Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ০৯ বৈশাখ ১৪২৮, ০৯ রমজান ১৪৪২ হিজরী

রোহিঙ্গাদের জন্য জাতিসংঘের জরুরি বরাদ্দ ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৬ মার্চ, ২০২১, ১২:০৭ এএম

কক্সবাজারের কুতুপালং শিবিরে এ সপ্তাহের শুরুতে ব্যাপক অগ্নিকান্ডের পর জাতিসংঘের শীর্ষ ত্রাণ কর্মকর্তা বুধবার হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী পরিবারকে জীবন রক্ষাকারী জরুরি সহায়তা তহবিলের জন্য ১৪ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি ১১৮ কোটি টাকারও বেশি) বরাদ্দ দিয়েছে।

আগুনে প্রতিবেশী মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে আসা ৪৫ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়ে এবং শিবিরের প্রধান হাসপাতাল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং শিক্ষা কেন্দ্রগুলি ধ্বংস হয়ে গেছে। আগুনে এগারো জন মারা গেছে এবং প্রায় ৪০০ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে।
জাতিসংঘের জরুরি ত্রাণ সমন্বয়কারী মার্ক লৌকক বলেছেন, ‘এ আগুন বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স¤প্রদায়ের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আগের চেয়ে এখন আমাদের সহায়তার প্রয়োজন, কারণ মহামারীটি এখনও অব্যাহত রেখেছে এবং তারা বর্ষা মৌসুমের দিকে এগিয়ে চলেছে’।
‘রোহিঙ্গা শরণার্থীরা নিজেরা সর্বদা সহায়তা কর্মীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে এবং শিবিরগুলোতে সাড়া জাগাতে সাহায্য করার জন্য তাদের সেবা স্বেচ্ছাসেবিদের অনুপ্রাণীত করেছে। আন্তর্জাতিক স¤প্রদায় তাদের পাশে দাঁড়ানোর এখনই সময়’।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সমন্বয়ের অফিসের (ওসিএইচএ) মতে, সংস্থার কেন্দ্রীয় জরুরি তহবিলের (সিইআরএফ) প্রাপ্ত অর্থ আশ্রয় স্থাপন ও পুনর্নির্মাণ ক্ষতিগ্রস্থদের খাদ্য, পানি এবং স্যানিটেশন পরিষেবা, মানসিক এবং মনো-সামাজিক স্বাস্থ্য সহায়তা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা প্রদান করবে।
কক্সবাজারের কুতুপালং বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী শিবির যেখানে আশ্রিত রয়েছে ৮ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর অধিকাংশই।

জাতিসংঘের মানবিক দলগুলো অগ্নিকান্ডের খবর প্রথম প্রকাশের পরে থেকেই ফিল্ডে রয়েছে। তারা আগুন নেভানোর লড়াইয়ের পাশাপাশি লোকজনকে উদ্ধার, প্রাথমিক চিকিৎসা, খাবার এবং পানি সরবরাহ এবং নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের সন্ধানে সহায়তা করেছে।
ইউএন ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এর মতে, বুধবার পর্যন্ত প্রাথমিকভাবে পরিষ্কার ও অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপনে সহায়তার জন্য প্রায় ২ হাজার পরিবারকে আশ্রয় ও নন-খাবার আইটেমের কিট সরবরাহ করা হয়েছে।
আইওএম বাংলাদেশ মিশনের ডেপুটি চিফ ম্যানুয়েল মার্কেস পেরেইরা বলেন, এ মৌলিক উপাদানগুলো ক্ষতিগ্রস্থ শরণার্থীদের কিছুটা মর্যাদার অধিকারী করবে, কারণ তারা তাদের জীবন পুনর্গঠন করবে। সূত্র : ইউএন খবর, সউদী গেজেট।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রোহিঙ্গা


আরও
আরও পড়ুন