Inqilab Logo

ঢাকা রোববার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান যুদ্ধ বন্ধে এবার উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২১ অক্টোবর, ২০২০, ১০:৩৬ এএম

নাগরনো-কারাবাখ নিয়ে যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। আগামী শুক্রবার ওয়াশিংটনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আঞ্চলিক সংঘাত অবসানে ভূমিকা রাখতে চাচ্ছে ওয়াশিংটন।

দুই দেশের দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পম্পেওর আলাদা বৈঠক করার কথা রয়েছে। তবে আর্মেনীয় এবং আজেরি পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে অপরের সঙ্গে বৈঠক করবেন কিনা বা যুক্তরাষ্ট্র দুইজনকে নিয়ে একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠক করবে কিনা তা পরিষ্কার জানা যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ও এ বৈঠকের ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি।
নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া-আজারবাইজানের সংঘাতে এ পর্যন্ত মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে এসেছে রাশিয়া। কিন্তু মস্কোর উদ্যোগে আর্মেনিয়া-আজারবাইজান দুটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছার পরও লড়াই থামেনি।

এবার যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার উদ্যোগে সামিল হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ‘পলিটিকো’ নিউজ ওয়েবসাইট সরকারি নথির ভিত্তিতে জানিয়েছে, আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথমে শুক্রবার সকালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেওর সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপরই বৈঠক করবেন আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে নাগোর্নো কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের মধ্যে লড়াই চলে আসছে। দুইপক্ষ মঙ্গলবারেও তুমুল লড়াই হয়েছে বলে জানিয়েছে। এই লড়াইয়ে নাগোর্নো-কারাবাখ প্রতিরক্ষাবাহিনীর আরও ৪৩ সদস্য নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে।

নাগোরনো-কারাবাখকে কেন্দ্র করে গত শতকের ৯০ এর দশকের পর এই প্রথম দুই সাবেক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র এমন তুমুল লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েছে।
নাগোরনো-কারাবাখকে আজারবাইজান নিজেদের বলে দাবি করলেও অঞ্চলটি এখন আর্মেনীয় নৃগোষ্ঠীর লোকজনের নিয়ন্ত্রণে; আর্মেনিয়াও তাদের সমর্থন দিচ্ছে। ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত এ অঞ্চলকে ঘিরে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ চললেও পরে একটি যুদ্ধবিরতি হয়েছিল।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: যুক্তরাষ্ট্র


আরও
আরও পড়ুন