Inqilab Logo

ঢাকা সোমবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২১, ০৪ মাঘ ১৪২৭, ০৪ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

তুরস্কের সেনা আর্মেনিয়াকে শিক্ষা দেবে

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ১:৪৬ পিএম

এবার আর্মেনিয়াকে কঠোরভাবে সতর্ক করলো তুরস্ক। চুক্তি ভঙ্গ করলে তার ফল ভুগতে হবে। এভাবেই তুরস্ক সতর্ক করে দিলো আর্মেনিয়াকে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আর্মেনিয়াতে বিক্ষোভ অব্যাহত।

নাগর্নো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়ায় বিক্ষোভ অব্যাহত। তারই মধ্যে তুরস্ক সতর্ক করল আর্মেনিয়াকে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেছেন, আর্মেনিয়া যদি কোনোভাবে চুক্তিভঙ্গ করে, তা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তুরস্কের সেনা আর্মেনিয়াকে শিক্ষা দেবে।

নাগর্নো-কারাবাখ নিয়ে গত ছয় সপ্তাহ ধরে তুমুল যুদ্ধ হয়েছে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের। গত সোমবার রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আজারবাইজান, আর্মেনিয়া এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে। যেখানে আপাতত যুদ্ধ বন্ধের একটি ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করা হয়েছে। চুক্তিতে কার্যত জয় হয়েছে আজারবাইজানের। কারণ, নাগর্নো-কারাবাখের অধিকাংশ এলাকা এখন আজারি সেনার হাতে। চুক্তিতে স্থির হয়েছে, নাগর্নো-কারাবাখে যে যেখানে অবস্থান করছে, সেই এলাকা তার বলে বিবেচিত হবে। আর্মেনিয়া যেহেতু কার্যত এলাকা থেকে জমি হারিয়েছে, ফলে আজারি বাহিনী বিষয়টিকে নিজেদের জয় হিসেবেই দেখছে।

অন্য দিকে আর্মেনিয়াতে বিক্ষোভ শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করছে দেশের জনতা। বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছেন। এই পরিস্থিতিতে আর্মেনিয়া চুক্তি ভেঙে ফের যুদ্ধে নামতে পারে বলে মনে করছে অনেকেই। সেই আশঙ্কা থেকেই বৃহস্পতিবার তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্মেনিয়াকে সতর্ক করে দিয়েছে। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আর্মেনিয়া ফের যুদ্ধের চেষ্টা করলে, হামলার চেষ্টা করলে তার ফল তাদের ভুগতে হবে।

বস্তুত, গোড়া থেকেই যুদ্ধে আজারবাইজানকে সমর্থন করছিল তুরস্ক। সরাসরি সেনা এবং যুদ্ধবিমান দিয়েও তারা আজারবাইজানকে সাহায্য করেছে বলে আর্মেনিয়ার অভিযোগ। তুরস্ক সেনা পাঠানোর কথা স্বীকার না করলেও প্রকাশ্যে আজারি ফৌজকে সমর্থন জানিয়েছে। রাশিয়ার মধ্যস্থতায় তিন দেশের চুক্তির পর রাশিয়া প্রায় দুই হাজার সৈন্য পাঠিয়েছে নাগর্নো-কারাবাখে। শান্তি বজায় রাখার জন্য। তুরস্ক জানিয়েছে, তারাও সেখানে সেনা পাঠাবে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য। নাগর্নো-কারাবাখে যাতে আর কোনো যুদ্ধ না হয় তার জন্য তুরস্কও দায়বদ্ধ বলে জানিয়েছেন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ডয়চে ভেলে

 



 

Show all comments
  • বয়ড়া খাল পাড় ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ২:২৮ পিএম says : 0
    ইসলামের জয় হওক দুনিয়ার সর্বত্র।
    Total Reply(0) Reply
  • Sadman Islam ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৩:২৪ পিএম says : 0
    অনেক ধৈর্যর ফলে আল্লাহ মুসলিম আজেরী ভাইদের বিজয়ী করেছেন।
    Total Reply(0) Reply
  • Polo Dev Nath Shibu ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৪:৩৬ পিএম says : 0
    Turkey will be most powerful in middle east
    Total Reply(0) Reply
  • Zillur Rahaman ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৪:৩৬ পিএম says : 0
    মুসলমানদের নতুন সুলতান সুলেমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। মাহাথির মোহাম্মদের পর উদীয়মান মুসলিম নেতা। মুসলিমদের কল্যানে তার অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক।
    Total Reply(0) Reply
  • Iqbal Al Shafi ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৪:৩৭ পিএম says : 0
    নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করা কোন অন্যায় নয় বরং তারাই অন্যায় করেছে যারা এতদিন এই দখলদারদের সহায়তা করেছে
    Total Reply(0) Reply
  • Rakib Hasan ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৪:৩৭ পিএম says : 0
    এরদোয়ান যেখানে হাত দেয় সেটাই স্বর্ন হয়ে যায়। আর্মেনিয়া কে কি শিক্ষাটাই না দিলো তুরস্ক।
    Total Reply(0) Reply
  • Humayun ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৫:০৬ পিএম says : 0
    মধ্যপ্রাচ্যে আর একজন সুলতান সুলেমান প্রয়োজন
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: তুরস্ক

১৩ জানুয়ারি, ২০২১

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ