Inqilab Logo

ঢাকা শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ২০ ফাল্গুন ১৪২৭, ২০ রজব ১৪৪২ হিজরী

বিদেশ গমনেচ্ছুদের নাভিশ্বাস

গতি বাড়েনি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রবাসীরা

শামসুল ইসলাম | প্রকাশের সময় : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১, ১২:০২ এএম

বৈশ্বিক করোনা মহামারিতে গোটা বিশ্ব যখন লন্ডভন্ড। তখন বিদেশে কর্মরত প্রায় এক কোটি প্রবাসী কর্মীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আয় সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশে অর্থনীতির খাত। বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীবন্দব বলে খ্যাত প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। আধুনিক যুগেও ব্যাংকিং কার্যক্রমে ডিজিটেলের ছোয়া লাগেনি ব্যাংকটিতে। দীর্ঘ ১১ বছর যাবত ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের ঋণ পেতে নাভিশ্বাস উঠছে।

প্রবাসী কর্মীদের সহযোগিতার এবং বিদেশ যাত্রাকালে বিনা জামানতে স্বল্প সময়ে সহজে ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে ২০১১ সালে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে সারাদেশে ৭১টি শাখা চালু হলেও জনবলের সঙ্কটের দরুণ ব্যাংকটি গতি পাচ্ছে না। সারাদেশে ৪৯০টি পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে ৫ হাজার ৮২৯ জন জনবল রয়েছে। এ ব্যাংকটির ব্যবসায়িক ক্ষেত্র রয়েছে ১৬ কোটি জনগণ। ২৫৫টি কর্মসংস্থান ব্যাংকে ১ হাজার ৪৫০ জন জনবল রয়েছে। ব্যবসায়িক ক্ষেত্র ১৬ কোটি জনগণ। আর ৭১টি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ৩৭২ জন জনবল রয়েছে মাত্র। এর মধ্যে ১০১ জন অস্থায়ী কর্মচারি। এ ব্যাংকটির ঋণ বিতরণ ক্ষেত্র হচ্ছে ১ কোটি জনগণ।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক সূত্র জানায়, চলতি অর্থ বছরে গত ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ২ হাজার ২১৭ জন ঋণ গ্রহীতাকে ৪২ কোটি ৫১ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ৪৪ হাজার ৯৯৩ জন ঋণ গ্রহীতাকে ৫শ’ ৫৮ কোটি ১ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এসব ঋণ গ্রহীতার মধ্যে ৮৯% নিয়মিত ঋণের কিস্তি পরিশোধ করছে আর বাকি ১১% ঋণ খেলাপি।

অদূরদর্শিতার দরুণ সারাদেশে প্রতিষ্ঠিত ৭১টি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে একটি সফটওয়ার স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীরা অনলাইন সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে জনশক্তি রফতানি কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের সেবা পেতে বিদেশ গমনেচ্ছু এবং প্রত্যাগত কর্মীরা পদে পদে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বাড়ছে না প্রত্যাগত কর্মীদের পুর্নবাস ঋণের গতি। অহেতুক হয়রানির দরুণ স্বল্প সুদে বিনা জামানতে ঋণ নিতেও অনেক প্রবাসী নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। একজন বিদেশ গমনেচ্ছু ও প্রত্যাগত কর্মী ঋণে পেতে আগে ঢাকার আঞ্চলিক অফিসের অনুমোদন লাগতো। অতিসম্প্রতি এ ক্ষমতা বিকেন্দ্রীয়করণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালে প্রবাসী কর্মীদের সুবিধার্থে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ম্যানুয়াল পদ্ধতি চালু থাকায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বিদেশ প্রত্যাগতদের জন্য আড়াইশ’ কোটি টাকার পুর্নবাস ঋণ বিতরণে গতি বাড়ছে না। করোনা মহামারিতে চাকুরি হারিয়ে গত ১ এপ্রিল থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ প্রবাসী কর্মী খালি হাতে দেশে ফিরেছেন। করোনায় বিদেশ প্রত্যাগত কর্মীদের অনেকেই ঋণের জন্য মাসের পর মাস ব্যাংকের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এছাড়া ব্যাংকের কঠিন শর্তাবলীর দরুণ অনেক বিদেশ প্রত্যাগত কর্মী ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য পুর্নবাসন ঋণ নিতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। একাধিক বিদেশ প্রত্যাগত এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একজন লিফটম্যান জানান, করোনাকালে চাকরি হারিয়ে বিদেশ প্রত্যাগত কর্মী (তার নিকট আত্মীয়) ময়মনসিংহের প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে কয়েক মাস যাবত ধরণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া পুর্নবাসন ঋণ পাচ্ছে না। বিষয়টি প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর পিএস আহমেদ কবিরকে জানিয়েও কোনো সুরাহা পাওয়া যায়নি। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ময়মনসিংহ ব্রাঞ্চের অফিসার তিনা কুয়াসারেনের দুর্ব্যবহারের অনেক প্রত্যাগত কর্মী ঋণের জন্য ব্যাংকে ধরণা দিয়ে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্তমানে ১০ থেকে ১৫ জন বিদেশ প্রত্যাগত কর্মী ঋণের জন্য ময়মনসিংহ শাখায় আবেদন জমা দিয়েও কোনো সাড়া পাচ্ছে না। ব্যাংকের ম্যানেজার আইরিন খানম ইনকিলাবকে বলেন, বিদেশ প্রত্যাগত কর্মীরা ঋণের জন্য কয়েক মাস যাবত ঘুরার অভিযোগ সঠিক নয়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোভিড-১৯ আওতায় গতকাল পর্যন্ত ৩০ জন প্রবাসী কর্মীকে ঋণ দেয়া হয়েছে। আরো ১০/১২ জন প্রবাসী ঋণের জন্য আবেদন জমা দিয়েছে। শাখায় জনবলের অভাবে ঋণ বিতরণ কার্যক্রম বিলম্ব হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। ২০১৩ সাল থেকে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক নরসিংদী শাখার যাত্রী শুরু হয় মাত্র দু’জন কর্মকর্তা স্থায়ী এবং ১ জন অস্থায়ী কর্মচারি দিয়ে। ব্যাংকের ম্যানেজার সাকিল মাহমুদ জানান, করোনাকালিন সময়ে বিদেশ প্রত্যাগত ১৮ জন কর্মীকে এ যাবত ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকার ঋণ দেয়া হয়েছে। আরো দশ জন প্রত্যাগত কর্মীকে ঋণ দেয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চলতি অর্থ বছরে বিদেশ গমনেচ্ছুদের মাঝে ৪৪ লাখ ২০ হাজার টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। ঢাকার আঞ্চলিক অফিস থেকে ঋণ বিতরণের কাগজপত্রে অনুমোদন নিতে বিলম্ব হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ব্যাংকে অনলাইন সেবা কার্যক্রম চালু হয়নি বলে তিনি জানান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ফেনী শাখা ২০১৫ সালে যাত্রা শুরু করে। ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ায় ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঋণ সহায়তা থেকে এ যাবত ১৫ জন বিদেশ প্রত্যাগত কর্মীকে প্রায় ২৫ লাখ টাকা ঋণ দেয়া হয়েছে। আরো ৩০ জন বিদেশ প্রত্যাগত ঋণ পাওয়ার জন্য ব্যাংকে প্রতিনিয়ত ধরণা দিচ্ছেন। এ শাখাটি গত অর্থ বছরে ২ কোটি টাকার বেশি ঋণ বিতরণ করেছে। এর মধ্যে দেড় কোটি টাকাই খেলাপী ঋণ। ব্যাংকের ম্যানেজার সাজ্জাদ হোসেন ইনকিলাবকে জানান, এলাকার প্রবাসীরা নিয়মিত প্রচুর রেমিট্যান্স দেশে পাঠাচ্ছেন। অথচ বকেয়া ঋণের কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করছেন না। খেলাপীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলাও করা হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিএমইটি’র সূত্র জানায়, করোনা মহামারি কিছুটা শিথিল হওয়ায় সউদী আরবসহ কয়েকটি দেশে কর্মী যাওয়া শুরু হয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে ২৮ হাজার ৩৯৮ জন পুরুষ-মহিলা গৃহকর্মী বিদেশে চাকরি লাভ করেছেন। গত ১ জানুয়ারি থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে ২৩ হাজার ৬৬৯ জন কর্মী চাকরি লাভ করেছে। এয়ারলাইন্সগুলো টিকিট সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে বিদেশগামী কর্মীদের ওয়ান ওয়ে টিকিটের দাম আট থেকে দশ গুন বাড়িয়েছে। চড়া দামে টিকিট কিনতে বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীরা গলদঘর্ম।

এদিকে, করোনাভাইরাস মহামারির শুরুর ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা লেগেছে রফতানি খাতে। অবশ্য দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স খাতে এখনও তেজিভাব দেখা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, করোনাকালে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। শুধু আর্থিকভাবেই নয়, করোনাকাল মোকাবিলায় সরকারের মনোবল বৃদ্ধিতেও বড় ভূমিকা রেখেছে প্রবাসীদের পাঠানো রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স। রেমিট্যান্সের কারণে ব্যাংকে তারল্যের সঙ্কট দূর হয়েছে। এই রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়ে যাওয়ার ফলে সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন করা সহজ হয়েছে। রেমিট্যান্সের টাকায় ছোট ছোট হাজার হাজার উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হয়েছে। এই রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে বাংলাদেশের রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর এই ছয় মাসে রেমিট্যান্স এর প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসেবে, ডিসেম্বর মাসে ২০৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৫৯ কোটি ১৬ লাখ ডলার। মহামারির মধ্যেই চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দুই দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল দেশে। যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ।

অতিসম্প্রতি ব্যাংকিং কার্যক্রমে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো.এবনুজ জাহান। দু’মাস আগে যোগদানকৃত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহান স্বীকার করেন প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে এতো দিন একটি সফটওয়ারও স্থাপন করা হয়নি। বিদেশ গমনেচ্ছু এবং প্রত্যাগত প্রবাসী কর্মীদের অনলাইন সেবা দোর গোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য কোর ব্যাংকিং সলিউশন (সিবিএস) স্থাপনের লক্ষ্যে গত ৮ ডিসেম্বর দরপত্র ওপেন করা হয়েছে। গত ১২ জানুয়ারি দরপত্র ও মূল্যায়ন কমিটির প্রথম সভায় ৫টি প্রতিষ্ঠানকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে সিবিএস (অনলাইন) কার্যক্রম চালুর ওয়ার্ক অর্ডার দেয়া সম্ভব হবে বলেও তিনি দাবি করেন। এবনুজ জাহান বলেন, বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ঘুর দাঁড়াবার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে প্রতিশ্রুতির ৫শ’ কোটি টাকার ঋণ সহায়তা থেকে আড়াইশ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। বিদেশ প্রত্যাগতদের আগে দু’লাখ টাকা ঋণ দেয়া হতো। গত ১ জানুয়ারি থেকে প্রত্যাগতদের ৩ লাখ টাকার ঋণ দেয়া হচ্ছে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে ২ শ’ কোটি টাকা ঋণ পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। মন্ত্রণালয় থেকে প্রাথমিকভাবে ১৫ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। এ যাবত করোনায় বিদেশ প্রত্যাগত কর্মীদের মাঝে ১৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এক প্রশ্নের জবাবে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের দরিদ্র ঋণ গ্রহীতার ৮৯% গ্রাহকই নিয়মিত ঋণের কিস্তি পরিশোধ করছেন। তিনি বলেন, কোভিড-১৯ এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অভিবাসী কর্মীদের পুর্নবাস ঋণ নীতিমালা, ২০২০ সংশোধন করে পরিপত্র জারি করা হয়েছে। ইতিপূর্বে সকল ধরনের ঋণের অনুমোদন ক্ষমতা প্রধান কার্যালয়ে কেন্দ্রীভূত ছিল। যা বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে শাখা পর্যায়ে অনুমোদন ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। শাখাসমূহ থেকেই অভিবাসী কর্মীরা ঋণ মঞ্জুর করে নিতে পারবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। ব্যাংকের স্থায়ী পদসহ বিভিন্ন পদে ২৮৭ জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি সচিবালয় গত ৪ জানুয়ারি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: করোনাভাইরাস


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ