Inqilab Logo

রোববার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৮ কার্তিক ১৪২৮, ১৬ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

ওয়ালটন ফ্রিজ: ২০২১ হবে বাম্পার সেলস ইয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশের সময় : ২৯ জানুয়ারি, ২০২১, ১২:২১ পিএম

করোনাভাইরাস মহামারির দুর্যোগ কাটিয়ে দেশের ফ্রিজ বাজারে এসেছে স্বাভাবিক গতি। সেইসঙ্গে দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন ফ্রিজের চাহিদা ও বিক্রিও করোনা পূর্ববর্তী স্বাভাবিক ধারায় ফিরে এসে। যার প্রেক্ষিতে ফ্রিজ বিক্রিতে ওয়ালটন টার্গেট নিয়েছে- ২০২১ হবে বাম্পার সেলস ইয়ার বা বর্ষ। অর্থাৎ, ২০২১ এ বিগত যেকোনো বছরের চেয়ে বেশি পরিমাণ ফ্রিজ বিক্রির লক্ষ্য নিয়ে সকল প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়েছে দেশের এই ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট।

সূত্রমতে, বিগত বছরগুলোর মধ্যে ওয়ালটনের সবচেয়ে বেশি ফ্রিজ বিক্রি হয়েছিল ২০১৯ এ। সেবছর জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর সময়ে ২০ লাখেরও বেশি ফ্রিজ বিক্রি হয়েছিল ওয়ালটনের। ২০২১ সালে তার ওই বিক্রিকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার টার্গেট নিয়েছেন তারা।

টার্গেট পূরণে গবেষণা ও উন্নয়ন (আরএনডি), ডিজাইন, উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ বা কিউসি, বিপণন, ব্র্যান্ডিং ও সেলস সকল বিভাগে নেয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও কর্মপরিকল্পনা। যার অংশ হিসেবে ওয়ালটন প্লাজা ও সেলস আউটলেটগুলোতে সর্বোচ্চ সংখ্যক ডিজাইন ও মডেলের রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজার। বছরজুড়ে বাজারে ছাড়বে বৈচিত্র্যময় ডিজাইন, কালার, ও ফিচারের নতুন নতুন মডেলের ফ্রিজ। সম্ভাবনাময় ব্লাঙ্ক পয়েন্টে চালু করছে নতুন প্লাজা ও সেলস আউটলেট। এদিকে সারা দেশে চলছে ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন ৯। এর আওতায় এরইমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেড় শতাধিক ক্রেতা ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ফ্রি পেয়েছেন আরেকটি নতুন ফ্রিজ। এছাড়া হাজার হাজার ক্রেতা পেয়েছেন আকর্ষণীয় অঙ্কের ক্যাশ ভাউচার।

ওয়ালটনের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইভা রিজওয়ানা নিলু বলেন, করোনায় গত বছর দেশের সকল ব্র্যান্ডেরই ফ্রিজ বিক্রি কম হয়েছে। ২০২০ সালে ওয়ালটনের প্রায় ১৪ লাখ ফ্রিজ বিক্রি হলেও মার্কেট শেয়ার ছিলো ৭০ শতাংশের বেশি। যা নিঃসন্দেহে সন্তোষজনক। এরইমধ্যে করোনার দুর্যোগ কাটিয়ে ওয়ালটন ফ্রিজের চাহিদা ও বিক্রিতে স্বাভাবিক গতি ফিরে এসেছে। যার প্রেক্ষিতে চলতি বছর ২০১৯ সালের চেয়ে বেশি ফ্রিজ বিক্রির টার্গেট নিয়েছি।

ওয়ালটনের আরেক ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এমদাদুল হক সরকার বলেন, ফ্রিজ বিক্রির টার্গেট পূরণে বিপণন কৌশল ও ব্যাপক ব্র্যান্ডিং এর প্রতি বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে। সেজন্য ২০২১ সালকে ‘ব্র্যান্ডিং ইয়ার’ বা বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে ২ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে চলছে ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন ৯। এর আওতায় ওয়ালটন ফ্রিজ ক্রয়ে প্রতি ঘন্টায় ফ্রি ফ্রিজসহ কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার পাওয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছে। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশের সর্বত্র প্রতিমাসে ওয়ালটন ফ্রিজের ব্যাপক ব্র্র্যান্ডিং করা হচ্ছে। সার্বিক প্রস্তুতি বিবেচনায় চলতি বছরে ফ্রিজ বিক্রির টার্গেট পূরণে ওয়ালটন সফল হবে বলে তিনি আশাবাদী।
ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক উদয় হাকিম বলেন, ওয়ালটন ফ্রিজ বিক্রিতে ২০২১ সাল হবে বাম্পার সেলস ইয়ার। সেলক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
ওয়ালটন ফ্রিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও প্রকৌশলী আনিসুর রহমান মল্লিক বলেন, এ বছর ফ্রিজের ডিজাইন, কালার, মডেল ও ফিচারে বৈচিত্র্য আনার উপর অধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ওয়ালটন ফ্রিজে সংযোজন করা হচ্ছে স্মার্ট ফিচার। ডিজাইনেও থাকবে বৈচিত্র্যতা। এরইমধ্যে সাইড বাই সাইড ডোরের কয়েকটি বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের কয়েকটি নতুন মডেল। এ বছর অত্যাধুনিক ফিচারসমৃদ্ধ সাইড বাই সাইড ডোরের স্মার্ট ফ্রিজ বাজারে ছাড়া হবে। বাংলাদেশে একমাত্র ওয়ালটনই এই মডেলের ফ্রিজ উৎপাদন করছে।

ওয়ালটন ফ্রিজের সিইও আরো বলেন, গ্রাহকদের উচ্চ গুণগতমানের পণ্যের পাশাপাশি সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সুবিধাও প্রদানের মাধ্যমে সর্বোচ্চ গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জন করাকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছে ওয়ালটন। সেজন্য ফ্রিজে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধার পাশাপাশি কম্প্রেসরে ১২ বছরের গ্যারান্টি দিচ্ছে ওয়ালটন। আইএসও সনদপ্রাপ্ত ওয়ালটন সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় সারা দেশে বিস্তৃত ৭৬টি সার্ভিস সেন্টারের থেকে গ্রাহকদের দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক ও ফ্রিজের চিফ অপারেটিং অফিসার ইউসুফ আলী জানান, ফ্রিজ বিক্রির টার্গেট বিবেচনায় আরএনডি, ডিজাইন, উৎপাদন লাইন, কিউসি উৎপাদন প্রক্রিয়ার সর্বত্র ব্যাপক বিভাগ সর্বত্র সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাঁচামালের পর্যাপ্ত মজদু নিশ্চিত করা হয়েছে। আমেরিকা, জার্মানি, জাপানের মতো উন্নত বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মেশিনারিজ দিয়ে ফ্রিজের আনুষঙ্গিক যন্ত্র্যাংশ ও ফ্রিজ উৎপাদন করা হচ্ছে। কারখানায় বর্তমানে প্রতিদিন সাড়ে সাত হাজার ফ্রিজ উৎপাদন করা হচ্ছে। ফ্রেব্রæয়ারি মাস থেকেই দৈনিক উৎপাদন ১০ হাজার ইউনিট পর্যন্ত বাড়ানো হবে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশের সেরা রেফ্রিজারেটর ব্র্যান্ডের মর্যাদাস্বরূপ ওয়ালটন ফ্রিজ সাতবার ‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে। এছাড়া ওয়ালটন ‘সুপার ব্র্যান্ড ২০২০’ খেতাব পাওয়ার পাশাপাশি ২০২১ সালের জন্য ‘সুপারব্র্যান্ড’ এর সম্মাণনা পেয়েছে।

 

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ওয়ালটন ফ্রিজ


আরও
আরও পড়ুন

ঘরে বসেই হবে আয়কর রিটার্ন ফরম পূরণ

img_img-1635053923

ব্যক্তিগত আয়কর রিটার্ন ফরম এবং সম্পদের হিসাব-নিকাশ এখন অনলাইনে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পূরণ  করা যাবে। ঘরে বসেই করা যাবে আয়কর পরিশোধ এবং রিটার্ন ফাইল দাখিল। বাসায় বসেই নেয়া যাবে আয়কর সংক্রান্ত যেকোনো সেবাও। আয়কর রিটার্ন দাখিল সহজতর করতে ডিজিট্যাক্স নামক এমন একটি ওয়েব অ্যাপলিকেশন নিয়ে এসেছে দেশ ইউনিভার্সেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান। শনিবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)-এর কার্যালয়ে ডিজিট্যাক্সের এ অনলাইন ট্যাক্স অ্যাপলিকেশনটি উদ্বোধন করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (করনীতি) মো. আলমগীর হোসেন। এ সময় পেশাধার হিসাববিদদের সংগঠন দি ইনিস্টিটিউট অফ চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরু, ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একে এম আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন, ডিজিট্যাক্সের পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার রঞ্জু ও ইআরএফ সেক্রেটারি এসএম রাশিদুল ইসলাম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। ডিজিট্যাক্সের মূল ফিচার বর্ননা করে প্রতিষ্ঠানটির টিম মেম্বার সৈয়দা নুসরাত হায়দার বলেন, আমাদের দেশে বিভিন্ন লেভেলের টেক্স পেয়ার রয়েছে, এর মধ্যে অধিকাংশই আয়কর ক্যালকুলেশন এর নিয়মাবলী ও আইন কানুন যথাযথভাবে জানেন না। ফলে সুচারুভাবে রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন না। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট খাতে ইনপুট দিয়ে সহজেই রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন সে ব্যবস্থা নিয়ে এসেছি। আমাদের সিস্টেমে রয়েছে আইন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় আয়কর গণনা পদ্ধতি যাতে করে ব্যবহারকারীরা সহজেই আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন। ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে, বাংলা ভাষায়ও সফটওয়ারটি ব্যবহারের পদ্ধতি রাখা হয়েছে। করদাতা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে রিটার্ন পূরণ করে নিজে আয়কর অফিসে জমা দিতে পারেন অথবা গ্রাহক যদি চান, তবে ডিজিট্যাক্সের পেশাদার আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। ডিজিট্যাক্সের সিস্টেমটি এনবিআরের সাথে ইন্টিগ্রেট করতে পারলে ভবিষ্যতে তাদের মাধ্যমেই করদাতারা অনলাইনে তার রিটার্ন সাবমিট করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সৈয়দা নুসরাত হায়দার। এতে করে মেনুয়াল পেপার বেইজ সাবমিশন প্রয়োজন হবে না এবং সরকারও ডাটা এন্ট্রি ছাড়াই রিয়েল টাইম আপডেট পাবে বলে জানান তিনি। করদাতার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা বিষয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক করদাতার ব্যক্তিগত আইডি ও পাসওয়ার্ড থাকবে। তিনি ছাড়া আর কেউ এ তথ্য দেখতে পাবেন না। করদাতা তার তথ্য সেইভ করে রেখে যেকোনো সময় তা আবার লকইন করে এডিট করতে পারবেন। তিনি বলেন, সরকার একটি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে আয়করের আওতায় আনার জন্য এরইমধ্যে অনেক ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগের সাথে ব্যক্তি পর্যায়ে আমরা কাজ করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। এর অংশ হিসেবে আমরা এই সফটওয়্যার টি ডেভলপ করেছি। ভবিষ্যতে সরকারের সাথে ইন্টিগ্রেটেড হয়ে একসাথে কাজ করতে পারবো এটাই আমাদের লক্ষ। আয়কর আইনজীবিরাও এর মাধ্যমে তাদের ক্লায়েন্টদের কর সেবা দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সৈয়দা নুসরাত হায়দার। অ্যাপলিকেশনটি উদ্ভোধন করে এনবিআর সদস্য আলমগীর হোসেন বলেন, মানুষের মধ্যে কর দেয়ার আগ্রহ তৈরি হয়েছে। করদাতার সংখ্যাও বাড়ছে। এতো বিপুল সংখ্যক করদাতাকে প্রচলিত পদ্ধতিতে করসেবা দেয়া সম্ভব নয়। করদাতাকে সেবা দিতে সব কিছু অনলাইন করা ও রিটার্ন দাখিল স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি করার বিকল্প নেই। এনবিআর অনেক আগেই এ উদ্যোগটি নিয়েছে। অনলাইনের মাধ্যমে রিটার্ন ফরম পূরণ, দাখিল ও পেমেন্ট সিস্টেম চালু করছি। বেসরকারিভাবে ডিজিট্যাক্সের এগিয়ে আসা কর সেবাকে ডিজিটাল করার উদ্যোগ আরো সহজতর হবে। তিনি বলেন, রিটার্ন দাখিল অনলাইন করার পাশাপাশি ১ নভেম্বর থেকে আমরা আয়কর মাস পালন করছি। করাঞ্চলগুলোতে মেলার পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। করদাতারা স্বাচ্ছন্দে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। আইসিএবির প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরু বলেন, আয়কর আইন হলো পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিনতম একটি আইন। এটি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। এ আইন নিয়ে এতো বড় ‍উদ্যোগ নেয়ায় ডিজিট্যাক্স প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি বলেন, ডিজিট্যাক্সের এ উদ্যোগটি করদাতাদের সহায়তা করবে। এর ফলে বিপুল মানুষকে রিটার্ন দাখিলে আগ্রহী করা যাবে। সরকারও রাজস্ব পাবে। এর আগে শুভেচ্ছা বক্তব্যে ডিজিট্যাক্সের এডভাইজার ও দেশ ইউনিভা্র্সেল নির্বাহী পরিচালক মোসারাত নাইমা বলেন, ডিজিট্যাক্স একটি স্বয়ংক্রিয় ট্যাক্স রিটার্ন ফরম পূরণের ওয়েব অ্যাপলিকেশন। রেজিট্রেশন করার পর করদাতা তার আয়ের তথ্য দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর গণনা হয়ে যাবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ