Inqilab Logo

ঢাকা রোববার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১০ মাঘ ১৪২৭, ১০ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

১৭ বছরের এক যুবকের হামলায় ৮৯ জন ইসরায়েলি সেনার মৃত্যু হয়েছিলো

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ১০:৫১ এএম

৩৮ বছর আগে ১৯৮২ সালের ১১ নভেম্বর দক্ষিণ লেবাননের টায়ার শহরে দখলদার ইহুদিবাদী সেনাদের সদর দপ্তরে এক যুবকের হামলায় নিহত হয় ৮৯ জন সন্ত্রাসী ইসরাইলি সেনা। এছাড়াও আহত হয় ৮৬ হানাদার সেনা। তারা সবাই ছিল ইসরাইলের একই কমান্ড ইউনিটের সদস্য।

আহমাদ কাসির নামের ১৭ বছর বয়স্ক এক লেবাননি বীর যুবক হামলা চালিয়েছিলেন। দখলদার ইসরায়েলি সেনারা ১৯৮২ সালে লেবাননে আগ্রাসন চালিয়ে রাজধানী বৈরুত পর্যন্ত অগ্রসর হয় এবং গণহত্যা চালায়। হাজার হাজার বেসামরিক লেবাননি ইসরায়েলি সেনাদের গণহত্যা অভিযানে শহীদ ও আহত হয়েছিলেন। ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেথ এই হামলার জন্য ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহকে দায়ি করেছিল।

এ হামলা ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ইসলামী গণ-প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছিল এবং প্রবল প্রতিরোধের মুখে ইসরায়েলি সেনারা বৈরুত ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। মুজাহিদদের হামলায় বৈরুতে মার্কিন ও ফরাসি দখলদার সেনাদের সদর দপ্তর ধ্বংস হওয়ার পর এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছিল। ১৯৮৩ সালের ২৩ অক্টোবর আরো এক বীরত্বপূর্ণ শাহাদত-পিয়াসী হামলা চালায় প্রতিরোধ যোদ্ধারা। সন্ত্রাস-বিরোধী এই অভিযানে নিহত হয়েছিল ২৪১ মার্কিন ও ৫৮ ফরাসি দখলদার সেনা। মার্কিন সেনারা ছাড়াও বৈরুতে অনুপ্রবেশ করেছিল ফরাসি, ব্রিটিশ ও ইতালির দখলদার বাহিনী।

লেবাননের গৃহযুদ্ধে ইসরায়েলের অনুচর খ্রিস্টান ফ্যালাঞ্জিস্ট গেরিলাদের সহায়তা দেয়ার জন্যই দেশটিতে ঢুকে পড়েছিল এইসব পশ্চিমা সেনা। দক্ষিণ লেবাননে ইহুদিবাদী ইসরাইলের দখলদারিত্ব স্থায়ী করাও ছিল পশ্চিমাদের এইসব সেনা হস্তক্ষেপের উদ্দেশ্য। কিন্তু মুজাহিদদের ওই বীরত্বপূর্ণ অভিযানের পর আমেরিকাসহ পশ্চিমা দেশগুলো লেবানন থেকে তাদের সেনা সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। সূত্র: পার্স টুডে, ইকনা



 

Show all comments
  • মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন তালুকদার ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ২:৪৫ পিএম says : 1
    এভাবে মুসলমানদের জয় হোক, আল্লাহু আকবর
    Total Reply(0) Reply
  • Jack Ali ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৪:১৫ পিএম says : 1
    Jihad is the Best Ebadat, we muslim have given up Jihad as such all our muslim populated country ruled by the Murtard/Taghut/Munafiq/Zalem as such those who want Allah's Law they killed them and also Kafir's knows there is no muslim ruler in this world as such they are killing us/raping us/expelling us from our home land.. O'Muslim come back to Allah and repent and rule by the Law of Allah only then we will be successful in this world and also hereafter. InshaAllah
    Total Reply(0) Reply
  • মশিউর ইসলাম ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৪:৩৪ পিএম says : 1
    স্যালুট জানাই শহীদ বীরকে
    Total Reply(0) Reply
  • Shamsur Rahman ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৪:৩৫ পিএম says : 1
    আলহামদুলিল্লাহ
    Total Reply(0) Reply
  • দেওয়ান মাহদী ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৪:৩৫ পিএম says : 1
    এ সমস্ত নিউজ শুনার পরে কি যে ভালো লাগে
    Total Reply(0) Reply
  • Biplob Khan ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৪:৩৫ পিএম says : 1
    তার জন্য ভালোবাসা আর দোয়া রইলো
    Total Reply(0) Reply
  • মোঃ রফিকুল ইসলাম ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৫:২০ পিএম says : 0
    এখন কি আহমদ কাসিরের ন্যায় কোন বীর উত্তরসূরি নেই ?
    Total Reply(0) Reply
  • মোঃ রফিকুল ইসলাম ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৫:২০ পিএম says : 0
    এখন কি আহমদ কাসিরের ন্যায় কোন বীর উত্তরসূরি নেই ?
    Total Reply(0) Reply
  • Md suruj ali ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০, ৯:০৭ এএম says : 0
    Subahanallah.bir Muslim doro hat benge deo kalo hat
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইসরাইল

১৫ জানুয়ারি, ২০২১

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ