Inqilab Logo

সোমবার, ০২ আগস্ট ২০২১, ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮, ২২ যিলহজ ১৪৪২ হিজরী

রোহিঙ্গা ইস্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন বরিস জনসন

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২২ নভেম্বর, ২০২০, ১২:০৩ পিএম

মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সূচির সাথে রোহিঙ্গা ইস্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।রাখাইনে রোহিঙ্গা সংকট ও সংঘাত নিয়ে সূ চির সঙ্গে কথা বলেছেন জনসন। নেইপিয়াদুর সামনে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন তারা। শুক্রবার টেলিফোনে এ আলোচনা হয়। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় সূচিকে অভিনন্দন জানান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। -ইউএনবি

এসময় জনসন বলেন, এ নির্বাচন মিয়ানমারের গণতন্ত্রের পথে পরিবর্তনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যুক্তরাজ্যের বিবৃতিতে বলা হয়, রাখাইন ও চীন রাজ্যে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে এবং বেসামরিক লোকেরা ক্রমবর্ধমান সংঘাতের কবলে পড়ছে। মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিক আদালতের অস্থায়ী ব্যবস্থা সংক্রান্ত রায় মেনে চলতে হবে। রোহিঙ্গারা এখনও তাদের মৌলিক অধিকার এবং মর্যাদা থেকে বঞ্চিত। এক লাখ ২৮ হাজার রোহিঙ্গা এখনও নিজ দেশে শিবিরের মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং অবাধে চলাচল, এমনকি চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগও তাদের নেই। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মিয়ানমারের সামরিক এবং জাতিগত সশস্ত্র উভয় গ্রুপ দ্বারা সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে নির্বিচারে গ্রেপ্তার, নির্যাতন, হেফাজতে মৃত্যু, গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া, যৌন সহিংসতা এবং ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশনস’ পরিচালনার খবর পাওয়া গেছে।

গত জুলাইয়ে রোহিঙ্গা এবং অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় জড়িত থাকার জন্য মিয়ানমারের দুই উচ্চ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তাকে চিহ্নিত করে যুক্তরাজ্য। এপ্রিলে ২৬ রাজনৈতিক বন্দি এবং ৮০০ রোহিঙ্গাসহ ২৪ হাজার ৮৯৬ বন্দিকে মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। তা সত্ত্বেও সরকার এবং সেনাবাহিনী মত প্রকাশের স্বাধীনতা সীমাবদ্ধ করতে দমনমূলক আইন ব্যবহার করে চলেছে। এসব উদ্বেগের কথা সূচিকে স্মরণ করিয়ে দেন বরিস জনসন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রোহিঙ্গা গণহত্যা


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ