Inqilab Logo

শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৭ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

রাজধানীতে অসহ্য মশা যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে

সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১, ১২:০০ এএম

রাজধানীতে মশা যে অসহ্য যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
গতকাল রোববার সচিবালয়ে ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে দুই সিটি করপোরেশনের কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা সভার শুরুতে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে আপনারা মশা নিয়ে কিছু কিছু কথাবার্তা বলছেন। আমি যদিও এটা মনে করি অতীতের যে কোনো বছরের তুলনায় এখনও কিউলেক্স মশার পরিমাণ কম। কিন্তু তাও (মশা) মানুষের কাছে অসহ্য ও যন্ত্রণার কারণ হিসেবে এটা আজকে দাঁড়িয়েছে- এটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, এইডিস মশা হয় ঘর-বাড়িতে। বাড়ির মালিকসহ সবাই এ মশা মারতে যোগ দিয়েছে। গত সেপ্টেম্বর থেকে কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করেছিলাম বলে আমরা সেখানে একটা সন্তোষজনক জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছি। (কিন্তু) কিউলেক্স মশা হয় ঝোপ-জঙ্গল, আর্বজনা এবং ময়লা পানিতে। সেজন্য কচুরিপানাসহ ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করতে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিদেশ থেকে মেশিন কেনা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ১৯৮৭ সালে ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা ও খালগুলো ওয়াসার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। জনমানুষের মধ্যে একটা ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, এটা জনপ্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠানের কাছে থাকলে ভালো হবে। সেজন্য খালগুলোর দায়িত্ব ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তরের প্রসঙ্গ তুলে ধরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আমরা স্টর্ম ওয়াটার ও খালগুলো নিয়ে আজকে বসেছি। শুধুমাত্র বৃষ্টির পানি যাওয়ার জন্য, খালগুলোকে পরিষ্কার করার জন্য সিটি করপোরেশনের কাছে এটা হস্তান্তর করা হয়নি, তারাও এজন্য এটা নেয়নি। উদ্দেশ্যটা হল- যেসব খালের জায়গা অবৈধভাবে দখল হয়েছে তা দখলমুক্ত করা। দখলমুক্ত করে খালগুলোকে সংস্কার করা। ঢাকার ৩৯টি খাল সংস্কারের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতেই এ সভা ডাকা হয়েছে। মন্ত্রী জানান, ঢাকা শহর শুধু লিভেবল সিটি হবে না, এটা এনজয়েবল সিটি হবে। ঢাকা শহরকে উদাহরণ দেওয়া শহরগুলোর মাত্রায় নিয়ে যেতে আমাদের কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের ৩৯টি খাল আছে। এই ৩৯টি খাল দুই মেয়রের অধীনস্ত এলাকায় রয়েছে। খালগুলো সংস্কারে কর্মপরিকল্পনা করতে আজকে সভা ডাকা হয়েছে। দুই মেয়র বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। তা বাস্তবায়নে দুই মেয়র খুবই আন্তরিক। আমরা মন্ত্রণালয় থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করব। প্রতিটি সংস্থা যার যার কাজ করবে। আমরা সমন্বয় করে কাজ করব। সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. সাঈদ নূর আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ