Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ০৩ ভাদ্র ১৪২৬, ১৬ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

চালু-বন্ধের মধ্য দিয়েই চলছে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট

প্রকাশের সময় : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি রুটে ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার
ইনকিলাব ডেস্ক : দেশের প্রধান দুই ফেরি রুটে যাত্রীদের দুর্ভোগ চরম রূপ নিয়েছে। উভয় রুটেই রয়েছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। দৌলতদিয়ায় ৩নং ঘাটটি বৃহস্পতিবার রাতে চালু হওয়ার পর গতকাল পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে ফের বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া তীব্র ¯্রােতের কারণে ২নং ঘাটে ফেরি ভিড়তে পারছে না।
অপরদিকে শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি রুটে নাব্য সংকটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া এই রুটে চলাচলরত লঞ্চ ও স্পিডবোটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
দৌলতদিয়ার ৩নং ঘাট ফের বন্ধ
নজরুল ইসলাম, রাজবাড়ী ও আরিচা সংবাদদাতা : দুদিন পরই ঈদ। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ নাড়ির টানে ছুটছে বাড়ির পানে। আর এরই মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে চলছে দৌলতদিয়া ঘাটে ভাঙন। এতে ঈদ আনন্দে মহা ভোগান্তি সঙ্গী হয়েছে ঘরমুখো মানুষের। সেইসাথে পশু পরিবহন নিয়ে চরম বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার লাখ লাখ মানুষের ঈদে ঘরে ফেরা ও কোরবানির পশু পরিবহনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট। শনিবার দুপুরে আরেক দফা ভাঙনের শিকার হয়ে দৌলতদিয়া ৩নং ফেরিঘাট ফের বন্ধ হয়ে গেছে। তীব্র ¯্রােতের কারণে ফেরি ভিড়তে পারছে না ২নং ঘাটে। বর্তমানে দৌলতদিয়ার ১নং ও ৪নং ঘাট দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। বেশ কিছুদিন ধরে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে দৌলতদিয়ার ফেরিঘাটগুলো একের পর এক নদীতে বিলীন হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত ফেরিঘাটগুলো মেরামত করা হলেও তা খুব বেশি সময় স্থায়ী হচ্ছে না। এতে করে দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে গোয়ালন্দ ফিডমিল পর্যন্ত অন্তত ৬ কিলোমিটারজুড়ে যানবাহন আটকে পরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে অন্তত সহ¯্রাধিক যাত্রীবাহী বাস ও কোরবানির পশুবাহী ট্রাক আটকা পড়েছে।
দীর্ঘ সময় সিরিয়ালে আটকে থাকায় ফেরি পারাপারের বেশির ভাগ পরিবহন তাদের যাত্রীদের ফেরিতে নদী পার করে দৌলতদিয়া প্রান্তে নিয়ে আসছে। যাত্রীদের বলা হচ্ছে, ওপার থেকে বিকল্প বাসে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দেয়া হবে। কিন্তু দৌলতদিয়ায় এসে তারা বিকল্প কোনো বাস পাচ্ছে না। কারণ তাদের যে বাসের সাথে চুক্তি হয়েছে হয়ত সে বাস সিরিয়ালে ঘাট থেকে অনেক দূরে পড়ে আছে। অপরদিকে অতিরিক্ত ভিড়ের মধ্যে তাদের সুপারভাইজারকেও হারিয়ে ফেলার ঘটনা ঘটছে অহরহ। এসকল যাত্রী ঘাটে এসে চরম বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। এ অবস্থায় অনেক যাত্রীকে কান্নাকাটি পর্যন্ত করতে দেখা যায়।
ঢাকা থেকে সাতক্ষীরাগামী সাতক্ষীরা এক্সপ্রেসের যাত্রী কামরুজ্জামান রিন্টু বলেন, ঈদের কয়েকদিন আগে পরিবার সহ ঈদে বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে ফেরি পারাপার এ পরিবহনের টিকিট সংগ্রহ করি। শনিবার ভোরে যাথারীতি ঢাকা থেকে বাসটি ছেড়ে আসে। কিন্তু পাটুরিয়া ঘাটে এসে দীর্ঘ সিরিয়ালে আটকা পরে বাসটি। এরপর সুপারভাইজার যাত্রীদের সাথে কথা বলে এ পাড়ে তাদের গাড়ি আছে বলে ফেরিতে নদী পার করে নিয়ে আসে। ঘাট থেকে অন্তত দেড় কিলোমিটার পায়ে হেঁটে বৃষ্টির মধ্যে দুই ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি। সুপারভাইজার এখন বলছে তাদের বাসটি যানজটে আটকে আছে। কখন আসবে তাও বলতে পারছে না। তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, সারা দেশের এত উন্নয়ন হচ্ছে। সর্বক্ষেত্রে এসেছে পরিবর্তন। কিন্তু এই দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় মানুষের ভোগান্তির কোনো পরিবর্র্তন হলো না।
ফেরি পারাপার যাত্রীবাহী বাস ঘণ্টার পর ঘণ্টা সিরিয়ালে আটকে থাকায় অনেকেই লঞ্চ পারাপার বাসে গন্তব্যে রওনা দিয়েছেন। কিন্তু তারা পড়েছেন আরো বেশি ভোগান্তিতে। এ সমস্ত পরিবহনের যাত্রীদের ঘাট থেকে ৭/৮ কিলোমিটার দূরে মহাসড়কে নামিয়ে দেয়া হচ্ছে। তাদেরকে এ দীর্ঘ পথ ব্যাগ-বোঝা নিয়ে পায়ে হেঁটে ঘাটে পৌঁছাতে হচ্ছে। এ সুযোগে স্থানীয় অটোরিক্সা, নসিমন, থ্রিহুইলার এ ৭/৮ কিলোমিটার পথের জন্য জন প্রতি ১শ’ টাকা করে ভাড়া আদায় করছে। আর যারা এ টাকা দিচ্ছে না তাদেরকে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে ঘাটে পৌছাতে হচ্ছে। এ সকল বাসের যাত্রীরা অভিযোগ করেন, বাস ঘাট পর্যন্ত আসার কথা থাকলেও দীর্ঘ যানজটের কারণে তাদের নামিয়ে দেয়া হয়েছে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে ব্যাগ, বোঝা ও বাচ্চাদেরকে বয়ে যেতে হচ্ছে ঘাটে।
ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চ পারাপার সাউদিয়া পরিবহনের যাত্রী সরাফত আলী, ইজাজ আহমেদ, রফিকুল ইসলামসহ অনেকেই জানান, ফেরিতে দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে লঞ্চ পারাপার বাসে রওনা দিয়েছি। কিন্তু লঞ্চে পার হয়ে এসে দুই ঘণ্টা হলো দাঁড়িয়ে আছি। বাসের কোনো খবর নেই। বাসের সুপারভাইজারকেও এখন খুঁজে পাচ্ছি না। শুনেছি ৫/৬ কিলোমিটার দূরে আমাদের বাস সিরিয়ালে আটকে আছে।
বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা ১৭টি গরুবোঝাই ট্র্রাক চালক আজিম মন্ডল জানান, সকাল ৬টায় ঘাটে এসেছি। দুপুর ৩টা বাজলেও এখনো ঘাট থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দুরে রয়েছি। কখন ফেরিতে উঠতে পারবো কেউ বলতে পারছে না। গরুর সাথে রাখাল নজরুল ইসলাম জানান, সারাদিন রোদে থেকে কয়েকটি গরু অসুস্থ হয়ে গেছে। তারা কয়েকজন হাত পাখা দিয়ে গরুগুলোকে অনবরত বাতাস দিয়ে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মীর্জা আবুল কালাম আজাদ বলেন, গত কয়েকদিন লঞ্চ পারাপার বাসগুলো টার্মিনাল পর্যন্ত প্রবেশের অনুমতি দিলেও এখন দেয়া হচ্ছে না। কারণ সিরিয়াল ফোরলেন সড়ক ছাড়িয়ে চলে গেছে। ওখান থেকে লঞ্চ পারাপার বাস প্রবেশের অনুমতি দিলে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়ে ফেরি থেকে আনলোড হওয়া যানবাহনগুলো স্বাভাবিকভাবে বের হতে পারবে না।
স্থানীয় বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া অফিস সূত্র জানায়, সবকটি ঘাট অনেকটা নাম মাত্র চালু হয়েছিল। গতকাল ২নং ফেরিঘাটটি চালুর পর তীব্র ¯্রােতের কারণে সেখানে ফেরি ভেড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া ৩নং ফেরি ঘাটটি ফের শনিবার দুপুর ১২টায় নদীভাঙনের কবলে পড়ে বন্ধ হয়ে যায়। ৪নং ফেরি ঘাটেরও দুটি পকেট দিয়ে যানবাহন ওঠানামা করতে পারছে। ফলে কার্যত মাত্র দু’টি ঘাট দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।
বিআইডব্লিটিএ’র আরিচা অঞ্চলের সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম জানান, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দৌলতদিয়ার সবকটি ঘাট চালু রাখতে তারা সারক্ষণ কাজ করে যাচ্ছেন। প্রকৃতির কাছে তারা অসহায় হয়ে পড়ছেন।
গুরুত্বপূর্ণ এ সময় ঘাট পরিস্থিতি সরেজমিন পরিদর্শন করতে শনিবার বেলা ৩টার দিকে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান দৌলতদিয়া ঘাটে আসেন। এসময় তিনি ভাঙন এলাকায় নতুন করে জিও ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেন এবং ঘাট পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকল ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে আশ^াস প্রদান করেন। দৌলতদিয়া ঘাটে কর্মরত বিআইডব্লিউটিসি’র ম্যানেজার সফিকুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। রুটে ১৬টি ফেরি যানবাহন পারাপার করছে। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে গরুবাহী ট্রাকগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করা হচ্ছে। এতে যাত্রীবাহী বাস ও অন্যান্য যানবাহন সিরিয়ালে আটকা পড়ছে।
শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি রুটে বাড়তি ভাড়া আদায়
মাদারীপুর জেলা ও শিবচর সংবাদদাতা : ঈদুল আজহা উপলক্ষে তৃতীয় দিনের মতো দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার ঘরমুখো যাত্রীদের ঢল নেমেছে শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে। লঞ্চ, ফেরি, স্পিডবোটসহ সকল প্রকার নৌযান ও যানবাহনে ছিল যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। লঞ্চগুলো অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে উত্তাল পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে। শিমুলিয়া ফেরিঘাটে দক্ষিণাঞ্চলের যানবাহনের দীর্ঘ লাইনের সাথে কাওড়াকান্দি ঘাটেও গরুবাহী ট্রাকসহ যানবাহনের দীর্ঘ লাইন রয়েছে। নাব্যতা সংকটে ফেরি পারাপার বিঘিœত ও ধারণক্ষমতার কম যানবাহন নিয়ে ফেরি চলাচল করায় সংকট আরো বাড়ছে। কাওড়াকান্দি থেকে লোকাল বাসগুলো দুরপাল্লায় চলাচল করায় যাত্রী দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। স্পিডবোট ও দক্ষিণাঞ্চলগামী সকল যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করায় যাত্রীরা দুর্ভোগের শিকার হন। এদিকে কাওড়াকান্দিঘাটে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করায় ঘাটে এখন সুশৃঙ্খল পরিস্থিতি।
সরেজমিনে পরিদর্শন ও বিআইডব্লিউটসিসহ একাধিক সূত্র জানায়, গতকাল শনিবার সকাল থেকে রাজধানী ঢাকার সাথে দক্ষিণাঞ্চলের স্বল্প দূরত্বের এ রুটে লঞ্চ ও স্পিডবোট হয়ে ঘরমুখো যাত্রীদের ঢল নামে। স্পিডবোটগুলো যাত্রী প্রতি দেড়শ’ টাকার ভাড়া দুইশ’ টাকা নিচ্ছে। পদ্মা নদী পার হয়ে কাওড়াকান্দি ঘাটে এসে যাত্রীরা পড়ছেন চরম বিপাকে। কাওড়াকান্দিঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া বাস, মাইক্রোবাসসহ আভ্যন্তরীণ সকল যানবাহন পাল্লা দিয়ে বাড়তি ভাড়া আদায় করছে। যাত্রীদের দ্বিগুণেরও বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে বাড়ি পৌঁছাতে। কাওড়াকান্দি থেকে কালনাঘাটের মাইক্রোবাসগুলো ১৫০ টাকার ভাড়া নিচ্ছে ৫শ’ টাকা, খুলনায় ৬শ’ টাকা, বরিশালে ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকা। কাওড়াকান্দিঘাট থেকে দক্ষিণাঞ্চলে ছেড়ে যাওয়া সকল যানবাহনই নিচ্ছে দ্বিগুণ ভাড়া। এর মধ্যে বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে মাইক্রোবাস ও লোকাল বাসগুলো। লোকাল বাসগুলো আভ্যন্তরীন রুটে চলাচল বন্ধ করে দূরপাল্লায় চলাচল করায় স্বল্পদূরত্বের যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ৫০ টাকার ভাড়া ২০০ টাকা দিয়ে ভাঙ্গা যেতে হচ্ছে লোকাল যাত্রীদের।
ঢাকা থেকে নড়াইলগামী যাত্রী ইয়াসমিন আক্তার বলেন, আগে মাইক্রোবাসে নড়াইলে ভাড়া ছিল দেড়শ টাকা, সেই ভাড়া এখন চাচ্ছে সাতশ’ টাকা। এমন অরাজগতা প্রশাসনও যেন তা দেখছে না। খুলনাগামী রায়হান বলেন, অন্যান্যবার ঘাটে পুলিশ থাকে কিন্তু এবার কোন পুলিশ দেখছি না। তাই যানবাহনগুলো ইচ্ছমতো ভাড়া আদায় করছে। লোকাল কোন গাড়িই পাচ্ছি না তাই বিশ টাকার ভাড়া দেড়শ’ টাকা দিয়ে যাচ্ছি। গরু নিয়ে ঢাকাগামী ফিরোজ মিয়া বলেন, ঘাটে নিয়মমাফিক ফেরি লোড করা হলে আমাদের ভোগান্তি কম হতো। ৩ দিন ধরে গরুর ট্রাক নিয়ে ঘাটে বসে আছি। সকাল ১১টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাওড়াকান্দিঘাটে তীব্র যানজট প্রকট আকার ধারণ করেছে। যাত্রীরা ঘাটে বসে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
এদিকে পদ্মা নদীর নাব্যতা সংকটের কারণে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফেরিগুলো ধারণক্ষমতার কম যানবাহন নিয়ে পদ্মা নদী পারাপার হচ্ছে। নৌ-চ্যানেলের কয়েকটি পয়েন্টে নাব্যতা সংকটে ওয়ানওয়ে হয়ে পরায় ফেরিগুলো পারাপারেও অতিরিক্ত সময় লাগছে। ফলে ঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী পরিবহন, গরুবাহী ও পণ্যবাহী ট্রাকসহ প্রায় ৬ শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। তবে শিবচরের ইউএনও মোঃ ইমরান আহমেদ বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তারা চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট কাজ করছে। ঘাটে সুশৃঙ্খল পরিস্থিতি বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন রয়েছে বলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনসারউদ্দিন বলেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন