Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ০২ মাঘ ১৪২৭, ০২ জামাদিউল সানী ১৪৪২ হিজরী

কাজী রফিকুল আলম একজন অনুকরণীয় মানুষ

‘কাজী রফিকুল আলম ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তারা

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৮ নভেম্বর, ২০২০, ৬:৪০ পিএম

কাজী রফিকুল আলম একজন অনুকরণীয় মানুষ। ‘কাজী রফিকুল আলম ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন’ শীর্ষক বইটি শুধু স্মৃতিচারণ নয়, বা একটি ঐতিহাসিক দলিল নয়, এটা সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অন্যতম চিন্তার সম্পদ।

শনিবার ২৮ নভেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘কাজী রফিকুল আলম ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ব্র্যাক-এর চেয়ারপার্সন ও পিপিআরসি’র নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান একথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক অবয়বে কাজী রফিকুল আলম যে সফলতা নিয়ে এসছেন তার নিজের জীবনে এবং তার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অগনিত মানুষের জীবনে তারচেয়েও গুরুত্বপূর্ণ মনে করি দর্শনের সাথে মিশনের সমন্বয়।

অনুষ্ঠানের মধ্যমনি কাজী রফিকুল আলম বলেন, কর্মযজ্ঞে বাস্তবতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন। আমরা এরই মধ্যে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ স্বীকৃতি ‘স্বাধীনতা পদক’ পেয়েছি। আন্তর্জাতিকভাবেও অনেক স্বীকৃতি রয়েছে আমাদের কাজের। এ তালিকা দীর্ঘ।

তিনি আরও বলেন, আত্মতৃপ্তির কোনো সুযোগ নেই। সকল ক্ষেত্রেই আমাদের আরো অনেক কাজ বাকি রয়েছে। সময় খুব দ্রুত চলে যাচ্ছে। আমাদেরকে দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করতে হবে। পরিবর্তনশীল পৃথিবীর সাথে নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযান-এর নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, প্রতিষ্ঠান গড়তে গড়তে কাজী রফিকুল আলম নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান হয়ে গেছেন। তিনি এক্ষেত্রে একজন রোল মডেল। নারী উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাঁর যে মূল্যবোধ তা অতুলনীয়।

প্রফেসর ড. এম. শমশের আলী বলেন, কাজী রফিকুল আলম একজন স্বপ্নদ্রষ্টা।

সাবেক সচিব ও এনবিআর-এর সাবেক চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মজিদ বলেন, তাঁর চিন্তা-চেতনা এবং ভালো কাজের নিদর্শন আল্লাহতাআলা কবুল করেছেন।

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক ড. এসএম খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মুহম্মদ এলতাস উদ্দিন, অধ্যাপক শফিউল আলম, জনাব সাখাওয়াত আলী, ও আব্দুল বারী-আল বাকী।

অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট (সিনেড)-এর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ খান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের নির্বাহী পরিচালক ড. এম. এহ্ছানুর রহমান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর ড. এমএইচ খান, প্রফেসর আবু তৈয়ব আবু আহমেদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিন আহমেদ, সাবেক স্বাস্থ্যসচিব ফজলুর রহমান ও হজ্ব ফাইন্যান্স কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুমী এহ্সানুল হকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) সারাজীবন ধর্মতত্ত্ব আর ইহজাগতিকতার সমন্বয়ে মানবতার জয়গান গেয়েছেন। তাঁর এই জীবনদর্শনের ধারক হিসেবে ‘¯্রষ্টার এবাদত ও সৃষ্টের সেবা’ মূলমন্ত্র নিয়ে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন নামে তিনি যে বীজটি বপণ করেছিলেন, তার কাজের পরিধি আজ দেশের সীমানা পেরিয়ে সারা বিশ্বে প্রসারিত হয়েছে। মিশন প্রতিষ্ঠাতার অনুপম আদর্শ অনুসারী কাজী রফিকুল আলম এই মিশনকে সারা বিশ্বে পরিচিত করে তোলার অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব।

কাজী রফিকুল আলমকে যাঁরা কাছ থেকে দেখেছেন, যাঁরা তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন, যাঁরা তাঁর সাথে কাজ করেছেন এমন দেশি-বিদেশি কিছু ব্যক্তিবর্গের লেখা নিয়ে সাজানো হয়েছে ‘কাজী রফিকুল আলম ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন’ বইটি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন