Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৯ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

পেনশনার সঞ্চয়পত্র বাড়ছে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১২:০০ এএম

২০১৫ সালে নতুন পে স্কেল প্রদানের মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা হালনাগাদ হয়নি। তাই এবার পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ৫০ লাখ টাকা থেকে বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

স¤প্রতি অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সভা করে এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা পরামর্শ দেন।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতর মহাপরিচালক সভায় জানান, ২০০৪ সালে পেনশনার সঞ্চয়পত্র চালু হওয়ার সময় ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমা ছিল ২০ লাখ টাকা। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে এ সীমা বাড়ানো হয়। তিনি সভাকে আরও অবহিত করেন যে ২০০৯ সালে পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিধিমালা সংশোধন করে পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ৫০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সভায় আরও আলোচনা হয়, ২০১৫ সালে নতুন পে স্কেল প্রদানের মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা হালনাগাদ হয়নি। তাই এ ক্ষেত্রে একজন সরকারি কর্মচারী আনুতোষিক ও ভবিষ্যত তহবিল হতে প্রাপ্ত সমুদয় অর্থ বিনিয়োগের প্রস্তাব করা হয়।

যদিও এ বিষয়ে সভায় সিনিয়র সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, এ ক্ষেত্রে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত জটিলতা বৃদ্ধি পাবে এবং অনিয়মের সুযোগ তৈরি হবে। তবে পূর্বের এবং ২০১৫ সালের বেতন পর্যালোচনা করে সামগ্রিক বাস্তবতার নিরিখে পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণ করা যেতে পারে।

বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার পর সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আগের এবং ২০১৫ সালের বেতন স্কেল পর্যালোচনা করে পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণ করে পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিধিমালা সংশোধনের জন্য প্রস্তাব সঞ্চয় অধিদফতরের মহাপরিচালক অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে পাঠাবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পেনশনার সঞ্চয়পত্রটি শুধু অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরেদের জন্য। দেশে যত সঞ্চয়পত্র চালু আছে, তার মধ্যে এর গ্রাহকদেরই সবচেয়ে বেশি মুনাফা বা সুদ দেয় সরকার। মুনাফার হার ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এ সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় কোনো উৎসে কর নেবে না সরকার। তবে পাঁচ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের মুনাফায় উৎসে কর ১০ শতাংশ।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর ২০০৪ সালে চালু এ সঞ্চয়পত্র চালু করে। প্রাপ্ত আনুতোষিক ও ভবিষ্যত তহবিলের অর্থ মিলিয়ে একক নামে ৫০ (পঞ্চাশ) লাখ টাকা পর্যন্ত এ সঞ্চয়পত্র কেনা যায়। জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের ২০১৯ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে যত সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়, তার ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ হচ্ছে পেনশনার সঞ্চয়পত্র।

 

 



 

Show all comments
  • ইকবাল আকন্দ ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১:৩৫ পিএম says : 0
    প্রবাসিরা যখন দেশে ফিরে যাবে, তখন তাদের দেশে কিছু করার সুযোগ থাকেনা। তাই তাদের জন্য প্রবাসী সঞ্চয়পত্র খোলার ব্যবস্হা করা উচিত।
    Total Reply(0) Reply
  • Kazi Mosaddekur Rahman ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১১:৩২ এএম says : 0
    I support Mr. Sakib
    Total Reply(0) Reply
  • Rakib ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১০:৩৮ এএম says : 0
    Why not for private employees! Govt employees have already live long pension benefits.
    Total Reply(0) Reply
  • md aminul haque ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১০:৪৬ এএম says : 0
    প্রবাসী সঞ্চয়পত্র কবে চালু করা হবে? এ বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
    Total Reply(0) Reply
  • Kazi Mosaddekur Rahman ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১১:৩৩ এএম says : 0
    I support Mr. Rakib
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Delwar Hossain ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১২:৩৯ পিএম says : 0
    Please arrange for private retirement employees
    Total Reply(0) Reply
  • M.A.Matin Mazumder ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ৫:০১ পিএম says : 0
    Private service holders are essentially needed to enjoy the government offered facility of pensioner sanchaypatra since they have limited facilities to lead their life with their hard earned wages.
    Total Reply(0) Reply
  • Sardar Md. Soyeb ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ৫:৫২ পিএম says : 0
    Good step.Limit can be increased to 01 crore or at least to 80 lakh.
    Total Reply(0) Reply
  • কৃষ্ণপদ ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ৮:২৪ পিএম says : 0
    অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী/কর্মকর্তা গণের একমাত্র আয়ের উৎস সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ। চাকুরীশেষে তার প্রাপ্ত সমুদয় অর্থই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের সুযোগ থাকা উচিত। তাছাড়া পেনশনারদের আয় থেকে উৎসে কর প্রত্যাহার করা হউক।
    Total Reply(0) Reply
  • Md Abdur Rahim Mia ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ৬:৪৯ পিএম says : 0
    please withdraw requirement of TIN no incase of dependent. i.e wife and children.
    Total Reply(0) Reply
  • Saiful ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ২:৩৩ পিএম says : 0
    Private company employee ar jonno kora dorker.tader o to family ase.
    Total Reply(0) Reply
  • ছানোয়ার ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ৬:১৩ পিএম says : 0
    উৎসকর ১০% থেকে কমিয়ে যেকোনো পরিমান সঞ্চয়েে ৫% করলে সরকারী চাকুরী জীবিদের জন্য ভাল হয়।
    Total Reply(0) Reply
  • Syduzzaman ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ৫:০৬ পিএম says : 0
    . সন্চয় পত্রের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে লাভ নেই যদি ১০% কর কমিয়ে ৫% না আনা হয়।তা ছাড়া অনেক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী তাদের সীমিত অবস্থার কারনে তাদের পক্ষে এ সুযোগ গ্ৰহন করা সম্ভব নয়। ঃ
    Total Reply(0) Reply
  • Ziaul bari ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ৯:০৬ পিএম says : 0
    Our constitution doesn't allow discrimination. So the facility should be same for govt and private service holders.
    Total Reply(0) Reply
  • Md Shaukat Ali Khan ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১০:০৭ পিএম says : 0
    বৈষম্য না করে বেসরকারী প্রতিষ্ঠান থেকে যারা অবসর নিয়েছেন তাদের জন্যও এই সুযোগ অবারিত করা উচিৎ। কারণ, অসুবিধা কম-বেশি তাদেরও রয়েছে। এছাড়া, তারাও এদেশের নাগরিক অার সরকার রাজস্য তাদের কাছ থেকেই বেশি পেয়ে থাকেন।
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Tarique Ibne Hamid ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১০:২২ পিএম says : 0
    Person those who have retired from any autonomous body, private bank or any organisation,are unable to purchase Pensioner SP. My humble request to our Government to open it for the retired persons those who retire from the mentioned private, semi autonomous organisation.
    Total Reply(0) Reply
  • susanta ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১০:৪১ পিএম says : 0
    Why this facility is only for Government serviceholder. Private serviceholder and non-resident Bangladeshis also giving their service for countries, so they should also get this facilities.
    Total Reply(0) Reply
  • Khokon Sikder ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১০:৪৫ পিএম says : 0
    সরকারি চাকুরীজীবীদের বিষয়ে সরকার বা রাষ্ট্র যেভাবে চিন্তা করছে তার কানাকড়ি সমান চিন্তা এদেশের খেটে খাওয়া মানুষদেরকে নিয়ে যেমন, কৃষক, বেসরকারি চাকুরীজীবী, গার্মেন্টস শ্রমিক ইত্যাদি। তাদের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত জমানো টাকার থেকে সরকার ১০% ট্যাক্স কাটছেন। আইন করা হোক আর নীতিমালা করা হোক সেটা সকলের জন্য সমান হওয়া চাই। উদ্ধসীমা অথবা ট্যাক্স এর বিষয়টি অন্ততপক্ষে সকলের জন্য একই হওয়া দরকার।
    Total Reply(0) Reply
  • মো. মাহমুদুল হোসেন ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১১:০২ পিএম says : 0
    দেশের মুদ্রাস্ফীতি ও টাকার মানের অবমূল্যায়ন বিবেচনায় সরকারি-বেসরকারি সকল চাকুরিজীবী ও অন্যান্য পেশাজীবিদের জন্যও প্রচলিত সকল প্রকার সঞ্চয়পত্রের ক্রয়ের ক্ষেত্রেই উর্ধসীমা কমপক্ষে ১ কেটি টাকা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
    Total Reply(0) Reply
  • ড.এস,জেড,এম,সালেহউদ্দিন ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১১:৫১ পিএম says : 0
    এদেশ ১৮ কোটি মানুষের। শুধুমাত্র সরকারি আমলারা কেন এই সুযোগ সুবিধা পাবে?সরকারি আমলাদের জন্য এই দেশ স্বাধীন হয়নাই। একজন সরকারি কর্মকর্তা চাকুরী জীবন শেষে নিয়মিত পেনশন ও অন্যান্য অনেক সু্যোগ সুবিধা পান।ফ্ল্যাট প্লট পান।এদের জন্য আর কতো করবেন?সরকারি আমলাদের মুখ সোনা দিয়ে ভরিয়ে দিলেও এদের চাহিদা শেষ হবেনা।ব্রিটিশ পাকিস্তান সব আমলেই এসব আমলা ফায়দা তুলেছে।এবার সাধারণ জনগণের জন্য কিছু করুন।
    Total Reply(0) Reply
  • সুমন ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১১:৫১ পিএম says : 0
    প্রবাসীদের জন্য কিছু করেন
    Total Reply(0) Reply
  • Jalal Ahmed ২৮ অক্টোবর, ২০২০, ৩:৫০ এএম says : 0
    It is a good news of Rtd. government service holders.
    Total Reply(0) Reply
  • Mosharraf Hossain ২৮ অক্টোবর, ২০২০, ২:৩৯ পিএম says : 0
    I would like to make a humble appeal to the Honorable Priminister to increase the limit for private sector employees as well. We are also contributing to build the nation. We have not pension benefit, no Boishalhi Bhata and Medical benefits. You are daughter of the Bangabandhu our great leader and a nation builder, therefore, we believe you will consider my appeal. We want ewuotable justice from you. Long Live our Mother and leader of heart.
    Total Reply(0) Reply
  • Sayed ২৮ অক্টোবর, ২০২০, ৭:৩১ এএম says : 0
    প্রবাসীদের জন্য Wage Earner Development Bond চালু আছে।
    Total Reply(0) Reply
  • Rubina ২৮ অক্টোবর, ২০২০, ৯:২৬ এএম says : 0
    Private banks may have a new instrument to capture pensioners benefit with increased interest rates. Like NSD.
    Total Reply(0) Reply
  • Habib ২৮ অক্টোবর, ২০২০, ৯:৫৬ এএম says : 0
    প্রবাসী সঞ্চয়পত্র কবে চালু করা হবে? এ বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Zahid Hossain ২৮ অক্টোবর, ২০২০, ৮:১৬ পিএম says : 0
    Government should expand the facility to private service holders those who have recognised provident fund.
    Total Reply(0) Reply
  • Majibur Rahman ২৮ অক্টোবর, ২০২০, ৮:২২ পিএম says : 0
    Please arrange for private retirement employees
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Nazmul Huq ২৮ অক্টোবর, ২০২০, ১১:২৯ পিএম says : 0
    Government should permit the private service sector to enjoy this offered facility with their hard earned wages.
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Nazmul Huq ২৮ অক্টোবর, ২০২০, ১১:৩১ পিএম says : 0
    Government should permit the private service sector to enjoy this offered facility with their hard earned wages.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সঞ্চয়পত্র

৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
২৭ জানুয়ারি, ২০২০
১১ জানুয়ারি, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন