Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৯ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জীবন

বৈরি আবহাওয়ার কারণে সারা দেশে নৌ-চলাচল বিঘ্নিত : ছুটির দিনেও রাজধানীতে দুর্ভোগ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৫ অক্টোবর, ২০২০, ১২:০২ এএম

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ি, কোথাও টানা বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। সাপ্তাহিক ছুটি দিন শুক্রবার বৃষ্টির কারণে রাজধানীর জুম্মার নামাজিদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। যারা কাজকর্মে পথে বের হয়েছেন তাদের পোহাতে হয়েছে নানামুখি ঝামেলায়। কার্তিক মাসের এ বৃষ্টি রাতে ঠান্ডা নামিয়ে দিয়েছে।

দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে ভারি বৃষ্টি হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ মধ্যাঞ্চলীয় জেলাগুলোতেও ভারি থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। সারাদেশ থেকে আমাদের প্রতিনিধিরা জানান, শহর-গ্রাম সর্বত্রই বৃষ্টিতে জনজীবন হয়ে পড়েছিল বিপর্যস্ত। বৈরি আবহাওয়ার কারণে সারা দেশে নৌ-চলাচল ব্যাহত হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ফেরি চলাচল স্থগিত থাকায় অপেক্ষমাণ গাড়ির কারণে রাস্তায়ও তৈরি হয়েছে যানজট।

আবহাওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়েছে এবং একই দিকে আরো অগ্রসর হতে পারে। আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান খান জানান, নিম্নচাপটি পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের ওপর দিয়ে অতিক্রম করলে শনিবার দুপুর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত থাকবে। তবে শনিবার দুপুর থেকে আবহাওয়া ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করতে পারে। রোববার সকাল থেকে বাতাসের গতিবেগ, বৃষ্টি এবং মেঘ স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসবে বলে ধারণা করা যেতে পারে।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উপক‚লীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া হালকা, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির কারণে নগরজীবনে ছন্দপতন ঘটে। দিনভর বৃষ্টিতে নগরবাসীর দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। ছুটির দিন হলেও মাঝেমধ্যে হালকা, আবার কখনো ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে পথে বের হওয়া কর্মজীবীদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। বৃষ্টির পানিতে নগরীর ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি ও রিকশাচালকদের যাত্রী বহন করতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও একটানা বৃষ্টির কারণে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষের দুর্ভোগে পড়তে হয়। সড়কে পানি জমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলে শ্লথগতির কারণে নগরীর বিভিন্ন স্থানে তীব্র যানজট তৈরি হয়।

এছাড়াও নগরীর বিভিন্ন স্থানে খোঁড়াখুঁড়ির ফলে ওইসব জায়গায় বৃষ্টির পানি জমে পথঘাট কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। মানুষ ও যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির কারণে দিনভর নিম্নআয়ের মানুষেরা কাজে বের হতে পারেননি। মতিঝিলের এক কিশোর পান-সিগারেট বিক্রেতা ফারুক বলেন, ‘সারাদিন বৃষ্টির কারণে বেচাবিক্রি কম, খাইমু কি!’
সরেজমিন রাজধানীর যাত্রাবাড়ি গুলিস্তান, পল্টন, মতিঝিল, মিরপুর-১০ নম্বর, বিজয় সরণি, মালিবাগ, মগবাজার, রামপুরা, বনশ্রী, শান্তিনগর, খিলগাঁও, কাকরাইল, মোহাম্মদপুর, কল্যাণপুর, মৌচাক, ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখো যায় পথে মানুষ খুবই কম বের হয়েছেন। তবে জুম্মার নামাজ আদায়ের জন্য মুসিল্লরা কেউ ছাতা হাতে কেউ বৃষ্টিতে ভিজেই মসজিদের উদ্দেশ্যে বের হয়েছেন।

ইনকিলাবের ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, রংপুর ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার প্রতিনিধিরা জানান, বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় ১৮৯ মিলিমিটার। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ১১৯, চট্টগ্রামে ১৪২, কক্সবাজারে ১১৯, চট্টগ্রামে ১৪২, কুতুবদিয়ায় ১৬৬, সন্দীপে ১১০, সীতাকুÐে ১১৭, কুতুবদিয়ায় ১৬৬, বরিশাল ১১৬, মিলিমিটার সন্দীপে ১১০, সীতাকুÐে ১১৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয়েছে সিলেট বিভাগে মাত্র ১১ মিলিমিটার।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে বরিশাল বিভাগের খেপুপাড়ায় ২৭৯ মিলিমিটার। এছাড়া ঢাকা বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে মাদারিপুরে ৫১, ময়মনসিংহ বিভাগের মধ্যে নেত্রকোনায় ৪৭, চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে হাতিয়ায় ১৫৭, সিলেটে ৯৪, রাজশাহী বিভাগের মধ্যে ঈশ্বরদিতে ৩৬, রংপুর বিভাগের মধ্যে ১৬ এবং খুলনা বিভাগের মধ্যে মংলায় ৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল আজ শুক্রবারও বন্ধ রয়েছে। প্রবল হাওয়া ও উত্তাল ঢেউ থাকায় পদ্মায় ২ নম্বর নৌবিপদ সংকেত চলছে। এতে দুর্ঘটনা এড়াতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৪টা থেকে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ করে দেয় ঘাট কর্তৃপক্ষ।
ইনকিলাবের প্রতিনিধিরা জানান, নাব্য সংকটের কারণে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে আগে থেকেই অনির্দিষ্টকালের জন্য ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফেরির পর লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ হওয়ায় এ নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডবিøউটিএ) শিমুলিয়া লঞ্চঘাটের পরিদর্শক মো. সোলেমান জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদীতে এখন ২ নম্বর বিপদ সংকেত চলছে। দুর্ঘটনা এড়াতে নৌরুটে চলাচল করা ৮৭টি লঞ্চ ও চার শতাধিক স্পিডবোট বন্ধ রাখা হয়েছে।
বরিশাল ব্যুরো জানায়, শুক্রবার সকাল ৯টায় পায়রাবন্দর থেকে ২০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এ সময় প্রবল বর্ষণের সাথে ঝড়ো হাওয়ায় উপক‚লভাগসহ দক্ষিণাঞ্চলের স্বাভাবিক জনজীবন অনেকটা লন্ডভন্ড করে দেয়। বরিশাল মহানগরীও অন্তত ৮০ ভাগ এলাকা প্লবিত হয়েছে।

নিম্নচাপটি শুক্রবার সকাল থেকেই পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যবর্তী সাগরদ্বীপ উপক‚ল অতিক্রম করে। নিম্নচাপের প্রভাবে প্রবল বর্ষণের সাথে ফুঁসে ওঠা সাগরের জোয়ারের পানি ধেয়ে আসছে উপক‚লভাগ থেকে দক্ষিণের জনপদে। আবহাওয়া বিভাগ থেকে বরিশাল, পটুয়াখাালী, বরগুনা, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠী ও বাগেরহাটের উপক‚লীয় চরসমুহ স্বাভাবিকের চেয়ে ৩-৪ ফুট অধিক জোয়ারে প্লাবিত হবার কথা বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে মেঘনা, তেঁতুলিয়া, বলেশ^র, কঁচা, বিষখালী, পায়রা, সুগন্ধা ও সন্ধ্যাসহ দক্ষিণাঞ্চলের সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

অব্যাহত প্রবলবর্ষণে বরিশাল মহানগরীসহ দক্ষিণাঞ্চলের সবগুলো নগর-মহানগর ২-৫ফুট পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের সবগুলো নদী বন্দরকে ২নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পায়রাসহ সব সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে ৩নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বরিশাল নদী বন্দরে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলে অনধীক ৬৫ ফুট দৈর্ঘ্যরে সব যাত্রীবাহী নৌযানের চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত সব মাছধরা ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা সংবাদদাতা জানান, অব্যাহত বর্ষণে পটুয়াখালীর জেলার জনজীবন অচল হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জেলার চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ। পটুয়াখালী জেলা শহরের অনেক এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু না থাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্ঠি হয়েছে।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার রাতে দুর্যোগ মোকাবেলা প্রস্তুতি জরুরিসভা করে জেলা প্রশাসন। সভায় জেলা প্রশাসক মো: মতিউল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ইতোমধ্যে জেলার ৮ শতাধিক আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে এবং ১১০টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন, সিপিপি ও রেডক্রিসেন্টের সদস্যরা প্রস্তুত আছে।

অন্যদিকে দুর্যোগ আবহাওয়ার নিষেধাজ্ঞা উপক্ষো করে রাঙ্গাবালীর কোড়ালিয়া-পানপট্টি নৌ-রুটের রুমেন-১ স্পিডবোট ডুবিতে ১৭ যাত্রীর মধ্যে ১২জন উদ্ধার হলেও ৫জন যাত্রী এখনও নিখোঁজ রয়েছে। ঘটনার পর থেকে পুলিশ ও কোস্টগার্ড স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান চালালেও নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান পাননি। বরিশালের ডবুরি দল নিয়ে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো: ফিরোজ আহমেদ আগুনমুখা নদীর পানপটিপ্রান্ত থেকে উদ্ধার অভিযান কাজ শুরু করার জন্য বিকেল ৫টা পর্যন্ত অবস্থান করলেও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কাজ শুরু করতে পরেননি বলে তিনি এ প্রতিবেদককে ফোনে জানান। এখন পর্যন্ত নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেনÑ রাঙ্গাবালী থানার পুলিশ কনস্টেবল মো. মহিব্বুল্লাহ ও কৃষি ব্যাংক বাহেরচর শাখার পরিদর্শক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, আশা ব্যাংকের খালগোড়া শাখার কর্মকর্তা কবির হোসেন, দিনমজুর মো. ইমরান ও মো. হাসান মিয়া।

পটুয়াখালীর নদীবন্দর কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক খাজা সাদিকুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার নিষেধাজ্ঞা উপক্ষো করে স্পিডবোট চালানোর দায়ে স্পিডবোট মালিক ও চালকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, বুধবার রাত থেকে অবিরাম বৃষ্টিতে থমকে গেছে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার জনজীবন। বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে নিম্নাঞ্চল, রাস্তা-ঘাট, ফসলের ক্ষেত ও মাছ চাষের পুকুর। গো-খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিযেছে। পানেিত ডুবে গেছে হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গা পূজামÐপ।
পরাপর ৩/৪ বার পানিতে প্লাবিত হওয়ায় আমন আবাদ নিয়ে কৃষকরা শংকার মধ্যে ছিল। শেষ মুহূর্তে চড়া মূল্যে বীজ ক্রয় করে আমন আবাদ করলেও আবার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা আবার শঙ্কিত। আমনের এখন পর্যন্ত তেমন ক্ষতি না হলেও রবিশষ্য সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রমতে উপজেলায় ৭ শত হেক্টর জমিতে রবিশষ্য চাষ করা হয়েছে। বেড়িবাঁধ না থাকায় খেতাছিড়া গ্রামের ২ শত ৩০টি পরিবারের ঘর জোয়ারের পানিতে সম্পূর্ণ প্লাবিত হওয়ায় ৩ দিন ধরে তাদের রান্নাবান্না বন্ধ থাকায় খেয়ে না খেয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে আফজাল বেপারী জানান।

এদিকে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে বিভিন্ন স্থানে চলমান সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গা পূজামÐপ ডুবে গেছে। ওয়াহেদাবাদ গ্রামের নাপিতখালী পূজামÐপ ও ছোট শৌলা গ্রামের ঠাকুর বাড়ি পূজামÐপ পানিতে প্লাবিত দেখা গেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঊর্মি ভৌমিক পূজামÐপ প্লাবিত হওয়া প্রসঙ্গে জানান, এখন পর্যন্ত তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

ঝালকাঠি জেলা সংবাদদাতা জানান, ঝালকাঠিতে শুক্রবার সকাল থেকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। বৃষ্টির পাশাপাশি বইছে ধমকা হাওয়া। সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি ঢুকে পড়েছে শহরের রাস্তাঘাট, ফসলের ক্ষেত ও মাছের ঘেরে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঝালকাঠিতে ১৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পানি বেড়ে যাওয়ায় নদী তীরের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এরই মধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি সভা করে দুর্যোগের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী। নদী তীরের আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও মেডিক্যাল টিম ও সেচ্ছাসেবীদের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে সভায়।

 



 

Show all comments
  • Parvez Abu Taha ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ২:৩৫ এএম says : 0
    আল্লাহ আপনার পরম করুনাই এই সব বিপদ গুরস্ত মানুষকে হেফাজত করেন হে আল্লাহ
    Total Reply(0) Reply
  • Md Kasham ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ২:৩৬ এএম says : 0
    ইয়া রহমান আপনার রহমতের চাদর দিয়ে এসব অসহায় মা বোন ও মাসুম বাচ্চাদের কে হেফাজত করুন।
    Total Reply(0) Reply
  • Md Emon ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ২:৩৬ এএম says : 0
    আল্লাহ তুমি তোমার রহমতের হাত বারিয়ে দাও আমিন
    Total Reply(0) Reply
  • Bely Rahman ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ২:৩৮ এএম says : 0
    অক্টোবরের বৃষ্টি রোমান্টিক নয় বিরক্তিকর। যা গ্রহণ করতে দ্বিধা তা কখনো রোমান্টিক হতে পারে কি ?
    Total Reply(0) Reply
  • Mehbuba Jahan Labonee ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ২:৩৯ এএম says : 0
    কয়েক দিনের টানা গরমে অবশেষে স্বস্তির বৃস্টি
    Total Reply(0) Reply
  • Asma Sultana ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ২:৩৯ এএম says : 0
    আমার বৃষ্টি ভালো লাগে
    Total Reply(0) Reply
  • Syed Md Kamal Uddin ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ২:৪০ এএম says : 0
    যুগ যুগ ধরে এভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে যুদ্ধ করেও অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলা বিশ্বের একমাত্র দেশের নাম বাংলাদেশ।স্বাধীনতার পর থেকে এই পর্যন্ত প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাংলাদেশের যত ফসলহানী হয়েছে,রাস্তাঘাট ধ্বংস হয়েছে,তার সবগুলোর মূল্য দিয়ে এতদিনে ২/৪টা ম্যান মেড ডুবাই কিংবা সিংগাপুর তৈরী করা যেত।
    Total Reply(0) Reply
  • রমজান আলি ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ২:৪১ এএম says : 0
    প্রাকৃতিক দুর্যোগ হতে রক্ষা করুন হে আল্লাহ।
    Total Reply(0) Reply
  • রাজি হোসেন ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ২:৪১ এএম says : 0
    আজ সারাদিন গৃহবন্দি চিলাম।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বৃষ্টি

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন