Inqilab Logo

ঢাকা শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ০২ মাঘ ১৪২৭, ০২ জামাদিউল সানী ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

মাদরাসা শিক্ষাবিরোধী ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবো না

বিবৃতিতে জমিয়াত সভাপতি ও মহাসচিব

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৪ জানুয়ারি, ২০২১, ১২:০২ এএম

মাদরাসা শিক্ষা একটি বিশেষায়িত শিক্ষা। এটি কেবল আরবী ফার্সি কিংবা বাংলা ভাষা শিক্ষা নয়। মাদরাসা ছাত্ররা পরিপূর্ণ ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি বাড়তি ২০০ নম্বরের পেপারসহ সাধারণ শিক্ষার সবকিছু পড়ালেখা করে। তারা বিসিএসে নিজ যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্ষেত্রে সরকারী চাকরি পায়। তবে সাধারণ শিক্ষিত ব্যক্তি আলেম ও ইসলামী স্কলার না হয়ে মাদরাসার বিশেষ পদগুলোতে কোন দিনই সফলভাবে সেবা দিতে পারে না। এ জন্য মাদরাসার লাইব্রেরিয়ান পদে কেবল সাধারণ শিক্ষিত কিংবা ব্যবহারিক ভাষা জ্ঞানসম্পন্ন কর্মী নিয়োগ কিছুতেই যুক্তিযুক্ত নয়। কারণ ইসলামী শরীয়া, কুরআনিক সায়েন্স, ফেকাহ ইত্যাদি বিষয়ভিত্তিক পারদর্শী লোক ছাড়া মাদরাসার লাইব্রেরিয়ান হতে পারে না। যে সিদ্ধান্ত এখন বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে। একশ্রেণির ইসলামবিদ্বেষী লোক এই বাজে সিদ্ধান্ত তরান্বিত করার জন্য নানাভাবে বক্তৃতা দিয়ে, মিডিয়ায় কথা বলে এবং পত্রিকায় কলাম লিখে এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে উৎসাহ যোগাচ্ছে। এ বিষয়ে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। আলেম ওলামা পীর মাশায়েখগণ এসব বরদাশত করবে না। মাদরাসা শিক্ষার স্বার্থ দেখার একক পেশাদারি সংগঠন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন এ বিষয়ে সজাগ রয়েছে। গতকাল এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি আলহাজ এ এম এম বাহাউদ্দীন ও মহাসচিব মাওলানা শাব্বির আহমদ মোমতাজী এসব কথা বলেন।

গত ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ৫ দফা দাবি উত্থাপন করেন। এরমধ্যে দুটি দাবি উদ্ভট, অযৌক্তিক ও অবান্তর বলে মন্তব্য করেছে মাদরাসা শিক্ষক কর্মচারীদের পেশাজীবী অরাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন। বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি আলহাজ এ এম এম বাহাউদ্দীন ও মহাসচিব মাওলানা শাব্বির আহমদ মোমতাজী বিবৃতিতে আরো বলেন, এদেশের মাদরাসাসমূহ আলেম ওলামা, পীর মাশায়েখ, বুজুর্গানে দীন, ইসলামী গবেষক ও চিন্তাবিদদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। তাদের উদ্দেশ্য একটিই- প্রকৃত নায়েবে রাসূল, শরীয়া বিশারদ, ইসলামবিষয়ক বিজ্ঞানী ও ইসলামের সেবক তৈরি করা। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত মাদরাসার প্রশাসনিক জিম্মাদার তথা অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার, সহসুপার, প্রধান শিক্ষক ইত্যাদি মাদরাসা শিক্ষিত আলেমরাই হয়ে আসছেন। এমনকি ১৭৮০ সালে মাদরাসা প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ ২৪০ বছর যাবতই মাদরাসা পরিচালনা ও প্রশাসন ওলামায়ে কেরামের হাতে রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক সাধারণ শিক্ষিতদের মাদরাসার দায়িত্বে নিয়োগের দাবি উঠেছে। যা নিঃসন্দেহে মাদরাসা ধ্বংসের একটি হীন চক্রান্ত ছাড়া আর কিছু নয়। ভারতে যেমন অনেক জায়গায় সরাসরি মাদরাসা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, বাংলাদেশে সরাসরি বন্ধ না করে ভেতর থেকে মাদরাসাকে অন্তঃসারশূন্য করে দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। অথচ এদেশে সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব সাধারণ শিক্ষিতরা যেভাবে পালন করছেন, ঠিক এভাবেই মাদরাসা শিক্ষার প্রশাসনিক দায়িত্ব মাদরাসা শিক্ষিতদের হাতেই থাকা সমীচীন। নেতৃদ্বয় বলেন, সাধারণ শিক্ষিতরা মূলত সাধারণ চাকরি নেওয়ার জন্য লেখাপড়া করেছিলেন। দেশে কর্ম সংস্থান না থাকায় কিংবা তারা কোন উপযুক্ত স্থানে নিযুক্ত হতে না পারায় মাদরাসায় চাকরি নিয়েছেন। এতে তাদের ইসলামী শিক্ষার সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য আল্লাহ তায়ালার কাছে কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। মাদরাসা ব্যবস্থার প্রতি শুকরিয়া জানানো উচিত। কোনক্রমেই তাদের উচিত হবে না, মাদরাসা শিক্ষার হর্তাকর্তা হওয়ার চেষ্টা করা। কেননা তারা একমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত। অথচ মাদরাসা শিক্ষিতরা বিশেষায়িত ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষিত নাগরিকদের সমপরিমাণ বরং আরো বেশি লেখাপড়া করে সাধারণ শিক্ষার সনদও লাভ করেছেন। বর্তমানে তারা বিশেষ লেখাপড়ার পাশাপাশি মাদরাসার প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে আরো বেশি সক্ষম।

জমিয়াত নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক উত্থাপিত দাবিসমূহের একটি হচ্ছে, মাদরাসার গ্রন্থাগারিক ও সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে জেনারেল শিক্ষিতদের আবেদনের সুযোগ দান। এটি একটি অযৌক্তিক অবান্তর দাবি। কেননা মাদরাসায় কুরআন হাদীস, উসূল ফেকাহ, বালাগাত, মানতেক, ফারায়েজ, উসুলে তাফসির, উসুলে তাফসির বিভাগের উচ্চতর গবেষণামূলক রেফারেন্স গ্রন্থাদি আরবী ফার্সী ভাষায় রচিত। তাছাড়া আরবী সাহিত্য ও ব্যাকরণ বিভাগের উচ্চতর গবেষণা গ্রন্থসমূহ আরবী ভাষায় রচিত। এসব কিতাব সজ্জিতকরণ, বিন্যাস, অনুসন্ধান, সরবরাহকরণ ইত্যাদিতে বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানী গ্রন্থাগারিক প্রয়োজন। সাধারণ শিক্ষিত লোকের পক্ষে একাজটি সম্পাদন করা মোটেও সম্ভব নয়। কেবল ব্যবহারিক আরবী জানা ব্যক্তির পক্ষেও এ পদ শোভা পায় না। তার জন্য মাদরাসা শিক্ষিত হওয়া আবশ্যিক। বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক এ দাবি একটি বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অংশ বিশেষ। দেশের মাদরাসা শিক্ষার সাথে জড়িত আলেম ওলামা, পীর মাশায়েখ, ইসলামী বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও ধর্মপ্রাণ মানুষ এ ধরনের সিদ্ধান্ত কিছুতেই মেনে নেবে না। আমরা মনে করি, সরকারের সাথে আলেম ওলামা, পীর মাশায়েখ ও তাদের কোটি কোটি ভক্ত অনুসারীর সাথে সরকারের দূরত্ব তৈরির জন্যই একটি মহল এসব অবান্তর চেষ্টা করছে। আমরা সকলের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও সচিব মহোদয়সহ শিক্ষা পরিবারের সকল স্তরের দায়িত্বশীলগণের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করছি যে, মাদরাসা শিক্ষার বাস্তবতা উপলব্ধি করে তারা পরবর্তী সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।



 

Show all comments
  • কামাল রাহী ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:২১ পিএম says : 0
    মাদরাসা শিক্ষাবিরোধী ষড়যন্ত্র যারা করবে তারা ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • তাজউদ্দীন আহমদ ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:২২ পিএম says : 0
    বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি আলহাজ এ এম এম বাহাউদ্দীন ও মহাসচিব মাওলানা শাব্বির আহমদ মোমতাজী সাহেবকে অসংখ্য ধন্যবাদ
    Total Reply(0) Reply
  • কে এম আরিফুল ইসলাম ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:২৪ পিএম says : 0
    আপনারা আপনাদের প্রচেষ্টা অব্যহত রাখুন। এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আপনাদের পাশে আছে
    Total Reply(0) Reply
  • পারভেজ ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:২৪ পিএম says : 0
    ওদের ষড়যন্ত্র এদেশের মুসলমানরা কখনও সফল হতে দেবে না।
    Total Reply(0) Reply
  • রায়হান ইসলাম ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:২৬ পিএম says : 0
    এ বিষয়ে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের।
    Total Reply(0) Reply
  • আবদুর রহমান ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:২৭ পিএম says : 0
    ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশ্যে বলবো, মনে রাখবেন, এদেশ মুসলমানদের, এখানে ইসলামবিরোধী কিছু সহ্য করা হবে না
    Total Reply(0) Reply
  • মাজহারুল ইসলাম ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:২৮ পিএম says : 0
    ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের স্বার্থেই জমিয়তের দাবি যুক্তিযুক্ত।
    Total Reply(0) Reply
  • রায়হান ইসলাম ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:২৯ পিএম says : 0
    দ্বীনি শিক্ষা ও ইসলামের অতন্দ্র প্রহরী বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন
    Total Reply(0) Reply
  • সাইফুল ইসলাম ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:৩০ পিএম says : 0
    আমরা সকলের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও সচিব মহোদয়সহ শিক্ষা পরিবারের সকল স্তরের দায়িত্বশীলগণের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করছি যে, মাদরাসা শিক্ষার বাস্তবতা উপলব্ধি করে তারা পরবর্তী সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
    Total Reply(0) Reply
  • নুরজাহান ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:৩৩ পিএম says : 0
    বাংলাদেশের মাদরাসা শিক্ষকদের অরাজনৈতিক একক ঐতিহ্যবাহী সংগঠন জমিয়াতুল মোদার্রেছীন মাদরাসা তথা ইসলামী শিক্ষা এবং দ্বীনের ওপর যে কোনো প্রকারের আঘাত এলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিরোধ-প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ওঠে এবং বর্তমান জমিয়াত সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক তাঁর এ পত্রিকাকে দ্বীন-ইসলামের মর্যাদা রক্ষায় প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে নিয়োজিত রাখেন। জমিয়াত ও ইনকিলাবের এ সুদূরপ্রসারী ভূমিকা সর্বদাই ইসলামপ্রিয় জনতার প্রশংসা লাভ করে আসছে।
    Total Reply(0) Reply
  • habib ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:৩৭ পিএম says : 0
    Mone hoye sorkar ekhon islamer bipokkhe kaz korte se....
    Total Reply(0) Reply
  • জাবেদ ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৮:২৭ পিএম says : 0
    মাদরাসার লাইব্রেরিয়ান পদে কেবল সাধারণ শিক্ষিত কিংবা ব্যবহারিক ভাষা জ্ঞানসম্পন্ন কর্মী নিয়োগ কিছুতেই যুক্তিযুক্ত নয়।
    Total Reply(0) Reply
  • রকিবুল ইসলাম ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৮:৫২ পিএম says : 0
    এবিষয়ে আমাদের আলেম উলামা মাশায়েখদের সূচ্চার হ‌ওয়া উচিত। বর্তমান আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা যে নাজেহাল অবস্থা, তাতে আর এক দশক বা দুই দশক পর যে কোন অবস্থায় নিয়ে যাবে তার কোনো সন্দেহ নেই। তাই এদেশের ইসলামী সংগঠন জ্ঞানী বিশেষজ্ঞ ইসলামী চিন্তাবিদ তাদের প্রত্যেকের উচিত সরকারকে এব্যাপারে বোঝানো।ন‌ই তো ইসলাম বিদ্বেষীরা ইসলামকে ধ্বংসের পাঁয়তারা করবে।
    Total Reply(0) Reply
  • ডালিম ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৯:৪৭ পিএম says : 1
    বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক উত্থাপিত দাবিসমূহের একটি হচ্ছে, মাদরাসার গ্রন্থাগারিক ও সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে জেনারেল শিক্ষিতদের আবেদনের সুযোগ দান। এটি একটি অযৌক্তিক অবান্তর দাবি।
    Total Reply(0) Reply
  • Principle Rafiqul islam, bokshigonj ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:০৫ পিএম says : 1
    মাদ্রাসা শিক্ষার ঐতিহ্য নষ্ট করার এক গভীর ষড়যন্ত্র। বাংলাদেশ জমিয়েতুল মোদার্রেছীনের নেতৃত্বে এসব ষড়যন্ত্র অবশ্যই রুখতে হবে
    Total Reply(0) Reply
  • ফখরুল ইসলাম ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:০৭ পিএম says : 0
    মাদ্রাসা বিদ্বেষীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ফরজ। শেখ হাসিনার সোনার বাংলায় যড়যন্ত্রকারীদের ঠাঁই নাই। যারা উস্কানি দিচ্ছে তারা সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে। সরকার যা করেছে তা জেনে শুনে বুজেই করেছে। মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নতি সহ্য হচ্ছে না ইসলাম বিদ্বেষীদের।
    Total Reply(0) Reply
  • Mamun ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:৩৪ পিএম says : 1
    সাধারণ শিক্ষিত লোকগুলো শুধু শুধু স্বরযন্ত্র করছে। মাদ্রাসা ও ধর্মকে ধ্বংস করার জন্য।
    Total Reply(0) Reply
  • আনোয়ার ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ১১:০৯ পিএম says : 0
    ২০১০ এর নীতিমালা বহাল চাই
    Total Reply(0) Reply
  • ইকবাল শেখ ১৪ জানুয়ারি, ২০২১, ৩:৪৯ এএম says : 0
    এই দেশে আর মাদরাসা শিক্ষাবিরোধী ষড়যন্ত্র করতে দেয়া হবে না
    Total Reply(0) Reply
  • Mdmostafa Kamal ১৪ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:২৯ এএম says : 0
    Right poryjon holo jibon dibo.
    Total Reply(0) Reply
  • মোঃ আউয়াল ফরাজী ১৪ জানুয়ারি, ২০২১, ৬:০৪ এএম says : 0
    2010 2013 এমপিও নীতিমালা বলার ছিল নিয়োগের ক্ষেত্রে সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদে শিক্ষাগত যোগ্যতায় সমমান ছিল পরবর্তীতে 2018 সালের এমপিও নীতিমালা সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা ফাজিল পাস দিয়েছে কিন্তু সাধারণ ডিগ্রিধারীদের কে আবেদনের সুযোগ রাখা হয়নি তাহলে তাদেরকে কেন বৈষম্য করা হয় আরেকটি প্রশ্ন হচ্ছে যারা আলিম পাশ করেছে তাতো আরবি সম্বন্ধে পারদর্শী তাদেরকে কেন বঞ্চিত করা হলো আমি সরকারের কাছে গণতন্ত্রের মা শেখ হাসিনা সকল শিক্ষা মন্ত্রী দীপুমনির মহোদয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার নওফেল মহোদয়ের নিকট জোর আকুল আবেদন জানাচ্ছি সকল শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি কাজী বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়তে হলে অবশ্যই শিক্ষাগত যোগ্যতায় বৈষম্য বিহীন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা করতে হবে তাহলেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে আমি মনে করি ধন্যবাদ সবাইকে।
    Total Reply(0) Reply
  • Mdmostafa Kamal ১৪ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:৫৫ এএম says : 0
    ইনশাআল্লাহ, বাংলার মাটিতে কখনও সফল হবে না।
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Shah Alam ১৪ জানুয়ারি, ২০২১, ১:২৩ পিএম says : 0
    আপনার কথা একদম ঠিক। কিন্তু সহ সুপার আলিম মাদ্রাসায় প্রিন্সিপাল হবে আর প্রভাষক হতে পারবেনা, এইগুলো কি মাদ্রাসা শিক্ষার মানোন্নয়নে বাধা নয়?
    Total Reply(0) Reply
  • maruf hasan khan ১৪ জানুয়ারি, ২০২১, ১২:৪৮ পিএম says : 0
    sir...... স্যার ফাজিল মাদ্রাসার গ্রন্থগারিকের যোগ্যতা আরবি বিষয়ে মাস্টার্স ছিল 2018 নিতিমালায়,,,সর্বশেষ নিতিমালায় সেটা যে বাদ দেয়া হল এর কারন কি????
    Total Reply(0) Reply
  • Mubarak ১৪ জানুয়ারি, ২০২১, ১২:৫৪ পিএম says : 0
    Right
    Total Reply(0) Reply
  • আব্দুল্লাহ ১৪ জানুয়ারি, ২০২১, ৫:০২ পিএম says : 0
    জমিয়াতুল মোদারেসিনকে উদার মানসিকতার পরিচয় দেয়া উচিত। শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নে আরও কতকাল পশ্চাৎপদ থাকবেন ?
    Total Reply(0) Reply
  • মোঃ আব্দুস সালাম ১৪ জানুয়ারি, ২০২১, ৬:৫১ পিএম says : 0
    মাদরাসা বাচাতে চাইলে ইবতেদায়ীতে উপবৃত্তির ব্যাবস্থা করুন।
    Total Reply(0) Reply
  • মাহমুদ ১৪ জানুয়ারি, ২০২১, ৬:৫৮ পিএম says : 0
    একদম ঠিক কথা। এই ধরনের কাজ কখনোই মেনে নেয়া হবে না। বাংলাদেশ জমিয়াতুল মুদাররিসিন এর প্রতি আবেদন থাকবে, এ ব্যাপারে যেন কোন প্রকার নতজানু না হয়।
    Total Reply(0) Reply
  • সভাপতি ও মহাসচিব মহোদয়, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন প্রধান কার্যালন মহাখালী,গুলশান,ঢাকা-১২১২ আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। বর্তমানে ইসলামি শিক্ষার সাথে বাস্তব শিক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে আজ মাদরাসার শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যাক্তিরা প্রশাসন পরিচালনার ক্ষেত্রে ইতিহাস অতীত থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ইতিহাসকে দিবালকের সূর্যের ন্যায় যা বহমান হয়ে চলছে এবং তৎপ্রেক্ষিতে মাদরাসাগুলোর সুপার, প্রিন্সিপাল এর দায়িত্ব পালন করে থাকেন। কিন্তু সাধারন শিক্ষায় শিক্ষিত শিক্ষকগণ উক্ত পদেরও স্বপ্ন দেখেন অথচ মাদরাসায় শিক্ষায় শিক্ষিত শিক্ষকগণকে হাই স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ কিংবা প্রধান শিক্ষক নিযুক্ত করার প্রস্তাবনা তারা পেশ করেনা। বরং মাদরাসার শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যাক্তিরা প্রশাসন থেকে শুরু করে যে যে স্থলে কর্মকান্ডে নিয়োজিত আছে তারা প্রশাসন পরিচালনা করে অর্জন করে আসছে সুনাম ও খ্যাতি, সততা সহ সেই কর্মস্থলে অধিকাংশ জায়গায় ইতিহাসের স্বর্ণাক্ষরে তাদের নাম বহমান ছিল আছে থাকবে। কিন্তু হঠাৎ করে কিছু মাদরাসার সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত শিক্ষক ভুঁইফোর সংগঠনের নামের পরিচয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে কিছু অযৌক্তিক দাবি পেশ করেছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে ও শেরপুর জেলার জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের পক্ষ থেকে চরমভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কেননা এরা পবিত্র ওহীর জ্ঞানের শিক্ষায় বঞ্চিত থাকায় এবং মাদরাসা শিক্ষার ওহীর জ্ঞানে অংশগ্রহণ না করায় কোরআন হাদিসের ভাষ্যমতে এরা অর্ধমূর্খ। তাই আমি দাবি করছি মাদরাসায় কোনো শিক্ষক সাধারন শিক্ষায় শিক্ষিত হলে কোরআন হাদিস প্রাথমিকভাবে দেখে দেখে পড়ার জ্ঞান থাকতে হবে এবং সুন্নাতে নববীর অনুসরণ ও অনুকরণের বাস্তব গুনাবলী থাকতে হবে। মর্মে,চাকরিতে শর্ত আরোপ উল্লেখ থাকা দরকার। গ্রন্থাগারিক নিয়োগে ফাজিল ও কামিল পাশ বিধির বিরোধিতা করছে এরা। মূর্খরা জানেনা মাদরাসায় কোরআন হাদিস ও উসুলেফেকাসহ অধিকাংশ কিতাবাদী আরবী,ফারসি ও উর্দুতে লিখা। শুধু সাধারন শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যাক্তি কিতাবের নামের প্রথম অক্ষরও শুদ্ধভাবে উচ্চারণ করতে পারেনা। তাদেরকে ঢুকানোর জন্য এরা দাবি করে বেড়াচ্ছে। এতে ২৮০ বছরের মাদরাসার ব্যাবস্থাপনার স্বকীয়তাকে ধ্বংস করে দেয়ার এক গভীর ষড়যন্ত্রের পায়তারা করে যাচ্ছে। এদেরকে জাতীয়ভাবে ও প্রশাসনিকভাবে রুখে দিতে হবে। মর্মে, কেন্দ্রীয়ভাবে কর্মসূচি দেয়ার জন্য দাবি করছি। এ বিষয়ে উপজেলা, জেলা ও জাতীয়ভাবে প্রতিবাদসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর মাধ্যমে কোঠরভাবে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য সহানুভূতির সাথে স্ব-হৃদয় বিবেচনাপূর্বক সবিনয়ে নিবেদন করছি। নচেৎ বর্তমান সরকারের ইসলামি শিক্ষার সম্প্রসারণের অগ্রনী ভূমিকার সুনাম ক্ষুন্য করবে এরা এবং এদেশের হক্কানি উলামা একরাম, পীর মাশায়েখগন বিদেয়ী আত্মার অভিশাপ হতে আমাদের নাজাত পাওয়ার কোনো উপায় থাকবেনা এবং মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনার স্বকীয়তা ভবিষ্যতে ধরে রাখা সম্ভব হবেনা।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: জমিয়াতুল মোদার্রেছীন


আরও
আরও পড়ুন