Inqilab Logo

বুধবার, ০৪ আগস্ট ২০২১, ২০ শ্রাবণ ১৪২৮, ২৪ যিলহজ ১৪৪২ হিজরী

আনুষ্ঠানিকতার ম্যাচেও জয় চায় বাংলাদেশ

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৬ মার্চ, ২০২১, ৯:০৩ পিএম | আপডেট : ১০:২৮ পিএম, ২৬ মার্চ, ২০২১

নেপালের ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শনিবার স্বাগতিক দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে ৫টায় শুরু হবে ম্যাচটি। বাংলাদেশের জন্য এটা আনুষ্ঠানিকতার ম্যাচ। কারণ ২৩ মার্চ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে লাল-সবুজরা ১-০ গোলে কিরগিজস্তান অলিম্পিক দলকে হারিয়ে ফাইনালে এক পা দিয়েই রেখেছিল। বাকি আরেক পা তারা দিয়েছে গত পরশু রাতে। বৃহস্পতিবার স্বাগতিক নেপাল নিজেদের প্রথম ম্যাচে কিরগিজদের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করায় বাংলাদেশের ফাইনাল নিশ্চিত হয়। শনিবারের ম্যাচে ফাইনালের আরেক দল নির্ধারণ হবে। এদিন যদি বাংলাদেশ ২-০ ব্যবধানে নেপালকে হারায় তাহলে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়বে স্বাগতিকরা। আর যদি নেপাল ১-০ গোলে হারে তবে সেক্ষেত্রে ফাইনালে লাল-সবুজদের প্রতিপক্ষ হওয়ার সম্ভাবনা তাদেরই বেশি। কারণ নেপাল-কিরগিজস্তান গোল পার্থক্য সমান হয়ে গেলে কার্ডের হিসাব সামনে আসবে। আগের ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে কিরগিজস্তান একটি লাল কার্ড পাওয়ায় এই হিসাবে এগিয়ে থাকবে স্বাগতিকরা। তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে যদি নেপালের কোনো লাল কার্ড থাকে তাহলে টস ভাগ্যে নির্ধারণ হবে ফাইনালের দ্বিতীয় দলটি।

ম্যাচটি আনুষ্ঠানিকতার হলেও জয় চায় বাংলাদেশ। শুক্রবার কাঠমান্ডু থেকে এমনটাই জানান বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে। এদিন কাঠমান্ডুর সেনাবাহিনী মাঠে ক্লোজ ডোরে অনুশীলন করে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় এই ব্যবস্থা। অনুশীলনে গোপনীয়তা থাকলেও নেপাল ম্যাচ নিয়ে কোনো কিছুই গোপন রাখেননি জেমি ডে। তিনি এ ম্যাচে নতুনদের পরখ করে দেখবেন। জেমি বলেন, ‘আমি নেপালে আসার আগেও বলেছি, এখানে নতুন খেলোয়াড়দের পরখ করে দেখতে চাই। প্রথম ম্যাচে অনেক নতুন খেলোয়াড়কে দেখেছি। এখন আমরা ফাইনালে। শনিবার নেপালের বিপক্ষেও দলে পরিবর্তন আসবে। আশাকরি ফাইনালের আগে ইতিবাচক ফল পাবো আমরা।’ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে ফাইনালে উঠেছি। তবে সব ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। আনুষ্ঠানিকতার হলেও আমরা অবশ্যই কালকের (আজকের) ম্যাচে জিততে চাই। নেপালও তা চাইবে। তবে আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি হলো ফাইনাল। কারণ সবাই চায় শিরোপা জিততে। পুরো দেশবাসী যখন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছে তখন আমরা আশাকরছি ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরতে পারবো।’

 


ক্লোজ ডোরে অনুশীলন হলেও তা দেখতে উপস্থিত হয়েছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন, সহ-সভাপতি মো. আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক, নির্বাহী সদস্য মাহফুজা আক্তার কিরণ, মো. নূরুল ইসলাম নূরু ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এদিকে শুক্রবার ছিল বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। কাঠমান্ডুতে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করেছেন জাতীয় দলের ফুটবলার ও কর্মকর্তারা। দেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে নেপালস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সঙ্গে দিনটি পালন করেন তারা। হাইকমিশনার সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করেন বাফুফে’র সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ, নির্বাহী সদস্য নূরুল ইসলাম নূরু, জাতীয় দলের ফুটবলার ও কর্মকর্তারা। সকাল সাড়ে ১০টায় হাইকমিশনারের কার্যালয়ে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।আনুষ্ঠানিকতার ম্যাচেও জয় চায় বাংলাদেশ



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ফুটবল


আরও
আরও পড়ুন