Inqilab Logo

ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১০ কার্তিক ১৪২৭, ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

দাফনকালে কেঁদে উঠল নবজাতক!

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৮ অক্টোবর, ২০২০, ১২:০২ এএম

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জন্মগ্রহণের পর এক নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। তবে দাফন করতে গিয়ে নবজাতকটি নড়ে ওঠায় ফের চিকিৎসকের কাছে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে ওই নবজাতকটি ঢামেক হাসপাতালের নবজাতক ইউনিটে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সেখানের চিকিৎসকরা বলেছেন, নবজাতকের অবস্থা তেমন ভালো না, যেকোনো সময় কিছু ঘটে যেতে পারে।
জানা যায়, গত ১৩ অক্টোবর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১১০ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মালেঙ্গা গ্রামের সন্তান সম্ভাবনা গৃহবধূ শাহিনুর। গতকাল ভোরের দিকে স্বাভাবিকভাবে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন তিনি। গৃহবধূ শাহিনুরের স্বামীর নাম ইয়াসিন মোল্লা। তিনি জানান, এটি তার দ্বিতীয় সন্তান। নয় বছর বয়সী আরও একটি কন্যা সন্তান আছে।

স্বজনরা জানান, জন্মের পরপরই ওই নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। পরে ওই নবজাতককে একটি প্যাকেটে ভরে তার বাবা ইয়াসিন মোল্লার কাছে হস্তান্তর করে চিকিৎসক বলেন, নবজাতকটি মৃতই জন্ম নিয়েছে। পরে ওই প্যাকেটে থাকা নবজাতকটিকে নিয়ে গতকাল সকালে ইয়াসিন আজিমপুর কবরস্থানে যান। সেখানে অর্থনৈতিক কারণে তাকে দাফন করতে না পারায় একপর্যায়ে ইয়াসিন নবজাতকটিকে নিয়ে বসিলা কবরস্থানে যান। সেখানের লোকজন তাকে দাফনের জন্য প্যাকেট খুললে নবজাতকটি নড়ে ওঠে কান্না করে। এ সময় চমকে যান ইয়াসিন। পরে তিনি দ্রুত নবজাতককে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে নবজাতকটি ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ব্যাপারে ঢামেক হাসপাতালের গাইনি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. নিলুফার সুলতানা বলেন, নবজাতকের বিষয়টি হাসপাতালে পরিচালককে অবগত করা হয়েছে। ওয়ার্ডের দায়িত্বে যিনি আছেন তাকে বিষয়টি অবগত করেছি।
ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন জানান, নবজাতকটি জীবিত আছে। সে ভালো আছে ও তার চিকিৎসা চলছে। তবে এটাখুব দুঃখজন ঘটনা। এ ব্যাপারে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: নবজাতক

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন