Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ০৯ ভাদ্র ১৪২৬, ২২ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

কোরবানিকে ঘিরে জমজমাট ওয়ালটন ফ্রিজ বিকিকিনি

প্রকাশের সময় : ২৭ আগস্ট, ২০১৬, ১২:০০ এএম

কর্পোরেট রিপোর্টার : আসন্ন কোরবানির ঈদকে ঘিরে জমজমাট হয়ে উঠেছে ওয়ালটন ফ্রিজ বিকিকিনি। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ওয়ালটন প্লাজা ও শোরুমগুলোতে যেন ওয়ালটন ফ্রিজ বিক্রয় উৎসব চলছে। বিশেষ করে কোরবানির গোশত সংরক্ষণের জন্য ডিপ ফ্রিজ বিক্রি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। ওয়ালটন প্লাজা ও শোরুমের বিক্রয়কর্মীরা জানান, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ওয়ালটন ফ্রিজ বিক্রয় তত বাড়ছে। এর মধ্যে ডিপ ফ্রিজের বিক্রিই বেশি। স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ-তিনগুণ চাহিদা ও বিক্রি হচ্ছে। ঈদ সামনে রেখে ওয়ালটন ফ্রিজ ও ডিপ ফ্রিজ মজুদ রেখেছে এবং উৎপাদন বাড়িয়েছে কর্তৃপক্ষ। সারাদেশ থেকে প্রচুর চাহিদাপত্র আসায় কর্তৃপক্ষ এ উদ্যোগ নিয়েছে। গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন ফ্যাক্টরিতে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজের সমন্বয়ে উৎপাদন করা হচ্ছে বিশ্বমানের বিভিন্ন আকারের ও রংয়ের ফ্রিজ ও ডিপ ফ্রিজ। বছরের শুরু থেকেই গ্রাহকদের চাহিদা, রুচি এবং ক্রয় ক্ষমতা মাথায় রেখে প্রতিষ্ঠানটি ফ্রিজ বাজারজাত করছে। ওয়ালটন সূত্র জানায়, গত বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই মাসের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে ৫০ শতাংশেরও বেশি ফ্রিজ বিক্রি হয়েছে ওয়ালটনের। তবে আগস্টে এসে তা অনেকগুণ বেড়েছে। কারণ এই মাস কোরবানির ঈদ মৌসুমের মাস। তাই ডিপ ফ্রিজের প্রবৃদ্ধি অনেক হচ্ছে। ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ জানায়, ওয়ালটন একটা কমটিমেন্ট নিয়ে বাজারে এসেছে। তা হল- দেশের মানুষের হাতের নাগালে সাশ্রয়ী দামে আন্তর্জাতিকমানের পণ্য পৌঁছে দেয়া। শুধু ব্যবসা নয়; মানসম্মত পণ্য, লেটেস্ট টেকনোলজি ব্যবহার ও সাশ্রয়ী দামে ঘরে ঘরে পণ্য পৌঁছে দেয়া। আস্থা সৃষ্টি করা যে, বাংলাদেশও পারে। ওয়ালটন ইতোমধ্যে সেই আস্থা অর্জন করতে পেরেছে। দেশ জয় করে ওয়ালটন ফ্রিজ বিভিন্ন দেশেও রপ্তানি হচ্ছে। চলতি বছর ওয়ালটনের টার্গেট বাংলাদেশের বাজারে ১৫ লাখ ফ্রিজ বিক্রির। বছরের প্রথম ছয় মাসে বিক্রি হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ফ্রিজ। ওয়ালটন ফ্যাক্টরীতে প্রতিদিন উৎপাদন হচ্ছে ৬ থেকে ৭ হাজার ফ্রিজ। ওয়ালটন ফ্রিজের ক¤েপ্রসারে যুক্ত হয়েছে ‘ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার’। এতে ক্রেতারা ব্যাপক সন্তুষ্ট। ন্যানো পার্টিকেল এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে ওয়ালটন দেশেই তৈরি করছে বিশ্বমানের ফ্রিজ। ওয়ালটন সূত্রমতে, গত রোজার মাসে প্রায় ২ লাখ ফ্রিজ বিক্রি করেছে ওয়ালটন। কোরবানির ঈদে এর দ্বিগুণেরও বেশি ফ্রিজ বিক্রির আশা করছে কর্তৃপক্ষ। সূত্র মতে, চলতি বছরের শুরু থেকেই ফ্রিজ বিক্রি তুলনামূলক বেশি হচ্ছে। প্রতিমাসেই নতুন নতুন প্রযুক্তি ও মডেলের আকর্ষণীয় কালারের ফ্রিজ বাজারে ছাড়া হচ্ছে। সম্ভাবনাময় পয়েন্টগুলোতে চালু হচ্ছে ওয়ালটন প্লাজা। নতুন পরিবেশক নিয়োগের মাধ্যমে বাড়ানো হচ্ছে সেলস পয়েন্ট। নিজস্ব কারখানায় উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় দামও ক্রমান্বয়ে কমে আসছে। ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে রপ্তানি ও দেশের বাজারের জন্য আলাদা উৎপাদন ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে। চলতি বছর ও ঈদ ঘিরে ইনভার্টার প্রযুক্তির উচ্চমানের বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় মডেলের নো-ফ্রস্ট ফ্রিজ বাজারে ছেড়েছে ওয়ালটন। এগুলো হচ্ছে ৩২৩, ৩৪৮, ৩৮৬, ৩৯৬, ৪৩০, ৫১২, ৫২৬ ও ৫৮৫ লিটার ধারণক্ষমতার ফ্রিজ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন