Inqilab Logo

সোমবার, ০২ আগস্ট ২০২১, ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮, ২২ যিলহজ ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

আর্মেনিয়ান ৪৭০০ কোটি টাকা মূল্যের অস্ত্র ধ্বংস করলো আজারবাইজান

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৬ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:০০ এএম

যুদ্ধ শেষ, চলছে যুদ্ধ বিরতী। এখন দুই দেশ কার কত ক্ষতি হয়েছে তা নির্ধারণে ব্যস্ত। তবে আজারবাইজানের তুলনায় আর্মেনিয়ার খুব বেশি ক্ষতি হয়েছে।

কয়েকদিন আগে শেষ হওয়া নাগার্নো-কারাবাখ যুদ্ধে আর্মেনিয়ার ৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের (বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা) অস্ত্র ধ্বংস করেছে আজারবাইজানের সেনাবাহিনী।

৪৪ দিনের যুদ্ধে আর্মেনিয়ার কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার একটি হিসাব করেছে আজারবাইজান স্টেট ইউনিভার্সিটি অব ইকোনমিকস। সেখানেই এ তথ্য উঠে আসে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে নার্গানো-কারাবাখে আর্মেনিয়া-আজারবাইজান যুদ্ধ শুরু হয়। আর্মেনিয়ার দখলে থাকা আজারবাইজানের বিপুল পরিমাণ ভূমি দখলমুক্ত করা হয়। এছাড়াও মুখোমুখি যুদ্ধেও পরাস্ত হয়েছে আর্মেনিয়া।

যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিন থেকেই আজারবাইজানিরা স্থলভাগ ও আকাশে আর্মেনিয়ান বাহিনীর উপর তীব্র আক্রমণ চালিয়েছিল।

রাশিয়ার মধ্যস্থতায় চুক্তি স্বাক্ষরের পর আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, যুদ্ধ শুরুর চারদিন পরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নিকোল প্যাসিনিয়াকে জানানো হয়েছিল যে ইয়েরেভানের বাহিনী আজারবাইজানি হামলার মুখে টিকতে পারছে না এবং সৈন্যদের মধ্যে ভয় ফুটে উঠেছে।

লড়াই চলাকালীন, তুরস্কের তৈরি সশস্ত্র ড্রোন আর্মেনিয়ান বাহিনীর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছিল, যা আজারবাইজানের জন্য সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করেছিল।

সাবেক সোভিয়েতভুক্ত দুই দেশের মধ্যে নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে যুদ্ধ চলে আসছে বহুদিন ধরে। ১৯৯১ সালে আর্মেনিয়া না

গার্নো-কারাবাখ দখল করলে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। ওই যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন। নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত।

পরে চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ হলেও সর্বশেষ গত ২৭ সেপ্টেম্বর আর্মেনিয়া আজারবাইজানের সামরিক ও বেসামরিক এলাকায় হামলা চালায়। এরপরই নাগার্নো-কারাবাখে আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে আজারবাইজানের সেনাবাহিনী। যুদ্ধে সুবিধা করতে না পেরে এবং বিশাল আকারে সামরিক ও বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির মুখে আর্মেনিয়া গত ১০ নভেম্বর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আজারবাইজানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করতে বাধ্য হয়।

টানা ৪৪ দিন চলা এই যুদ্ধে নাগার্নো-কারাবাখের ৩০০টির বেশি বসতি ও এলাকা দখলমুক্ত করে আজারবাইজানের সেনাবাহিনী। চুক্তিটি আজারবাইজানের জয় ও আর্মেনিয়ার পরাজয়ের দলিল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

সূত্র : ডেইলি সাবাহ



 

Show all comments
  • আবদুর রহমান ৬ ডিসেম্বর, ২০২০, ৬:৩৯ পিএম says : 0
    Alhamdulillah
    Total Reply(0) Reply
  • Abdur Rokib ৬ ডিসেম্বর, ২০২০, ৬:৩৯ পিএম says : 0
    আলহামদুলিল্লাহ
    Total Reply(0) Reply
  • Jannatul Eva ৬ ডিসেম্বর, ২০২০, ৬:৪১ পিএম says : 0
    আর এই সব অস্ত্র আর্মেনিয়া ভারত থেকেই কিনছিলো ‌। ভারতের ডাডাদের মানসম্মান শেষ ‌।
    Total Reply(0) Reply
  • তানবীর ৬ ডিসেম্বর, ২০২০, ৬:৫২ পিএম says : 0
    এভাবেই মুসলমানদের জয় হবে ইনশা আল্লাহ
    Total Reply(0) Reply
  • হেদায়েতুর রহমান ৬ ডিসেম্বর, ২০২০, ৬:৫৩ পিএম says : 0
    ভারত থেকে অস্ত্র কিনলে এমনই হবে
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: আর্মেনিয়া-আজারবাইজান


আরও
আরও পড়ুন

কাশ্মীর লীগকে স্বীকৃতি না দিতে আইসিসিকে ভারতের চিঠি!

img_img-1627919649

আগামী ৬ আগস্ট থেকে কাশ্মীরে শুরু হতে যাওয়া ক্রিকেট লীগ নিয়ে উত্তাল ক্রিকেট বিশ্ব। তবে এই লীগ নিয়ে এবারো কড়া অবস্থান নিলো সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিসিসিআই। কাশ্মীর ক্রিকেট লীগকে স্বীকৃতি না দিতে এবার আইসিসিকে চিঠি দিলো ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড। চিঠিতে বলা হয়, কোনোভাবেই যেন কাশ্মীর প্রিমিয়ার লীগকে (কেপিএল) স্বীকৃতি দেয়া না হয়। -সংবাদ প্রতিদিন কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তান-ভারত বিবাদ দীর্ঘদিনের। বিষয়টি নিয়ে বরাবরই সোচ্চার হয়েছে নয়াদিল্লি। অঞ্চলটিতে নির্বাচন আয়োজনের পর এবার সেখানে ক্রিকেট লীগেরও আয়োজন করতে চলেছে পাকিস্তান। আর সেকারণেই বিষয়টিকে ভালোভাবে নেয়নি বিসিসিআই। পাকিস্তান সুপার লীগ আয়োজন করা নিয়ে কোনো আপত্তি না থাকলেও জাতীয় সুরক্ষার খাতিরে কাশ্মীর প্রিমিয়ার লীগকে কোনোভাবেই স্বীকৃতি দেবে না বিসিসিআই। ইতোমধ্যে বিশ্বের সমস্ত ক্রিকেট বোর্ডকে মৌখিকভাবে সেকথাও জানিয়ে দিয়েছেন সৌরভরা। শুধু তাই নয়, এই লীগে অংশগ্রহণকারী ক্রিকেটারদের ভারতে ক্রিকেট সম্পর্কিত সমস্ত কার্যকলাপে নিষিদ্ধ করা হবে বলেও হুমকি দেয়া হয়। সেই কথাও স্পষ্ট করে ঘোষণা দেয়া হয়। আর এবার এ ব্যাপারে সরাসরি আইসিসিকে চিঠি দিলো ভারতীয় বোর্ড। একটি ক্রীড়াবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিঠিতে ভারতীয় বোর্ডের পক্ষ থেকে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থাকে বলা হয়েছে, কাশ্মীর নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে রাজনৈতিক বিবাদ রয়েছে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে। তাই ওই অঞ্চলে আয়োজিত এই ক্রিকেট লীগকে যেন কোনোভাবেই স্বীকৃতি দেয়া না হয়। এদিকে এই লীগ আয়োজনে বাধা দেয়ার অভিযোগ তুলে বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।কাশ্মীরে আয়োজিত ক্রিকেট লীগে না খেলার জন্য তার উপর চাপ সৃষ্টি করছে বিসিসিআই। এমনকি ভারতে প্রবেশের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে। এর আগে টুইটে এমনই অভিযোগ তুলেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন ক্রিকেটার হার্শেল গিবস। শুধু গিবস নন, আরেক প্রাক্তন ক্রিকেটার পাকিস্তানের রশিদ লতিফও একই অভিযোগ করেছেন। আর এই নিয়েই উত্তাল ক্রিকেট দুনিয়া।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ