Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫, ৮ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

ফারাক্কা বাঁধ : বাংলাদেশ-ভারত উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর

প্রকাশের সময় : ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

জালাল উদ্দিন ওমর
খোদ ভারতেই এবার ফারাক্কা বাঁধের বিরুদ্ধে কথা উঠেছে। ব্যাপারটা অবাক করার মতো হলেও শতভাগ সত্যি। বিহারের তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার গত ২৩ আগস্ট ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে সাক্ষাৎ করে ফারাক্কা বাঁধ স্থায়ীভাবে ভেঙে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং এখনি ফারাক্কা বাঁধের সব গেইট খুলে দেয়ার দাবি জানান। তিনি বিহারের বন্যা পরিস্থিতির জন্য সরাসরি ফারাক্কা বাঁধকে দায়ী করেন। বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভারত সরকার ইতোমধ্যেই ফারাক্কা বাঁধের অধিকাংশ গেইট খুলে দিয়েছে। মোট ১০৪টি গেইটের মধ্যে ৯৫টি গেইটই খুলে দিয়েছে বলে খবরে প্রকাশ। নরেন্দ্র মোদির সাথে সাক্ষাৎ করে নীতিশ কুমারের ফারাক্কা বাঁধ স্থায়ীভাবে ভেঙে দেয়া এবং এখনই ফারাক্কা বাঁধের সব গেইট খুলে দেয়ার দাবি মুহূর্তেই মিডিয়া জগতে ছড়িয়ে পড়ে। এ খবর বাংলাদেশের জনগণের মুখে মুখে আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়। কারণ বাংলাদেশের জনগণের বিরাট একটি অংশ দীর্ঘদিন থেকে ভারত কর্তৃক গঙ্গা নদীর ওপর ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণকে বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর বললেও, অপর অংশ এই অভিযোগকে কখনই গুরুত্ব দেয়নি। বরং ফারাক্কা বাঁধের বিরোধিতাকে ভারত বিরোধিতা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। কিন্তু ফারাক্কা বাঁধ চালুর ৪২ বছর পর আজ স্বয়ং ভারতের রাজনীতিবিদরা যখন ফারাক্কা বাঁধ ভেঙে দেয়া এবং এর গেইটগুলো খুলে দেয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি জানায় এবং সেই দাবি অনুযায়ী সাথে সাথে ভারত সরকার যখন ফারাক্কা বাঁধের গেইটগুলো খুলে দেয়, তখন ফারাক্কা বাঁধ যে একটি ক্ষতিকর প্রকল্প তা বুঝতে আর কারো বাকি থাকার কথা নয়। এর মাধ্যমে ফারাক্কা বাঁধের অপ্রয়োজনীয়তা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। মূলত এই ফারাক্কা বাঁধ ভারত এবং বাংলাদেশ কারো জন্যই লাভজনক প্রজেক্ট নয়। ফারাক্কা বাঁধের কারণে এতদাঞ্চল এতদিন কেবল ক্ষতিগ্রস্তই হয়েছে। এই বাঁধের কারণে বাংলাদেশ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ঠিক তেমনি ভারতও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর দীর্ঘদিন যাবত যারা ফারাক্কা বাঁধের বিরোধিতা করেছিল আজ তাদের দাবির সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। একইভাবে ফারাক্কা বাঁধের বিরোধিতাকে যারা ভারত বিরোধিতা বলে অভিহিত করেছিল, তাদের সেই অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। আজ ফারাক্কা বাঁধের বিরোধিতা করার জন্য আর বাংলাদেশের জনগণের প্রয়োজন নেই। আর ফারাক্কা বাঁধের পক্ষে কথা বলার মতো কোন যুক্তিও এর স্বপক্ষের লোকদের নেই। সুতরাং এখন উচিত ভারত বাংলাদেশের যৌথ কল্যাণের স্বার্থে ফারাক্কা বাঁধকে স্থায়ীভাবে ভেঙে ফেলা। এটাই বাস্তবতা এবং এতেই উভয় দেশের কল্যাণ নিহিত রয়েছে।
কলকাতা বন্দর ছিল, ব্রিটিশ ভারতের সবচেয়ে বড় বন্দর। হুগলি নদী থেকে বয়ে আসা বিপুল পরিমাণ পলি বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করে। নাব্যতা বজায় রাখতে গঙ্গা নদীতে ব্যারাজ নির্মাণ করে বিকল্প খাল দিয়ে গঙ্গার পানিকে হুগলি নদীতে প্রবাহিত করা শুরু হয়। ভারত সরকার ১৯৫১ সালে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করে। ১৯৬১ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৭৪ সালে এসে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ১৯৭৪ সালে ফারাক্কা বাঁধ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়। ফারাক্কা বাঁধের কারণে গঙ্গার স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রিত হয়ে যায়। ফারাক্কা বাঁধ চালুর পর থেকেই এই বাঁধের উজান এবং ভাটিতে অবস্থিত অঞ্চলে পরিবেশ গত বিপর্যয় শুরু হয়। এই বাঁধের উজানে বিস্তীর্ণ এলাকায় পলি জমার কারণে প্রতি বছর বন্যা হয় আর ভাটির অঞ্চলে পানির অভাবে খরা হয়। পশ্চিম বঙ্গের মালদহ এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় ব্যাপক নদীভাঙন হয় এবং বিশাল জনগোষ্ঠী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিহার প্রদেশে প্রতি বছরই ব্যাপক বন্যা হয়। বছরের পর বছর ধরেই এ অবস্থা চলে আসছে। আর ভাটিতে অবস্থিত বাংলাদেশের রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে পানির অভাবে পরিবেশ গত বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। শুস্ক মৌসুমে ফারাক্কা বাঁধের মাধ্যমে ভারত পানি নিয়ন্ত্রণ করার কারণে পদ্মা নদীর বুকে চর আর চর জেগে ওঠে। অপরদিকে বর্ষা মৌসুমে পানি ছেড়ে দেবার কারণে সেই পানিতে বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বন্যা হয়। ১৯৯৬ সালে গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেবগৌড়ার সাথে বাংলাদেশের তৎকালীন ও আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও, ভারত কখনোই চুক্তি অনুযায়ী শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশকে পানি দেয়নি। ফলে ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশের জন্য আজ মহা এক অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশ পর্যাপ্ত পানি না পাবার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রকৃতি, পরিবেশ, নদী প্রবাহ, নৌ-যোগাযোগ, কৃষি, মৎস্য, অর্থনীতি এবং মানব বসতি। হাজার হাজার হেক্টর জমিতে ফসল হচ্ছে না। ফলে কৃষকেরা সর্বশান্ত। বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলজুড়ে মরুপ্রক্রিয়া চলছে। এদিকে নদীতে পানি শুকিয়ে যাবার ফলে নদী তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় ভূগর্ভস্ত পানির স্তর ক্রমেই নিচে নেমে যায়। ফলে নলকূপে পানি ওঠে না। পানির অভাবে রাজশাহীর বরেন্দ্র সেচ প্রকল্প আজ ধ্বংসের মুখোমুখি। এ পর্যন্ত শুধুমাত্র ফসল উৎপাদন ব্যাহত হবার ফলে অর্থনীতিতে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ও ভারতে প্রবাহিত ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। যেগুলোর উৎপত্তি ভারতে এবং ভারত হয়ে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়েছে। এই নদীসমূহের পানির ওপর ভারতের মতো বাংলাদেশেরও আইন সংগত এবং ন্যায্য অধিকার রয়েছে। তাই ভারতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে বলেই ভারত কিন্তু তার প্রয়োজন অনুসারে এবং ইচ্ছামত নদীর পানিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এটা অভিন্ন নদীর পানি প্রবাহ বণ্টনের জন্য আন্তর্জাতিক যে আইনকানুন এবং নিয়মনীতি রয়েছে তার সুস্পষ্ট লংঘন। অভিন্ন নদীর পানি ব্যবহারের জন্য আন্তর্জাতিক অনেক নীতিমালা রয়েছে। তার দুটি এখানে উল্লেখ করছি। হেলসিংকি রুল ১৯৬৬ এ বলা হয়েছে, “অভিন্ন নদী বয়ে চলা প্রতিটি দেশকে নদীর পানি এমনভাবে ব্যবহার করতে হবে, যাতে তা অন্য কোনো দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশকে বিঘিœত না করে। এবং তা ক্ষতিগ্রস্ত দেশে কী ক্ষতি বয়ে আনবে তা বিবেচনায় আনতে হবে।” ১৯৯৭ সালের ২১ মে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত ইউএন কনভেনশনের ৫নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “সর্বোচ্চ টেকসই ব্যবহারও উপকারের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে পানিপ্রবাহ পর্যাপ্ত সংরক্ষণ নিশ্চিত করে অভিন্ন নদীপ্রবাহের দেশগুলো ন্যায্যও যৌক্তিক উপায়ে পানি ব্যবহার করবে। এতে আরো বলা হয়েছে- পানি প্রবাহের দেশগুলো আন্তর্জাতিক পানি প্রবাহ ব্যবহার, উন্নয়ন ও সংরক্ষণের কাজে ন্যায্য ও যৌক্তিকতার ভিত্তিতে অংশ নেবে।” অথচ ভারত সরকার ইচ্ছামত অভিন্ন নদীর পানিকে ব্যবহার করছে। ভারত সরকার কর্র্তৃক ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ এবং এই বাঁধের মাধ্যমে অভিন্ন নদীর পানি নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক এসব নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের পর থেকেই আজ অবধি বাংলাদেশের জনগণের বিরাট একটি অংশ এই ফারাক্কা বাঁধের বিরুদ্ধে কথা বলেছে এবং আন্দোলন করেছে। তারা ফারাক্কা বাঁধকে বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর অভিহিত করে এই বাঁধকে চিরতরে ভেঙে দেয়ার দাবি জানিয়েছে। মরহুম জননেতা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই ফারাক্কা বাঁধের বিরুদ্ধে লংমার্চ করেছিলেন। ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মওলানা ভাসানী এই ফারাক্কা লং মার্চ করেছিলেন। আজ সেই লং মার্চের ৪০ বছর পর এসে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার যখন কেন্দ্র্রীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে সাক্ষাৎ করে বিহারের বন্যার জন্য ফারাক্কা বাঁধকে দায়ী করে ফারাক্কা বাঁধের গেইটগুলো খুলে দেয়ার দাবি তোলে এবং নীতিশ কুমারের বক্তব্যের সাথে কোন ধরনের দ্বিমত পোষণ না করে ভারত সরকার যখন ফারাক্কার বাঁধের গেইটগুলো খুলে দেয়, তখনই ফারাক্কা বাঁধের অপ্রয়োজনীয়তা প্রমাণিত হয়ে গেছে। মজার বিষয় হচ্ছে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের ফারাক্কা বাঁধ বিরোধী কর্মসূচির কেউ সমালোচনা করেনি। সুতরাং ফারাক্কা বাঁধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি জনগণের আন্দোলনের যৌক্তিকতা এবং অপরিহার্যতা আজ প্রমাণিত হলো।
এই মহাবিশে^র কোনো কিছুই মানুষের হাতে সৃষ্ট নয়। মানুষের বসবাসের এই পৃথিবীটাও মানুষের হাতে সৃষ্ট নয়। সুর্য, চন্দ্র, নক্ষত্র, আকাশ-বাতাস, অক্সিজেন, আলো, পানি- কোনটাই মানুষের হাতে সৃষ্ট নয়। একইভাবে এই পৃথিবীতে মানুষের জীবন ধারনের জন্য প্রয়োজনীয় হাজারো উপকরণের কোনটাই মানুষের হাতে সৃষ্ট নয়। ভূখ-ে বসবাসরত হাজারো প্রাণী, আকাশে উড়ে বেড়োনো হাজারো পাখি আর পানিতে বসবাসরত হাজারো মাছের কোনটাই মানুষের হাতে সৃষ্ট নয়। একইভাবে ভূখ-ের মাটি ভেদ করে আকাশের দিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা হাজারো গাছপালার কোনটই মানুষের হাতে সৃষ্ট নয়। একইভাবে এই পৃথিবীতে বিদ্যমান হাজারো পাহাড়-পর্বত, নদ-নদী এবং সাগর-মহাসাগরের কোনটাই মানুষের হাতে সৃষ্ট নয়। হিমালয় কিংবা আল্পস পর্বতের চূড়া আর প্রশান্ত কিংবা আটলান্টিক মহাসাগরের অথৈই জলরাশির কোনটাই মানুষের হাতে সৃষ্ট নয়। আবার পাহাড়-পর্বতসমূহের অবস্থান, নদ-নদীসমূহের উৎপত্তি, এর গতি প্রকৃতি এবং সাগর-মহাসাগরের সীমা-পরিসীমার কোনটাই মানুষের হাতে সৃষ্ট নয়। আবার এসবের জন্ম কখন, কেন এবং কিভাবে হলো এবং এসবের ভবিষ্যৎ পরিণতিই বা কি তাও মানুষ জানে না। কারণ এসবই ¯্রষ্টার সৃষ্টি এবং তিনি এসবের নিয়ন্ত্রণকর্তা। মানুষ স্বীকার করুক আর নাই করুক এটাই সত্য এবং এটাই বাস্তবতা। তাই ¯্রষ্টার হাতে সৃষ্ট কোন নদীর গতিপথকে যদি মানুষেরা গায়ের জোড়ে বদলাতে চায়, তাহলে তাতে মানুষের জন্য কোন কল্যাণ নেই বরং অকল্যাণই নিহিত আছে। কারণ মানুষের কল্যাণের জন্যই তো ¯্রষ্টা একেক নদীর একেক গতিপথ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং মানুষ যদি অজ্ঞতা এবং অহঙ্কার বশত কোন নদীর গতিপথের স্বাভাবিক প্রবাহে বাঁধ নির্মাণ করে এবং সেই বাঁধের মাধ্যমে পানিকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে তা মানুষের জীবনে কল্যাণের পরিবর্তে অকল্যাণই বয়ে আনে। ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ৪২ বছর পর আজ যখন ভারতেরই একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ফারাক্কা বাঁধকে অকল্যাণকর আখ্যায়িত করে এর গেইটসমূহ খুলে দেয়ার দাবি জানায় এবং সেই দাবির সাথে একমত হয়ে ভারত সরকার যখন সাথে সাথেই ফারাক্কা বাঁধের গেইটসমূহ খুলে দেয়, তখন ¯্রষ্টার সৃষ্ট গঙ্গা নদীতে মানুষের সৃষ্ট বাঁধ যে ক্ষতিকর তা সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হয়। সুতরাং আসুন ¯্রষ্টার সৃষ্ট এই পৃথিবীর নদ-নদীসমূহকে স্বাভাবিক ভাবে প্রবাহিত হতে দিই। আর ভারত বাংলাদেশের কল্যাণের স্বাথেই ফারাক্কা বাঁধকে চিরতরে ভেঙে দিই এবং অন্য নদীর ওপর নতুন কোন বাঁধ নির্মাণ হতে বিরত হই। কারণ নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ সাগরে মিলনের মধ্যেই কল্যাণ, অন্য কোথাও নয়।
য় লেখক : প্রকৌশলী ও কলামিস্ট
ড়সধৎথপঃম১২৩@ুধযড়ড়.পড়স



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ