Inqilab Logo

শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৮ মাঘ ১৪২৮, ১৮ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

আমার স্বামী বিমান বাহিনীর অফিসার। ৫ মাসের একটা ট্রেইনিংএ উনি শ্রীলঙ্কাতে একটি নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করছেন। আগামী কিছুদিনের মধ্যে ট্রেইনিং এর অংশ হিসেবে উনাকে ৭০ কিলোমিটারের ভেতরে আরেকটি উষ্ণ বালুময় অঞ্চলে সাত দিনের জন্য অবস্থান করতে হবে। যা উনার জন্য খুবই কষ্টসাধ্য হবে। এই ট্রেনিং এ উনি একমাত্র মুসলমান অফিসার। এই অবস্থায় ওনার জন্য রোজা কি ফরজ?

মৌসুমি শিকদার
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ১৭ এপ্রিল, ২০২১, ৫:৫৪ পিএম

উত্তর : শ্রীলঙ্কা গিয়ে যেহেতু তিনি নিয়ত করে ছয় মাস যাবত আছেন, অতএব তিনি আর মুসাফির নন। কিন্তু বর্তমানে যেখানে যেতে চান তার দূরত্ব হিসাবে তিনি মুসাফির হন না। অবস্থানকাল হিসাবে যদিও এটি মুসাফিরির মধ্যে পড়ে। এখানে সম্ভব হলে তার রোজা রাখতে হবে। প্রথমদিন রোজা রেখে তিনি দেখবেন, যদি জীবন চলে যাওয়ার উপক্রম না হয়, তাহলে রোজা ছাড়বেন না। চরম কষ্ট কিংবা প্রাণহানির আশংকা হলে তিনি তখন রোজা ছেড়ে দিবেন। প্রতিদিনই এভাবে রোজা রাখতে হবে। চেষ্টা না করে রোজা ছাড়া যাবে না। যে ক’টি পারেন রেখে দিবেন, না পারলে তখন সেটি ছেড়ে দিবেন। অন্য সময় শুধু কাযা করে নিবেন।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

 

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • Mujibur Rahman ১৭ এপ্রিল, ২০২১, ৭:২৯ পিএম says : 0
    যোহর আসরে নীরব তেলাওয়াতে নামাজ পড়লেও বিভিন্ন স্হানে মাইকে তেলাওয়াত প্রচারিত হয় টিভি রেডিও অনুষ্ঠান শুরুতে তেলাওয়াত হয়! দিনের বেলার নামাজে তেলাওয়াত নিষেধের সাথে অমিল কেন?
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বিমান বাহিনী


আরও
আরও পড়ুন

আমার এক নিকটাত্মীয় মদ-গাঁজা সেবন করত। স্বামী-স্ত্রী প্রায় সময়মই ঝগড়া হতো, স্বামী তার স্ত্রীর গায়ে অনেক সময় হাত তুলত। স্ত্রীও খুব বেশী একটা ছাড় দিত না। আবার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অন্য পুরুষের সাথে দীর্ঘ দিন রাতে-বিরাতে গোপন ফোনালাপের অভিযোগ ছিল। তাদের দুই ছেলে আছে। স্বামী তার স্ত্রীর নামে ব্যাংক একাউন্টে ১৫-১৮ লাখ টাকার সম্পদ রেখেছিল। স্ত্রী বাপের বাড়ি গিয়ে সেগুলো হাত করে নেয় এবং নেশাখোর স্বামীর সংসার করবেনা বলে জানায়। এ অবস্থায় কয়েকটি ব্যর্থ আলোচনা বা বৈঠক হয়। প্রায় এক বছরের বেশী সময় পর স্ত্রী ওই স্বামীকে এক উকিলের মাধ্যমে ডাকযোগে ডিভোর্সলেটার পাঠায়। স্বামী বলে সে ওই লেটার রিসিভ ও সাইন করেনি। এর প্রায় এক বছর পর তার স্ত্রী ওই গোপন ফোনালাপের অভিযুক্ত ব্যক্তিকেই বিয়ে করে। প্রশ্ন হলো স্ত্রীর এ তালাক ও পরবর্তী বিয়ে ইসলামের বিধান মতে সঠিক ভাবে হয়েছে কি না? আর না হলে এখন করনীয় কি?

উত্তর : দেশের আইন অনুযায়ী এই তালাক হয়ে গেছে। পরবর্তী বিবাহও শুদ্ধ হয়েছে। আগে যেই ফোনালাপ বা দেখা সাক্ষাৎ করতো, একথাটি প্রমাণ করার জন্য শরীয়তসম্মত

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ