Inqilab Logo

ঢাকা মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

সম্রাটের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র মামলায় চার্জ গঠন ৩০ নভেম্বর

আদালতে সম্রাটের মুক্তি চেয়ে কর্মীদের বিক্ষোভ

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২১ অক্টোবর, ২০২০, ১২:০০ এএম

যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ খ্যাত ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র মামলায় চার্জশিট আমলে নিয়ে চার্জ গঠনের জন্য আগামী ৩০ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন। এদিন সকাল থেকে সম্রাটের সমর্থকরা আদালত এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। তারা সম্রাটের মুক্তি চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এসময় তাদের হাতে নানা ফেসটুন দেখা যায়। তারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

অন্যদিকে সকাল ১০ টার দিকে আসামি সম্রাটকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে পৌঁছলে তাকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সম্রাটকে আদালতে হাজির করা হবে বলে সকাল থেকেই তার নেতাকর্মীরা আদালতপাড়ায় ভিড় জমান। আদালতপাড়া কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে। বেলা সোয়া ১১টার দিকে তাকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের এজলাসে নেয়া হয়। ১১ টা ৪০ মিনিটে তার দুই মামলায় শুনানি শুরু হয়। শুনানি শুরুর আগে সাধারণ আইনজীবীদের বের করে দেন বিচারক। এ নিয়ে বিচারকদের সঙ্গে সম্রাটের আইনজীবীদের বাকবিতন্ডা হয়। আইনজীবীরা বলেন, অনেক সিনিয়র আইনজীবীদের স্বাক্ষর ওকালতনামায় থাকে না। তারা এসে শুনানি করেন। পরে আস্তে আস্তে পরিবেশ শান্ত হয়।

সম্রাটের পক্ষে আইনজীবী গাজী জিল্লুর রহমান, আফরোজা শাহানাজ পারভীন (হীরা), মাহবুবুল আলম দুলাল শুনানি করেন। শুনানিতে তারা বলেন, তিনি একজন জনপ্রিয় নেতা। তাকে ভিকটিমাইজড করার জন্য যা যা করার দরকার তাই করা হয়েছে। নেতাকর্মীরা তাকে ভালোবাসে। এজন্যই শত শত নেতাকর্মী আজ আদালতে ছুটে এসেছে তাকে দেখতে, তার মুক্তির দাবি নিয়ে।
আইনজীবী আরও বলেন, সম্রাট অসুস্থ। আমরা তার জামিন চাই। তাকে বাঁচতে দিন। বেঁচে থাকলে বিচার হবে। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিনের আদেশ পরে দেবেন বলে জানান।

গত বছরের ৬ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে তাকে নিয়ে ওইদিন দুপুর দেড়টার দিকে তার কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় কার্যালয়ের ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও পিস্তল উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় ৭ অক্টোবর র‌্যাব-১-এর ডিএডি আব্দুল খালেক বাদী হয়ে রমনা থানায় দুটি মামলা দায়ের করেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের
আরও পড়ুন