Inqilab Logo

ঢাকা রোববার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

মোদি ছেড়ে দিদির পাশে!

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৩ অক্টোবর, ২০২০, ১২:০২ এএম

গোর্খাল্যান্ডের প্রতিশ্রুতি দিয়েও কথা রাখেননি নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহরা। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও পর্যন্ত যাকে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সবটাই তিনি পূরণ করেছেন। তাই বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করে আগামী বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের সঙ্গে জোট বাঁধতে চান গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো বিমল গুরুং। জানালেন, তৃতীয়বারের জন্যও মমতাকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে দেখতে চান। বিমলরা শিবির বদল করায় অনেক অঙ্ক বদলে যেতে পারে।
প্রায় তিন বছর বাদে প্রকাশ্যে এসে বুধবার কলকাতায় সংবাদ সম্মেলনে তার রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন পাহাড়ের অবিসংবাদী নেতা বিমাল গুরুং। পাহাড়, ডুয়ার্স এবং তরাই অঞ্চলে গুরুংয়ের এখনও যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বিমলের ঘোষণাকে হাল্কা করে দেখাতে চেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা কখনওই গোর্খাল্যান্ড করে দেব বলিনি। গোর্খাল্যান্ড ওদের ইস্যু। আমরা পাহাড়ে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান চেয়েছিলাম। কেন্দ্রও বারবার চেষ্টা করেছে। রাজ্যের অসহযোগিতায় চেষ্টা সফল হয়নি। পাহাড়েও ছত্রধর মাহাতোর স্টাইলের রাজনীতি শুরু করেছে তৃণমূল। এর ফল ভুগতে হবে ওদের।’ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া, ‘বিমলের দলের একটি এজেন্ডা গোর্খাল্যান্ড। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কি তা সমর্থন করছেন?’ তৃণমূলের পক্ষ থেকে টুইটে বলা হয়েছে, ‘রাজ্যে শান্তি বজায় রাখতে বিমল গুরুংরা এনডিএ থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যে আস্থা রেখেছেন, তাকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। সঙ্কীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে বিজেপি যে গোর্খাল্যান্ডের ইস্যু ব্যবহার করেছে, তা বাংলার মানুষের সামনে চলে এল।’ শাসকদল আশা প্রকাশ করেছে, ‘পাহাড়ের সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ, রাজনৈতিক দল, জিটিএ, সুশীলসমাজ হাত ধরাধরি করে আমাদের সঙ্গে মাতৃভ‚মির উন্নয়ন এবং শান্তির লক্ষ্যে এক সঙ্গে কাজ করবেন।’ সূত্র : জি নিউজ।

 



 

Show all comments
  • মোহাম্মদ কাজী নুর আলম ২৩ অক্টোবর, ২০২০, ১২:৫৭ এএম says : 0
    চাওয়ালার সাথে কোনো ভদ্র মানুষ থাকতে পারে না।
    Total Reply(0) Reply
  • রাজিব ২৩ অক্টোবর, ২০২০, ১২:৫৭ এএম says : 0
    মমতা আমার একজন পছন্দের রাজনীতিবিদ।
    Total Reply(0) Reply
  • রমজান আলি ২৩ অক্টোবর, ২০২০, ১২:৫৮ এএম says : 0
    মোদির মতো দাঙ্গাবাজের সাথে কেউ থাকতে পারে না।
    Total Reply(0) Reply
  • রাজিয়া সুলতানা ২৩ অক্টোবর, ২০২০, ১২:৫৮ এএম says : 0
    ভালো সিদ্ধান্ত।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মোদি

২৩ অক্টোবর, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ