Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ আশ্বিন ১৪২৮, ২০ সফর ১৪৪৩ হিজরী

সরকারি কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা

আদমদীঘি (বগুড়া) উপজেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ৮ এপ্রিল, ২০২১, ১২:০৩ এএম

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সহকারি কমিশনারের (ভ‚মি) নাম ভাঙিয়ে উপজেলা সদরের কয়েকটি হোটেলে চাঁদাবাজির চেষ্টা করা হয়েছে । মুঠোফোনে উপজেলা সদর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পংকজ সরকারের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা নেয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে বিষয়টি প্রতারণা জানতে পেরে ইউপি সদস্য পংকজ সরকার সহকারি কমিশনার (ভ‚মি) মাহবুবা হক ও পুলিশকে অবহিত করেন ।

জানাযায়, গত বৃস্পতিবার উপজেলা সদর ইউনিয়ন পরিষদের তিন নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পংকজ সরকারের মুঠোফোনে এক ব্যক্তি ফোন করেন। তিনি নিজেকে আদমদীঘি এসিল্যান্ড কার্যালয়ের কর্মচারী বলে পরিচয় দেন। ওই প্রতারক পংকজ সরকারকে বলেন, উপজেলার সদরের মজনু মিয়া, জনা ঘোষ, অজিত ঘোষ ও সুবল ঘোষের মিষ্টি ও দইয়ের দোকানে যে কোন সময় এসিল্যন্ড ভ্রাম্যামাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করবেন। প্রতারক বলেন, আমার মাধ্যমে টাকা দিলে স্যার আর অভিযান চালাবেন না। প্রতারক ওই সকল দোকান মালিকদের সাথে কথা বলে দেয়ার জন্য পংকজ সরকারকে বলেন। পংকজ সরকার এসিল্যান্ডের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ না করে দোকানীদের সাথে ওই প্রতারকের কথা বলিয়ে দেন। পরে এ বিষয়ে দোকানী মজনু মিয়ার সাথে প্রতারকের কথা হলে মজনু মিয়া কোন টাকা দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। একই ভাবে ইউপি সদস্য পংকজ সরকার অন্যান্য দোকানীদের সাথে প্রতারকের কথা বলিয়ে দেন।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজনি হওয়ার পর পংকজ সরকার বিষয়টি এ্যসিল্যান্ড ও থানার ওসিকে বিষয়টি জানান। পংকজ সরকার বলেন, প্রথমে আমি বিষয়টি বুঝতে পারেনি পরে জানতে পেরে প্রশাসনকে অবহিত করেছি। এ ব্যাপারে উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভ‚মি) মাহবুবা হক বলেন, বিষয়টি পিবিআইকে জানানো হয়েছে এবং ইউপি সদস্যকে থানায় জিডি করতে বলা হয়েছে। আদমদীঘি থানার ওসি জালাল উদ্দীন বলেন, বিষয়টি তাকে জানানো হলেও এ বিষয়ে থানায় কোন জিডি দায়ের হয়নি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চাঁদাবাজি


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ