Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার , ১৯ জানুয়ারী ২০২০, ০৫ মাঘ ১৪২৬, ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

কবিগুরুর স্মৃতিধন্য আঠারবাড়ি ডিগ্রি কলেজ সরকারি করণের দাবি

প্রকাশের সময় : ১৪ আগস্ট, ২০১৬, ১২:০০ এএম

মো: শামসুল আলম খান : ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের আঠারবাড়ির জমিদার ছিলেন প্রমোদ চন্দ্র রায় চৌধুরী। তিনি ছিলেন শান্তিনিকেতনের ছাত্র। ওই সময় কবিগুরু ছিলেন তার (সরাসরি) শিক্ষক। এ শেষ জমিদারের আমন্ত্রণেই কবিগুরু এসেছিলেন এ জমিদার বাড়িতে।
‘রবীন্দ্রনাথ কী জয়’ ধ্বনি তুলে রেলস্টেশন থেকে কবিকে বরণ করা হয়। হাতির পিঠে চড়িয়ে কবিকে নিয়ে আসা হয়েছিল এ জমিদার বাড়িতে। কবিকে জমিদার উপহার দিয়েছিলেন সোনার চাবি। ৯১ বছর আগের সেই স্মৃতি আজো অ¤øান।
এ স্মৃতি এখনো আগলে রেখেছে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের আঠারবাড়ি ডিগ্রি কলেজ। আটদশক পেরুলেও এ স্মৃতি বিন্দুমাত্র বিবর্ণ হয়নি। রাজা-জমিদারদের তীর্থ ভূমি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলাবাসী এখনো ভুলতে পারেনি এ রবীন্দ্র স্মৃতি।
কালের স্বাক্ষী সেই আঠারবাড়ি জমিদার বাড়ি এখন জরাজীর্ণ। পড়ে আছে অযতœ-অবহেলায়। কবির ঘুরে যাবার ৪৩ বছর পর এখানেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আঠারবাড়ি ডিগ্রি কলেজ। কিন্তু এখনো এ কলেজটি সরকারিকরণ হয়নি।
কবির এ স্মৃতিচিহ্নের অবকাঠামো সংরক্ষণের পাশাপাশি এখানে রবীন্দ্র স্মৃতি ভবন নির্মাণেরও দাবি তুলেছেন কলেজটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনসাধারণ।
শনিবার দুপুরে স্থানীয় আঠারবাড়ি ডিগ্রি কলেজে বিশ্বকবির মহাপ্রয়াণ দিবস উপলক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী আলোচনা, সভা, সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে এসে স্থানীয় সংসদ সদস্য ফকরুল ইমামও এ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। ১৯২৬ সালের ১৫ ফেব্রæয়ারি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এসেছিলেন ময়মনসিংহে। তিনি তার প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতনের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন। ময়মনসিংহের শিক্ষিত ও সুশীল সমাজ এক্ষেত্রে ছিলেন আবেগ উদ্দীপ্ত।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ