Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ০২ মাঘ ১৪২৭, ০২ জামাদিউল সানী ১৪৪২ হিজরী

বরিশালে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যার আসামীর মৃত্যুদন্ড

বরিশাল ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ৬:৫১ পিএম

বরিশাল মহানগরীর কাশিপুর ইউনিয়নের ৩য় শ্রেনীর ৮ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে আপহরন, ধর্ষণ ও হত্যার পর লাশ গুমের অপরাধে পৃথক তিন ধারায় আসামী আবুল কালাম আজাদ (ওরফে) কালুকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদন্ড, যাবজ্জীবন ও সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ডাদেশ দিয়েছে। এছাড়া আরো দেড় লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে ভিকটিমের পরিবারকে দেয়ার আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ আবু শামীম আজাদ।
বৃহস্পতিবার আসামীর উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষনা করা হয় । বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আভাষের পক্ষ থেকে ভিকটিমকে দেয়া আইনজীবী মোকলেচুর রহমান খান জানান, ২০১৮ সালের ১১ই মার্চ দুপুর ২ টার দিকে ঐ শিক্ষার্থী বিদ্যালয় এর পাশ^বর্তী আবুল কালাম আজাদ কালুর বাড়ির বাথরুমে যায়। এসময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে আসামী কালু শিশুটিকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করে বস্তায় ভরে হালিম মাস্টারের পারিবারিক কবরস্থানে ফেলে দিয়ে আসে। ১৩ই মার্চ এয়ারপোর্ট থানা পুুলিশ কবরস্থান থেকে বস্তাবন্ধি লাশটি উদ্ধার করে।
এঘটনায় শিশুর মা মাহমুদা বেগম বাদী হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আঃ রহমান মুকুল আদালতে কালুর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তী সময়ে মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে প্রেরন করা হয়।
ট্রাইব্যুনালে দীর্ঘ দেড় বছর মামলাটির বিচার চলাকালে তদন্তকারী কর্মকর্তা সহ ১০জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে বিজ্ঞ বিচারক আসামী আবুল কালাম আজাদ কালুর উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রায় ঘোষনা করেন। রায়ে ধর্ষণের অপরাধে কালুকে মৃত্যুদন্ড, অপহরনের অপরাধে যাবজ্জীবন ও লাশ ঘুম করার অপরাধে আরো ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ডের পাশাপাশি আসামীর স্থাবরÑঅস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে শিশুটির পরিবারকে দেড় লক্ষ টাকা প্রদানের আদেশ প্রদান করেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন