Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯, ০৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৯ যিলক্বদ ১৪৪০ হিজরী।

কোরবানির পশুর গাড়িতে চাঁদাবাজি বন্ধে জিরো টলারেন্স দেখাবে প্রশাসন-আইজিপি

প্রকাশের সময় : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার : আইজিপি একেএম শহীদুল হক বলেছেন, কোরবানির পশুর গাড়িতে চাঁদাবাজি বন্ধে জিরো টলারেন্স দেখাবে প্রশাসন। চাঁদাবাজি বন্ধে প্রত্যেক জেলার পুলিশ সুপারকে (এসপি) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চাঁদাবাজ সে যেই হোক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। চাঁদাবাজি রোধ এবং ঈদে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সার্বক্ষণিক কাজ করছে। রেল, বাস স্টেশন ও লঞ্চ টার্মিনালে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকালে রাজধানীর গাতলীর পশুর হাট ও টার্মিনালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘুরে দেখে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
আইজিপি বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত পশুর গাড়িতে চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ পাইনি। তারপরও সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পেলে বা গণমাধ্যমে এমন খবর প্রকাশ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে লঞ্চ চলাচল করতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন আইজিপি একেএম শহীদুল হক। একই সঙ্গে যাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি নিরাপত্তার ব্যাপারে যাত্রীদেরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন। গতকাল সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
আইজিপি বলেন, মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের সময় ঘরমুখো মানুষের ভিড় হয়। এসময় যাত্রী চলাচল বেড়ে যায়। যাত্রীদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছা পর্যন্ত নিরাপত্তা দিচ্ছে পুলিশ। তিনি বলেন, জানামতে এবার কোনো ধরনের ফিটনেসহীন লঞ্চ চলাচল করছে না। খালি চোখে সব লঞ্চ ঠিক বলেই মনে হচ্ছে। তবে ইঞ্জিনের বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি কোনো লঞ্চের ফিটনেসবিহীনতা ধরা পড়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন নৌ ম্যাজিট্রেট।
এর আগে তিনি লঞ্চের যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। কামরুল ইসলাম নামের এক যাত্রী লঞ্চের বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, লঞ্চের নিজস্ব ও বাইরের কিছু লোক ডেকে আগে থেকে চাদর বিছিয়ে রাখে। পরে সেখানে অবস্থান নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় ভাড়া আদায় করা হয়। এছাড়া লঞ্চের নারী যাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনেন আইজিপি। যাত্রীদের অভিযোগ শুনে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের লালবাগ জোনের ডিসি ইব্রাহিম খানকে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন তিনি। অজ্ঞান ও মলম পার্টি, পকেটমার ও ছিনতাইকারীদের কবল থেকে রক্ষা পেতে যাত্রীদের নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়ানোসহ পুলিশের সার্বিক নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করার জন্য নির্দেশ দেন আইজিপি। পরে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করেন তিনি।
নৌপুলিশের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার শাহাবুদ্দিন কোরেইশী, অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মুহাম্মদ মারুফ হাসান, জাহাজ মালিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা গোলাম কিবরিয়া টিপু, বিআইডবিউটিএ’র যুগ্ম পরিচালক জয়নাল আবেদিন, রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. শামসুদ্দিন, রেলওয়ে ডিভিশনাল ম্যানেজার মো. মাহবুবুল আলম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ