Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০৯ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

মামলার তদন্ত শেষ করতে হবে ছয় মাসের মধ্যে

রূপপুরে বালিশকান্ড

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২০ অক্টোবর, ২০২০, ১২:০০ এএম

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের ৩ দুর্নীতি মামলার তদন্ত ৬ মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আসামি শফিকুল ইসলামের জামিন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিগে গতকাল সোমবার বিচারপতি মো.নজরুল ইসলাম তালুকদার এবং বিচারপতি আহমেদ সোহেলের ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আসামির পক্ষে জামিন চাওয়া হলেও আবেদন মঞ্জুর না করে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেয়া হয়। সেই সঙ্গে কেন আবেদনকারীকে জামিন দেয়া হবে না-এই মর্মে রুল জারি করা হয়। জামিন আবেদনের ওপর শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। সরকারের পক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক শুনানি করেন।
আমিন উদ্দিন মানিক জানান, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রূপপুর প্রকল্পে অস্বাভাবিক দামে আসবাব কেনা হয়। এটি পরে ‘বালিশ-কান্ড’ হিসেবে পরিচিতি পায়। কেনাকাটার সঙ্গে জড়িত গণপূর্ত অধিদফতরের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাসুদুল আলমসহ ৯ জনকে আসামি করে দুদকের পাবনার উপ-পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন গত ১২ ডিসেম্বর মামলা করেন। একই সঙ্গে প্রকল্পের ১৩ প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে পৃথক ৪টি মামলা করে দুদক। শফিকুল ইসলাম ছাড়াও এসব মামলায় গণপূর্তের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাসুদুল আলম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহিদুল কবির, মোস্তফা কামাল,আহমেদ সাজ্জাদ খান, সুমন কুমার নন্দী, আবু সাঈদ, রওশন আলী ও তাহাজ্জুদ হোসেন, সহকারী প্রকৌশলী তারেক, আমিনুল ইসলাম ও সাজিদ কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের মালিক শাহাদত হোসেন এব আসিফ হোসেন গ্রেফতার হন। সংস্থার পরিচালক কাজী শফিকুল আলমের তত্ত্বাবধানে দুদক টিম ঘটনার অনুসন্ধান করেন। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রি কেনাকাটার অনিয়মে ৩১ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, রূপপুর প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্মাণাধীন গ্রীণ সিটি আবাসন প্রকল্পের ২০ ও ১৬ তলা ভবনের আসবাব ও প্রয়োজনীয় মালামাল ক্রয় ও ভবনে উত্তোলন কাজে অস্বাভাবিক ব্যয় নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেসব প্রতিবেদনে রিফ্রিজারেটর, টেলিভিশন, খাট, বিছানা, ওয়ারড্রোব, বৈদ্যুতিক চুলা, কেটলি, রুম পরিষ্কারের মেশিন, ইলেকট্রিক আয়রন, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি কেনাকাটা ও ভবনে মালামাল উত্তোলনে অস্বাভাবিক খরচ দেখানো হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রূপপুর


আরও
আরও পড়ুন