Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ২৩ বৈশাখ ১৪২৮, ২৩ রমজান ১৪৪২ হিজরী

আমার স্বামী বিমান বাহিনীর অফিসার। ৫ মাসের একটা ট্রেইনিংএ উনি শ্রীলঙ্কাতে একটি নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করছেন। আগামী কিছুদিনের মধ্যে ট্রেইনিং এর অংশ হিসেবে উনাকে ৭০ কিলোমিটারের ভেতরে আরেকটি উষ্ণ বালুময় অঞ্চলে সাত দিনের জন্য অবস্থান করতে হবে। যা উনার জন্য খুবই কষ্টসাধ্য হবে। এই ট্রেনিং এ উনি একমাত্র মুসলমান অফিসার। এই অবস্থায় ওনার জন্য রোজা কি ফরজ?

মৌসুমি শিকদার
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ১৭ এপ্রিল, ২০২১, ৫:৫৪ পিএম

উত্তর : শ্রীলঙ্কা গিয়ে যেহেতু তিনি নিয়ত করে ছয় মাস যাবত আছেন, অতএব তিনি আর মুসাফির নন। কিন্তু বর্তমানে যেখানে যেতে চান তার দূরত্ব হিসাবে তিনি মুসাফির হন না। অবস্থানকাল হিসাবে যদিও এটি মুসাফিরির মধ্যে পড়ে। এখানে সম্ভব হলে তার রোজা রাখতে হবে। প্রথমদিন রোজা রেখে তিনি দেখবেন, যদি জীবন চলে যাওয়ার উপক্রম না হয়, তাহলে রোজা ছাড়বেন না। চরম কষ্ট কিংবা প্রাণহানির আশংকা হলে তিনি তখন রোজা ছেড়ে দিবেন। প্রতিদিনই এভাবে রোজা রাখতে হবে। চেষ্টা না করে রোজা ছাড়া যাবে না। যে ক’টি পারেন রেখে দিবেন, না পারলে তখন সেটি ছেড়ে দিবেন। অন্য সময় শুধু কাযা করে নিবেন।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।
প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।
[email protected]

 

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • Mujibur Rahman ১৭ এপ্রিল, ২০২১, ৭:২৯ পিএম says : 0
    যোহর আসরে নীরব তেলাওয়াতে নামাজ পড়লেও বিভিন্ন স্হানে মাইকে তেলাওয়াত প্রচারিত হয় টিভি রেডিও অনুষ্ঠান শুরুতে তেলাওয়াত হয়! দিনের বেলার নামাজে তেলাওয়াত নিষেধের সাথে অমিল কেন?
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বিমান বাহিনী


আরও
আরও পড়ুন

আমার হাসব্যান্ড সব সময় প্রতিজ্ঞা করে, এমন কি কোরান ছুয়ে, যে সে আর কারো সাথে কোন সম্পর্কে জড়াবে না। কিন্তু কিছুদিন পরে আবার সেটা ভেঙে ফেলে। আমি তার বিরুদ্ধে যে প্রমান পেয়েছি তা হল তাদের চিঠি, চ্যাট, ইমেইল, ছবি। আর আমাকে বলে এটা ভুলে যেতে তাকে মাফ করে দিতে। সে বলে এটা তার পাপ সে সাজা পাবে আল্লাহর কাছে। আমি সব ভুলে মাফ করে সংসার করে যাচ্ছি এখন আর পারছি না। বারবার ধরা পরে প্রমাণসহ। সে অনেক বাইরের দেশে যায় কাজের কারণে, তাই আমার জানা সম্ভব না তারা ওখানে কি করছে। আমি অনেক অশান্তিতে আছি? আমার কি করা উচিত?

উত্তর : আপনি ধৈর্যসহকারে আপনার সংসারে থাকুন। স্বামীর ব্যাপারে সন্দেহ কিংবা অনুসন্ধান করবেন না। প্রমাণ বা আলামত পেলেও এসবে মনোযোগ দিবেন না। সবকিছু দেখেও না

আমাদের এলাকায় মসজিদ সংলগ্ন একটি মাঠ ছিল, সেই মাঠে আমরা ঈদের নামাজ পড়তাম। কিন্তুুু মসজিদ বড় করার কারণে মাঠের জায়গা অনেকটা ছোট হয়ে গেছে। আমরা মাঠের জায়গা ক্রয় করতে চেয়েছিলাম কিন্তু সেভাবে জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই আমরা এখন একটু বিপাকে পড়েছি। এলাকার লোকজনের কথা হলো তারা মসজিদে ঈদের নামাজ পড়বে। আশেপাশের এলাকায় ঈদগাহ আছে। তরপরও নিজ এলাকায় ঈদের আমেজ ভিন্ন। তাই আমি এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জানতে চাই, এ অবস্থায় ঈদের জামাত আমাদের মসজিদে আদায়ের ব্যাপারে শরীয়াহ কি বলে?

উত্তর : ঈদের নামাজ মসজিদেও সহীহ হয়। তাছাড়া মসজিদ সংলগ্ন মাঠের অংশবিশেষ এখনো আছে। ঈদের নামাজ মাঠে গিয়ে পড়া আলাদা একটি সুন্নাত। তবে, বর্তমানে মাঠের

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ