Inqilab Logo

শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০৭ মাঘ ১৪২৮, ১৭ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

‘মুক্তিযোদ্ধা সনদ এখন রাস্তার পাশে বিক্রি হয়।’

চট্টগ্রাম ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ২৩ মার্চ, ২০২১, ৮:৪৮ পিএম

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা সনদ এখন রাস্তার পাশে বিক্রি হয়।’ তিনি মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া বাদ দেওয়ার পক্ষেও মত দেন। মঙ্গলবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ৫৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সদস্য। বিভিন্ন সভায় যাই। তারা এখনো মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে ব্যস্ত। আমি বলেছি, যাচাই-বাছাইয়ের আর দরকার নেই। এখন মুক্তিযোদ্ধা সনদ রাস্তার পাশে বিক্রি হয়। প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা করে দিয়েছেন। ফলে সবাই মুক্তিযোদ্ধা সাজার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। তাতে আমার পাগল হওয়ার উপক্রম।’ জেলা পরিষদের উদ্যোগের প্রশংসা করে মুক্তিযুদ্ধের সাব সেক্টর কমান্ডার মোশাররফ হোসেন আরও বলেন, ‘জেলা পরিষদ আজ মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা জানানোর উদ্যোগ নিয়েছে, আমরা মুক্তিযোদ্ধারা খুব সম্মানিত বোধ করছি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত বিভিন্ন স্থান চিহ্নিত করে মনুমেন্ট করার উদ্যোগ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হবে। সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম বলেন, অনেকেই মন্ত্রী হন, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা হওয়া যায় না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানিত করেছেন এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছেন। দেশপ্রেমিক জনগোষ্ঠী তৈরি না হলে কখনো মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না।

ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে এ সম্মাননা অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাব্বির ইকবাল, জেলা পরিষদের সচিব মো. রবিউল হাসানের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম, সাবেক গণপরিষদ সদস্য মির্জা আবু মনসুর, যুদ্ধকালীন বিএলএফ কমান্ডার অধ্যাপক মো. মঈনুদ্দিন, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক চৌধুরী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউনুস। পরে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চট্রগ্রাম


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ