Inqilab Logo

ঢাকা রোববার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

বেতনে কুলাচ্ছে না!

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২১ অক্টোবর, ২০২০, ১২:০০ এএম

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী তিনি। কিন্তু বেতন যা পান, তাতে কুলাচ্ছে না। তাই পদত্যাগের চিন্তাভাবনা করছেন বরিস জনসন। ঘনিষ্ঠ মহলে নিজেই নাকি সে কথা জানিয়েছেন তিনি। বিভিন্ন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম অন্তত এমনটাই দাবি করছে। আগামী বসন্তের মধ্যে বরিস এ নিয়ে চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলতে পারেন বলে দাবি তাদের।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বছরে ১ লাখ ৫০ হাজার ৪০২ পাউন্ড বেতন পান বরিস, বাংলাদেশী মুদ্রায় যা ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকারও বেশি। কিন্তু গত বছর জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার আগে তার থেকেও বেশি রোজগার করতেন তিনি। তাই পুরনো পেশাতেই তিনি ফিরে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে শুধুমাত্র খবরের কাগজে লিখেই মাসে প্রায় ২৩ হাজার পাউন্ড রোজগার করতেন তিনি, বাংলাদেশী মুদ্রায় যা প্রায় ২৫ লাখ টাকা। তা ছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেও আলাদা রোজগার ছিল তার। এমনকি এক বার এক মাসে তিনি ১ লাখ ৬০ পাউন্ডও রোজগার করেছিলেন তিনি। তাই পদত্যাগ নিয়ে বরিস ভাবনা চিন্তা শুরু করে দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে হোয়াইট হল সূত্রে খবর, এখনই পদত্যাগ করার কথা ভাবছেন না বরিস। ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চান তিনি। একই সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি থেকে দেশকে বার করে আনার পরিকল্পনাও রয়েছে। তাই কমপক্ষে আরও ছ’মাস অপেক্ষা করতে চান তিনি।

বরিসের পদত্যাগ নিয়ে প্রশ্ন করলে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের এক এমপি জানান, কমপক্ষে ছয় সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব রয়েছে বরিসের কাঁধে। তাদের পড়াশোনার খরচও দিতে হয় তাকে। খরচ দিতে হয় সাবেক স্ত্রী মারিনা হুইলারকেও। ওই বেতনে সব কিছু সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অন্যান্য এমপিদের মতে, আসলে পূর্বসুরি টেরিজা মে, ডেভিড ক্যামেরন এবং টোনি বেøয়ারদের দেখে হিংসা হচ্ছে বরিসের। প্রধানমন্ত্রী পদে পদত্যাগ করার পর বক্তৃতা পিছু ১০ লাখ পাউন্ড আয় করেন টেরিজা। ডেভিড ক্যামেরন বক্তৃতা পিছু ১ লাখ ২০ হাজার পাউন্ড আয় করেন। সূত্র : রিপাবলিক ওয়ার্ল্ড।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন