Inqilab Logo

ঢাকা সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ফেরি পারের অপেক্ষায় ৮ শতাধিক যানবাহন

আরিচা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৬ অক্টোবর, ২০২০, ৩:২৮ পিএম

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌ-রুটে ফেরি চলাচল বিঘ্নিত হওয়া ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ছোট বড় মাত্র ১৮টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। গতকাল শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত উভয়ঘাটে ৮ শতাধিক যানবাহন ফেরি পারের অপেক্ষায় ছিল।
বিআইডব্লিউটিসির ঘাট কর্মকর্তা ও ট্রাক শ্রমিকদের সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার মধ্যেরাত থেকেই সাপ্তাহিক ছুটির কারণে পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেতে থাকে। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে তা আরো ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়। ফলে, পাটুরিয়া ঘাটে অপেক্ষমান যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে টার্মিনাল ছাপিয়ে মহাসড়কে লাইনে গড়ায়।

বিআইডব্লিউটিসির পাটুরিয়া ঘাট ম্যানেজার মোঃ আব্দুস সালাম জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে বর্তমানে ১৮টি ফেরি দিয়ে বিপুল সংখ্যক যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ছোট গাড়ির চাপ বৃদ্ধি পায়। যাত্রীবাহী যানবাহনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পার করা হয়। ফলে মালবাহী ট্রাকগুলো অপেক্ষায় রাখতে হচ্ছে।

উভয় ঘাটের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত পাটুরিয়া প্রান্তে ৫ শতাধিক ট্রাক ও ৭০টি বাস ও দৌলতদিয়া প্রান্তে দুই শতাধিক যানবাহন ফেরি পারের অপেক্ষায় ছিল। সব মিলিয়ে উভয় ঘাটে ৮ শতাধিক যানবাহন ফেরি পারের অপেক্ষায় ছিল। ফলে, ঘাটে এসে ফেরি পারের জন্য অপেক্ষায় থেকে ট্রাক শ্রমিকদের বিভিন্ন দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। এছাড়া, ফেরি পারের অপেক্ষায় ঘাটে এসে বাসের মধ্যে অপেক্ষা করে বাস-কোচ যাত্রীদেরও দুর্ভোগে পড়তে হয়।
এদিকে, পাটুরিয়া ঘাটের যানজট কমাতে পাটুরিয়া ঘাট সংযোগ মোড় উথুলী থেকে মালবাহী ট্রাকগুলোকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আরিচা পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার রাস্তায় লাইনে সারিবদ্ধভাবে আটকে রাখা হয়েছে।

 

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ফেরি চলাচল


আরও
আরও পড়ুন