইহুদি বসতির নেতারা। আর এই নেতারা খুশী থাকলে তাদের সমালোচনা থেকে রেহাই মিলবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর।
আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় ইহুদি বসতি সম্প্রসারণ অবৈধ। কেবল ফিলিস্তিনিরাই নয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বেশিরভাগই ইসরায়েলের এ পদক্ষেপকে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে অন্তরায় হিসাবেই দেখে।
এনজিও ‘পিস নাউ’ বলেছে, পশ্চিত তীরে ইসরায়েল নতুন বাড়ি অনুমোদন করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। সেইসঙ্গে ইসরায়েল-আরব শান্তির আশাও ভেস্তে যেতে বসেছে।
ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদেইনা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে বলেছেন, “আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে প্রকৃত শান্তি প্রক্রিয়ার সুযোগ বিনষ্টকারী এই বসতি স্থাপন উন্মাদনা অবিলম্বে বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।” সূত্র : রয়টার্স



 

Show all comments
  • Jack Ali ১৫ অক্টোবর, ২০২০, ১১:৩৮ এএম says : 0
    Kafirs are friends of each other to kill/rape/expelling muslim from their home land but muslims are enemy to each other..
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইসরায়েল


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ