Inqilab Logo

ঢাকা রোববার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ২৮ চৈত্র ১৪২৭, ২৭ শাবান ১৪৪২ হিজরী

আমি এক মেয়েকে বলেছিলাম যে, ‘আল্লাহর কসম তোমাকে আমি বিয়ে করবো’। এখন ওই মেয়ের অন্য ছেলের সাথে বিয়ে হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে আমার কসমের ব্যাপারে ফায়সালা কি হবে?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ৫ মার্চ, ২০২১, ৭:১৯ পিএম

উত্তর : বিয়ে একা করা যায় না। অতএব, এই কসম অর্থহীন। মেয়ে পক্ষ যদি বিয়েতে রাজী না হয় বা অন্যত্র বিয়ে দিয়ে দেয়, তাহলে আল্লাহর কসম করলেও এই ছেলেটি কেমনে বিয়ে করবে। অতএব, এই কসমই সহীহ হয় নি।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

 

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • Md. Rakibul Bari Khan ৮ মার্চ, ২০২১, ৯:০৫ এএম says : 0
    মহান আল্লাহ সবাইকে জামাতে নামাজ পড়তে নির্দেশ দিয়েছেন। আমাদের দেশে মহিলাদের জামাতে নামাজ পড়ার ব্যাপারে কোন উদ্যেগ নাই কেন?
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

মুসলিম উম্মাহর জন্য যাকাত অন্যতম ফরজ একটি বিধান। এটিকে যাকাতদাতার সম্পদের উপর এক ধরনের কর বা ট্যাক্স বলা যায়। এ কারণে অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন, আমরা যেহেতু আমাদের সম্পদের উপরে সরকারকে রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত ট্যাক্স বা কর প্রদান করেই থাকি, সুতরাং এমতাবস্থায় কেন আবার আলাদা করে যাকাত দিতে হবে? ইসলামের প্রাথমিক যুগে ইসালমিক খেলাফত আমলে রাজস্ব আদায় করা হত যাকাতের মাধ্যমে, পক্ষান্তরে বর্তমান যুগে সরকার রেভিনিউ আয় করে ট্যাক্স আদায়ের মাধ্যমে। যদি তাই হয়, তাহলে আবার আলাদা করে কেন যাকাত দিতে হবে?

উত্তর : এ প্রশ্নটি অবান্তর। কারণ, কোনো দেশে যদি যোগব্যায়াম বা শরীরচর্চা বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে মুসলমানরা কি এরপর আর নামাজ পড়বে না? সুতরাং রেভিনিউ

বাসার মধ্যে যদি গাইরে মাহরাম থাকে যেখানে ফিতনা সৃষ্টি হওয়ার কোন সম্ভবনাই নাই, সেক্ষেত্রে আমার স্ত্রী কি মুখ খোলা রেখে তাদের সামনে আসতে পারবে? আর বাসায় যদি কোন মেহমান আসে যাদের কেউ কেউ আমার জন্য গাইরে মাহরাম, আবার কেউ কেউ আমার স্ত্রীর জন্য গাইরে মাহরাম, সেক্ষেত্রে কীভাবে আমরা তাদের মেহমানদারী করবো? আমার স্ত্রী পরিপূর্ণ পর্দা করে (মুখ খোলা রেখে) তাদের সামনে আসতে পারবে কি? আমরা স্বামী স্ত্রী একে অপরের পরিপূরক মনে করি, দুইজনের মন একটাই মনে করে (সব কথাই শেয়ার করি)। এমন কোন কথা যেটা অন্য ব্যক্তির সাথে শেয়ার করলে গীবত হত, তেমন কোন কথা স্ত্রীর সাথে শেয়ার করলে কি গীবত হবে?

উত্তর : শরীয়তে যাদের সামনে যাওয়া যায় তাদের সামনে চেহারা, হাত পায়ের কব্জি ইত্যাদি খোলা থাকলে কোনো সমস্যা নেই। যাদের সামনে যাওয়া যায় না, অথচ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ