Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৪ সফর ১৪৪১ হিজরী

শিক্ষার্থীদের পিটিয়ে অনশনে বসেছে জবি ছাত্রলীগ

প্রকাশের সময় : ৩১ আগস্ট, ২০১৬, ১২:০০ এএম

জবি সংবাদদাতা
আবাসিক হল নির্মাণ ও পরিত্যক্ত কারাগারের জায়গা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে হস্তান্তরের দাবিতে চলমান আন্দোলনে হামলা চালিয়ে এবার অনশনে বসেছে জবি শাখা ছাত্রলীগ। আন্দোলন চলাকালে গত রোববার ও সোমবার জবি শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর দফায় দফায় হামলা চালায় ছাত্রলীগ। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়।
গতকাল সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে অনশন পালন করে তারা। অন্যদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের জমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে হস্তান্তর ও নতুন হল নির্মাণের দাবিতে মহাসমাবেশ হয়েছে। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের অনুগত গুটিকয়েক কর্মী নিয়ে ৩ ঘণ্টার অনশনের বসে ছাত্রলীগ। সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের ডাকে অনশনে অংশ নেয়নি।
এদিকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সকাল ১০টা থেকে ছাত্র সমাবেশ করেছে। ধর্মঘটের কারণে কোনো বিভাগে ক্লাস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। গত রোববার ও সোমবার পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ছাত্র ধর্মঘটে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আন্দোলনকারীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভের চেষ্টা করে। এ সময় ছাত্রলীগও পৃথকভাবে অবস্থান নেয়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আন্দোলনে আসতে বলেন তারা। শিক্ষার্থীরা তাদের নেতৃত্বে যেতে না চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর দফায় দফায় হামলা চালায় ও পিটিয়ে আহত করে। এতে প্রায় শ’খানেক শিক্ষার্থী আহত হয়। তাদের হামলার ভিডিও ও স্থিরচিত্র বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লেও হামলার বিষয়টি ছাত্রলীগ নেতারা অস্বীকার করে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আন্দোলনকারীরা অবস্থান করতে না পেরে প্রতিদিন বিকেলে শাহবাগে অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন