Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ০৯ বৈশাখ ১৪২৮, ০৯ রমজান ১৪৪২ হিজরী

আমি বিবাহিত, আমার স্ত্রী এবং একটি ছেলে সন্তান আছে, আমার বাবা জীবিত আছেন এমতাবস্থায় আমি যদি মারা যাই, তাহলে আমার স্ত্রী-সন্তান কি আমার বাবার সম্পদের কোন ভাগ পাবে কিনা আর যদি পায় তো কতটুকু?

মো. হেমায়েত
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ৫ এপ্রিল, ২০২১, ৭:৩৬ পিএম

উত্তর: আপনার বাবা থাকাবস্থায় আপনি মারা গেলে শরীয়তের বিধান অনুযায়ী তারা আপনার বাবার কোনো সম্পত্তি পাবে না। তবে, এক্ষেত্রে তারা যদি নিতে রাজী হয়, তাহলে আপনার বাবা তাদেরকে ওসীয়ত করে অথবা নগদ হেবা করে সম্পত্তি দিতে পারেন। আপনার বাবার সম্পত্তি পাওয়ার উপায় কেবল হেবা কিংবা ওসীয়ত। স্বাভাবিকভাবে তারা উত্তরাধিকারী হয় না। কারণ, এ সম্পদ আপনি না থাকায় আপনার হয় নি।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • ।।শওকত আকবর।। ৬ এপ্রিল, ২০২১, ৩:৩৮ পিএম says : 2
    ১৫ই জুলাই ১৯৬১ সনের উত্তারাধীকার আইন মতে পিতা/মাতার সামনে কোন পুএ বা কন্যা সন্তান লোকান্তর হইলে তাদের পুএ বা কন্যা সন্তান রা উত্তারাধীকার পাবে ঐ পরিমান যাহা তাহাদের পিতা মাতা জীবিত থাকলে পেত।
    Total Reply(0) Reply
  • মো: সাইদুল ইসলাম ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ৪:৪৬ পিএম says : 0
    আমার বাবা মারাগেছেন 2010 সালে আমার দাদা এখনও বেছেআছেন আমরা আমাদের দাদার কিছু জমিতে ফসল করে কাচ্ছি এখন এই জমির ফসল আমাদের জন্যকি হালালনয়।
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Sarfaraj Nawaj ১৬ এপ্রিল, ২০২১, ৪:৪১ এএম says : 1
    দেশের আইন আদালত সম্পর্কে যাদের ধারনা কম তাদের এই ধরনের উত্তর দেওয়ার দরকার নেই।
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Sarfaraj Nawaj ১৬ এপ্রিল, ২০২১, ৪:৪১ এএম says : 1
    দেশের আইন আদালত সম্পর্কে যাদের ধারনা কম তাদের এই ধরনের উত্তর দেওয়ার দরকার নেই।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

মুসলিম উম্মাহর জন্য যাকাত অন্যতম ফরজ একটি বিধান। এটিকে যাকাতদাতার সম্পদের উপর এক ধরনের কর বা ট্যাক্স বলা যায়। এ কারণে অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন, আমরা যেহেতু আমাদের সম্পদের উপরে সরকারকে রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত ট্যাক্স বা কর প্রদান করেই থাকি, সুতরাং এমতাবস্থায় কেন আবার আলাদা করে যাকাত দিতে হবে? ইসলামের প্রাথমিক যুগে ইসালমিক খেলাফত আমলে রাজস্ব আদায় করা হত যাকাতের মাধ্যমে, পক্ষান্তরে বর্তমান যুগে সরকার রেভিনিউ আয় করে ট্যাক্স আদায়ের মাধ্যমে। যদি তাই হয়, তাহলে আবার আলাদা করে কেন যাকাত দিতে হবে?

উত্তর : এ প্রশ্নটি অবান্তর। কারণ, কোনো দেশে যদি যোগব্যায়াম বা শরীরচর্চা বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে মুসলমানরা কি এরপর আর নামাজ পড়বে না? সুতরাং রেভিনিউ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ