Inqilab Logo

ঢাকা রোববার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, ০৩ মাঘ ১৪২৭, ০২ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

২৭ বছর পর ‘কালবাজার’ বুঝে নিল আজেরি বাহিনী

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৬ নভেম্বর, ২০২০, ১১:০৭ এএম | আপডেট : ১২:১৪ পিএম, ২৬ নভেম্বর, ২০২০

নাগার্নো-কারাবাখের আদগামের পর এবার কালবাজার জেলার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আজারবাইজান। রাশিয়ার মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তি অনুযায়ী কালবাজার জেলা আজারবাইজানের কাছে হস্তান্তর করেছে আর্মেনিয়া। সেখানে এরই মধ্যে আজেরি সেনাবাহিনী প্রবেশ করেছে এবং পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। খবর আনাদুলু এজেন্সির
আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বুধবার এক বিবৃতি প্রকাশের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, কালবাজার এলাকায় আজেরি সেনাদের নির্বিঘ্ন চলাচলের জন্য ওই এলাকায় পেতে রাখা মাইন এবং বোমা পরিষ্কার করা হয়েছে এবং এক্ষেত্রে ইঞ্জিনিয়ারিং কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের উপদেষ্টা হিকমত হাজিয়েভ জানান, কালবাজার শহরটি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে আর্মেনিয়ার সরকার যে ১০ দিন বাড়তি সময় নিয়েছিল তা শেষ হওয়ার পর আজ শহরটি হস্তান্তর করা হয়েছে। ১৯৯০ এর দশকের শুরু দিকে আজারবাইজানের কাছ থেকে এসব এলাকা দখল করে নিয়েছিল আর্মেনিয়া।
আর্মেনিয়ার দখলে থাকার দীর্ঘ ২৭ বছর পর নিজ ভূমিতে ফিরল আজেরি বাহিনী। বুধবার সকালে আজেরি সেনাবাহিনী ওই অঞ্চলটিতে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করা আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে ১৯৯১ সাল থেকে উত্তেজনা চলে আসছিল। পরে একই বছর আজারবাইজানের কাছ থেকে নাগরনো-কারাবাখসহ পাশের সাতটি এলাকা দখল করে নেয় আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী। এর পর থেকেই গত প্রায় ৩০ বছর ধরে কারাবাখ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল। গত ২৭ সেপ্টেম্বর আজারবাইজানের সেনাবাহিনী ও বেসামরিক মানুষজনের ওপর আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী হামলা চালালে দুই দেশের মধ্যে তীব্র যুদ্ধ শুরু হয়। টানা ৪৪ দিনব্যাপী এই যুদ্ধে আর্মেনিয়ার দখলদারিত্ব থেকে বেশ কয়েকটি শহর এবং প্রায় ৩০০ গ্রাম ও বসতি এলাকা মুক্ত করে আজারবাইজান। সূত্র- ইয়েনি শাফাক



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: আজারবাইজান


আরও
আরও পড়ুন