Inqilab Logo

ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ৩০ চৈত্র ১৪২৭, ২৯ শাবান ১৪৪২ হিজরী

সৈয়দপুর মৎস্য গবেষনা উপকেন্দ্র বিলুপ্ত প্রায় বৈরালি মাছের কৃত্রিম প্রজননে সাফল্য

সৈয়দপুর (নীলফামারী) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১০ ডিসেম্বর, ২০২০, ১:০৬ পিএম | আপডেট : ১:০৬ পিএম, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০

বিলুপ্ত প্রায় বৈরালী মাছের কৃত্রিম প্রজননে সফল হয়েছেন বাংলাদেশ মৎস্য ইনস্টিটিউটের নীলফামারীর সৈয়দপুর স্বাদু পানির মৎস্য গবেষনা উপকেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা। নদীর উন্মুক্ত পানির এ মাছটিকে আবদ্ধ পুকুরে চাষ করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন তারা। এ সাফল্য দেশের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি মৎস্য চাষীদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে দাবি বিজ্ঞানীদের।
সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের ২৬০ টি স্বাদু পানির মাছের মধ্যে বৈরালিসহ ৬৪ টি প্রজাতি বিলুপ্ত প্রায়। এক সময় তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদীতে বৈরালী, বরালী কিংবা কোসসা নামে পরিচিত মাছটি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যেত। কিন্তু ঘন জাল দিয়ে এক শ্রেণির জেলেরা ধ্বংস করে দিচ্ছে সুস্বাদু এ মাছটির পোনা। তাই দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে এ মাছটি। ২০১৫ সালে মাছটিকে প্রায় বিলুপ্ত হিসাবে ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা- আইইউসিএন। এ অঞ্চলের নদীপাড়ের জেলেরাও বলছেন, সুস্বাদু মাছটির স্বাদ আগামী প্রজন্ম হয়তো আর পাবে না। এজন্য নদীর পানি শূন্যতা এবং অবাধে পোনা নিধনকে দায়ী করে তারা জানান, আগে জালে এ মাছ ১০-১৫ কেজি পর্যন্ত ধরা পড়তো। এখন ১ কেজিও পাওয়া যায় না। ।
ওই স্বাদু পানি মৎস্য গবেষণা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শওকত আহম্মেদ জানান, ৫-৬ গ্রাাম ওজনের মাছ সংগ্রহ করে দেখা গেছে তাদের গ্রোথ পারফর্মেন্স খুবই ভাল।
উপকেন্দ্রের প্রধান কর্মকর্তা ড. খন্দকার রশীদুল হাসান বলেন, বৈরালী মাছে রয়েছে মানব দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ। মৎস্য চাষীদের মাঝে এর বিস্তার ঘটলে ভবিষ্যতে এ মাছটা হারিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পাবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সাফল্য

১১ মার্চ, ২০২১
৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ