Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ০৬ ভাদ্র ১৪২৬, ১৯ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

ঝিনাইদহে পানিবন্দি হাজারো পরিবার

ভারী বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত

প্রকাশের সময় : ২৩ আগস্ট, ২০১৬, ১২:০০ এএম

ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতা
দিনভর বিরামহীন বর্ষণে গত রোববার ঝিনাইদহের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। জেলার ৬টি উপজেলার কয়েকশ পুকুর, বিল ও বাঁওড় তলিয়ে গেছে। হুমকির মুখে পড়েছে রাস্তাঘাট। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন নিম্নাঞ্চলের হাজারো পরিবার। চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার ভোর ৬টা থেকে গতকাল সোমবার সকাল পর্যন্ত ১৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ঝিনাইদহ শহরের বেশিরভাগ পাড়া-মহল্লায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। শহরে বসবাস করেও অনেকে বাড়ি থেকে বাইরে বেড় হতে পারছেন না। ভুটিয়াগাতি, পবহাটী, উপশহরপাড়া, ব্যাপারীপাড়া, আদর্শপাড়া, হাসপাতালপাড়া, কাঞ্চনপুর, কলাবাগান, গয়াসপুর, কাস্টসাগরা, চাকলাপাড়া, আরাপপুর এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। দিনভর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মানুষ অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। এক অর্থে মানুষ রয়েছেন ঘরবন্দি। সারাদিন মুখ দেখা যায়নি সারাদিন। শহরের বেশিরভাগ মার্কেটের দোকানপাট প্রায় বন্ধ ছিল। ভাসমান মানুষের কষ্টের সীমা নেই। এদিকে পানির কারণে রিকশা, মাহেন্দ্র ও ইজিবাইক চালকরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া দফায় দফায় চলছে লোডশেডিং। বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে শহরের অধিকাংশ স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিলো কম। যারা অফিস-আদালতে গিয়েছেন তাদেও ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডি মতিয়ার রহমান জানান, ঝিনাইদহে প্রবল বর্ষণের কারণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পুকুর, বিল, বাঁওড়, মাঠের ফসল ও কাঁচা ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। হরিণাকুন্ডু ও শৈলকুপার সেচখালগুলো ঝুকিতে পড়েছে। ঝিনাইদহ সদরের আসাননগর গ্রামের কৃষক আমজাদ হোসেন জানান, অতি বর্ষণে মাঠঘাট তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে বেশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট ও বসতবাড়ি। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে সবজি খেতের।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন