Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ০২ মাঘ ১৪২৭, ০২ জামাদিউল সানী ১৪৪২ হিজরী

মিলারদের প্রস্তাব ২০ শতাংশ

খাদ্যমন্ত্রীর প্রত্যাখ্যান

নওগাঁ জেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ২৭ নভেম্বর, ২০২০, ১২:০৩ এএম

সরকারি খাদ্যগুদামে লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ২০ শতাংশ চাল সরবরাহ করতে মিল মালিকরা প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি মিল মালিকদের সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। গত বুধবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তিন ঘণ্টাব্যাপী নওগাঁ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত চলতি মৌসুমে আমন সংগ্রহ উপলক্ষে রাজশাহী ও রংপুর খাদ্য বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সাথে খাদ্যমন্ত্রীর এক মতবিনিময় সভায় উপস্থিত মিল মালিক নেতারা এই প্রস্তাব দেন। খাদ্যমন্ত্রী এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
সভা চলাকালীন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে সভাকক্ষের বাইরে যান চালকল মালিকরা। পরে তারা ফিরে এসে মোট লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ২০ শতাংশ এক লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের প্রস্তাব দেন। খাদ্যমন্ত্রী তাৎক্ষণিক তাদের সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক লায়েক আলী বলেন, আমরা অনেক আগে থেকেই চালের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে আসছিলাম। বাজারে ধানের দাম বেশি। বেশি দামে ধান কিনে চাল উৎপাদন করে গুদামে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু তারপরও লক্ষ্যমাত্রার ২০ শতাংশ চাল গুদামে সরবরাহ করতে খাদ্যমন্ত্রীকে প্রস্তাব দিলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।
নওগাঁ জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার বলেন, বাজারে নতুন আমন ধানের দাম বেশি। গুদামে চাল সরবরাহ করতে যে সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে তা চলমান থাকলে মিল মালিকদের জন্য সুবিধা হবে। যখন ধানের বাজার স্বাভাবিক হবে তখন মিলাররা চাহিদা মতো গুদামে চাল সরবরাহ করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, চলতি মৌসুমে সরকারিভাবে মিলারদের কাছ থেকে ৩৭ টাকা কেজি দরে ছয় লাখ মেট্রিক টন চাল এবং ২৬ টাকা কেজি দরে কৃষকদের কাছ থেকে দুই লাখ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ৭ নভেম্বর আমন ধান সংগ্রহের উদ্বোধন করা হয়। ১৫ নভেম্বর চুক্তির শেষ সময় থাকলেও পরে মিল মালিকদের অনুরোধে ২৫ নভেম্বর ধার্য করা হয়।

নওগাঁ জেলা প্রশাসক হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম, মহা পরিচালক সারোয়ার মাহমুদ, নওগাঁর পুলিশ সুপার প্রকৌশলী মো. আব্দুল মান্নান মিয়া। এছাড়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিএম ফারুক হোসেন পাটোয়ারী, বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক লায়েক আলী, নওগাঁ ধান-চাল আড়তদার সমিতির সভাপতি নিরোদ বরণ সাহা চন্দন, জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সভাপতি ও নওগাঁ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার, খাদ্য বিভাগের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগীয় কর্মকর্তা ও মিল মালিক নেতৃবৃন্দ এবং সুধীজনরা এতে উপস্থিত ছিলেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ২০-শতাংশ
আরও পড়ুন