Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ০২ মাঘ ১৪২৭, ০২ জামাদিউল সানী ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

প্রশ্ন : বাচ্চা জন্ম গ্রহণের পর তাকে দেখতে এসে আত্মীয়স্বজন বিভিন্ন হাদিয়া ও নগদ অর্থ প্রদান করে থাকে। আমার জানার বিষয় হল সেই টাকা কি বাবা-মা নিজেদের কোন কাজে অথবা হসপিটালের বিল পে করার কাজে ব্যবহার করতে পারবে কিনা?

আতিকা ইসলাম
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ১২ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:১১ পিএম

উত্তর : এটি যারা প্রদান করবেন তাদের ধর্মীয় জ্ঞানের ওপর নির্ভর করে। তারা যদি ধর্মীয় জ্ঞানে শিক্ষিত বা জ্ঞানী লোক হন, তাহলে তারা বাচ্চাকে দেবেন না। বাচ্চা উপলক্ষে তার অভিভাবককে দেবেন, যেন বাচ্চার যে কোনো প্রয়োজনে বা অভিভাবকের প্রয়োজনে তারা ব্যয় করতে পারেন এই নিয়তে। যদি এমনভাবে দেওয়া হয় যে, এটা এই পরিবারকে দেওয়া হলো বা বাচ্চার গার্জিয়ান অথবা তার পিতামাতাকে দেওয়া হলো বাচ্চার স্বার্থে, তখন এটি অন্যান্য জায়গায় যেমন বিল পে বা তার পিতামাতা অন্য কাজেও খরচ করতে পারবেন। আর যদি কেউ নির্দিষ্টভাবে বাচ্চাকেই দিয়ে থাকে, তাহলে এই টাকা বাচ্চার অভিভাবক হিসাবে তার বাবা মা অন্য কেউ খরচ করতে পারবেন না। বাচ্চা প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর এই টাকা বাচ্চা তার ইচ্ছায় কোথাও ব্যয় করবে। এর আগ পর্যন্ত পিতামাতাকে সেই টাকা সংরক্ষণ করতে হবে। অতএব, কোনো শিশুকে কোনো কিছু দেওয়ার ক্ষেত্রে যারা দীনি জ্ঞান রাখেন, তারা এভাবেই দেন যে, এটি তাকেই দিলাম। কিন্তু মনে মনে নিয়ত করেন যে, পিতামাতাকে দিলাম। যাতে এই টাকা খরচ করার অধিকার উনাদের থাকে। এটি শুধু গিফটদাতাদের ক্ষেত্রে নয়, পিতামতারও উচিত বাচ্চাকে কোনোকিছু দিলে ব্যবহার করার জন্য দেওয়া, মালিকানা নিজের কাছে রাখা। তাহলে এটি দানও করতে পারবে, বিক্রি করতে পারবে, অন্য কাজে ব্যবহার করতে পারবে অথবা আবার ছোট বাচ্চাকে এটি দিতে পারবে। আর যদি বাচ্চাকে এটি দিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে এটি বাচ্চা ছাড়া আর কেউ কিছুই করতে পারবে না। বাচ্চা সাবালক হওয়ার আগে, তার কাছ থেকে বলেও কেউ এর মালিকানা হস্তান্তর করতে পারবে না। কাজেই এভাবে না দিয়ে, মালিকানা নিজের কাছে রেখে জিনিষটি বাচ্চাকে দেওয়া উচিত।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • মোঃ মোশাররফ হোসেন ১৪ জানুয়ারি, ২০২১, ৩:০৭ পিএম says : 0
    আমার ছেলের নাম মুহাম্মদ, ইংরেজী= MOHAMMAD, বয়স প্রায় ৩ বছর। আমি ছেলের নাম শুধুমাত্র ‘মুহাম্মদ‘ রাখতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে শরীয়ত এর আলোকে কোন সমস্যা আছে কিনা। নামের বানান বাংলা এবং ইংরেজীতে সঠিক আছে কিনা। কারণ ‘মুহাম্মদ‘ নামের বানান বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে লিখে। যেমনঃ বাংলায়ঃ মুহাম্মদ / মুহাম্মাদ / মোহাম্মদ / মোহাম্মাদ, ইংরেজীঃ MOHAMMAD / MUHAMMAD ইত্যাদি। ‘মুহাম্মদ‘ নামের বানান আসলে কোনটি সঠিক বাংলায় ও ইংরেজীতে এবং শুধুমাত্র ‘মুহাম্মদ‘ নাম রাখা যায় কিনা দয়া করে তা জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রশ্ন

১৫ জানুয়ারি, ২০২১
১ জানুয়ারি, ২০২১
২৫ ডিসেম্বর, ২০২০
১৮ ডিসেম্বর, ২০২০
১১ ডিসেম্বর, ২০২০
৪ ডিসেম্বর, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন

আমি একটা মসজীদে থাকি। সেখানে মক্তবের ছেলেমেয়েদেরকে পড়ানোর জন্য আমি একটা ব্ল্যাকবোর্ড কিনতে চেয়েছিলাম। সেজন্য ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে সামান্য কিছু টাকা চাঁদা তুলি এবং বাকি টাকা আমার থেকে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করি। কিন্তু পরবর্তীতে আমি ওই টাকাটা খরচ করে ফেলি। এবং এখন আর ব্ল্যাকবোর্ড কিনার প্রয়োজনও নাই। এটা আরো ৪-৫ বছর আগের কথা। আমি যাদের কাছ থেকে টাকাগুলো তুলেছিলাম তারা এখন আর মসজীদে পড়ে না। এবং আমার সঠিকভাবে মনেও নাই কার কার কাছ থেকে টাকাগুলো তুলেছিলাম। এখন আমি সেই টাকাটা কী করবো?

উত্তর : আপনার এটি একটি সমস্যা। কারণ যে জন্য টাকা তুলেছিলেন, সেটি না হওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে টাকা ফেরত দেওয়া উচিত ছিল। এখন যদি আপনি

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ