Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৪ আষাঢ় ১৪২৮, ০৬ যিলক্বদ ১৪৪২ হিজরী

ডায়ানাকে নিয়ে যা বললেন প্রিন্স হ্যারি

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১ মার্চ, ২০২১, ৫:৫৭ পিএম

ব্রিটিশ রাজপরিবারের দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে সরে যাওয়ার পর এই প্রথম তার মা প্রিন্সেস ডায়ানাকে নিয়ে কথা বললেন প্রিন্স হ্যারি। তিনি বলেন, রাজপরিবারের জৌলুশপূর্ণ জীবন ছেড়ে আসার আগে নিজের মধ্যে তিনি মা ডায়ানার জীবনের করুণ ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি দেখতে পাচ্ছিলেন। এ নিয়ে উদ্বিগ্নও ছিলেন তিনি।

মার্কিন উপস্থাপক অপরাহ্‌ উইনফ্রেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ডিউক অব সাসেক্স হ্যারি তার মা ডায়ানাকে নিয়ে কথা বলেন। সাক্ষাৎকারটি ৭ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রচারিত হওয়ার কথা রয়েছে। সাক্ষাৎকারের কিছু চৌম্বক অংশ নিয়ে ৩০ সেকেন্ডের দুটি ভিডিও ক্লিপ গতকাল রোববার রাতে প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারমাধ্যম সিবিএস।

‘অপরাহ্ উইথ মেগান অ্যান্ড হ্যারি: আ সিবিএস প্রাইমটাইম স্পেশাল’ শিরোনামের বিশেষ ওই টিভি শো যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যেও প্রচার করা হবে। তবে যুক্তরাজ্যে কখন প্রচারিত হবে, তা স্পষ্ট নয়। সাক্ষাৎকারটির ওপর প্রকাশিত দুই ক্লিপে মেগানকে কিছু বলতে দেখা যায়নি।

সাক্ষাৎকারে প্রিন্স হ্যারি বলেছেন, রাজপরিবারে থাকার সময় নানা উদ্বেগের মধ্যেও স্ত্রী মেগান মের্কেলকে পাশে পেয়ে যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন তিনি। তিন দশক আগে তার মা প্রিন্সেস ডায়ানার এ রাজপ্রাসাদ ছেড়ে যাওয়ার ঘটনা স্মরণ করে হ্যারি বলেন, কী ভীষণ রকম নিঃসঙ্গতার মধ্য দিয়ে তার মাকে যেতে হয়েছে, সেই কথা কল্পনাও করতে পারেন না তিনি।

অপরাহ্‌ উইনফ্রেকে প্রিন্স হ্যারি বলেন, ‘(মায়ের) ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি আমার মধ্যে ঘটতে চলেছে, এটিই আমাকে সবচেয়ে বেশি চিন্তিত করে তুলেছিল।’ তিনি বলেন, ‘(তবে আজ) এখানে আসতে পেরে, আমার স্ত্রীকে পাশে নিয়ে আপনার সঙ্গে কথা বলতে পেরে আমি সত্যি স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছি।’

সাক্ষাৎকারেই ব্রিটিশ গণমাধ্যমের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেন তিনি। ‘দ্য লেট লেট শো’ নামের ওই সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে হ্যারি বলেছিলেন, ‘ব্রিটিশ গণমাধ্যম কেমন হতে পারে, আমরা সবাই জানি। এই গণমাধ্যম আমাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলছিল। আমার কাছে এটিকে বিষের মতো মনে হচ্ছিল। তাই কোনো স্বামী ও কোনো বাবা যা করতেন, আমিও তা–ই করেছি।’

এক বছর আগে হ্যারি ও তার মার্কিন স্ত্রী মেগান রাজকাজ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। রাজপরিবারের কারও সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে তাদের নেয়া এ সিদ্ধান্তে তোলপাড় সৃষ্টি হয় রাজপরিবারে। ওই সিদ্ধান্তে বিস্মিত হয়েছিলেন বিশ্ববাসী। এই দম্পতি জানিয়েছিলেন, তারা স্বাবলম্বী হয়ে বাঁচতে চান।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের ছেলে প্রিন্স অব ওয়েলস চার্লসের সঙ্গে ১৯৯৬ সালের আগস্ট মাসে বৈবাহিক সম্পর্কে ইতি টানার সময় প্রিন্সেস অব ওয়েলস ডায়ানা তার ‘রয়্যাল হাইনেস’ সম্মানসূচক উপাধি ত্যাগ করেন। পরের বছর ফ্রান্সের প্যারিসে এক গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত হন তিনি। সূত্র: বিবিসি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রিন্স হ্যারি


আরও
আরও পড়ুন