Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৫ সফর ১৪৪১ হিজরী

সিঙ্গুর জমি অধিগ্রহণ অবৈধ এখন শান্তিতে মরতে পারব : মমতা

প্রকাশের সময় : ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

ইনকিলাব ডেস্ক : প্রায় এক দশক পর গত বুধবার ভারতের সুপ্রিমকোর্ট রায় দিয়েছেন সিঙ্গুর জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে। যে সিঙ্গুর বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসেন মমতা ব্যানার্জি, সেই সিঙ্গুর ইস্যুতে এবারে শেষ হাসিও হাসলেন তিনি। সিঙ্গুরে কৃষকের ক্ষতি করে টাটা কোম্পানির ন্যানো গাড়ি তৈরির জন্য তৎকালীন বুদ্ধদেব সরকার জমি অধিগ্রহণ করে। এর বিরুদ্ধে ‘বজ্রপাত আন্দোলন’ গড়ে তোলেন মমতা। তখন তিনি রাজ্যের বিধানসভায় বিরোধী নেতা ছিলেন। এ নিয়ে বহু কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তাকে। বহুবার রাস্তায় পুলিশের হাতে হেনস্থা হতে হয়েছে। সিঙ্গুরে সরকারের মাধ্যমে টাটা কোম্পানির জন্য জমি অধিগ্রহণ শুরু হয় প্রায় ১০ বছর আগে। ফলে মমতার রাজনীতির এক অধ্যায়ের পূর্ণতা এলো বলে অনেকে মনে করছেন। সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ ‘অবৈধ’ দাবি করে আদালতের শরণাপন্ন হন মমতা ও ভুক্তভোগী মানুষ। রায় তাদের পক্ষেই হয়। কিন্তু সরকার বাদী হয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আপিল করেন। সেখানেও নিষ্পত্তি হয়নি। মামলা শেষপর্যন্ত গড়ায় সুপ্রিমকোর্টে। শীর্ষ আদালতের রায়ে জয়ী হয়েছেন মমতা-ই। রায়ের পর মমতা বলেন, আবাদি জমি নষ্ট করে, কৃষকদের মেরে সরকার টাটা গ্রুপকে জমি অধিগ্রহণ করে দিচ্ছিল। কিন্তু আমি এর বিরোধিতা করি। তাই বলে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখন শিল্পবিরুদ্ধ নয়। তিনি আরো বলেন, এই রায়ের জন্য আমি দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেছি। আমি সিঙ্গুরের মানুষের হয়ে অপেক্ষা করেছি। রায় পেয়েছি। এখন শান্তিতে মরতে পারব। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে বুদ্ধদেবের সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সরকারি হস্তক্ষেপে টাটা গ্রুপকে ১ হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়। কিন্তু মমতার তুমুল বিক্ষোভের মুখে তা বাধাগ্রস্ত হয়। ইস্যুটি আদালতে গড়ায় এবং সেখান থেকে শেষপর্যন্ত নিষ্পত্তি হলো সুপ্রিমকোর্টে। আগামী ১০ সপ্তাহের মধ্যে যাদের ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, তাদেরকে তা বুঝিয় দিতে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন। এনডিটিভি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন