Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ৩১ বৈশাখ ১৪২৮, ০১ শাওয়াল ১৪৪২ হিজরী

শিশুবক্তা রফিকুলের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২১ এপ্রিল, ২০২১, ৪:০৮ পিএম

রাজধানীর মতিঝিল থানায় নাশকতা মামলায় ‘শিশুবক্তা’ হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানীর ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

সূত্র জানায়, মতিঝিল থানার মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজনে তাকে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে ভার্চুয়ালি তাকে আদালতে হাজির করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ৭ এপ্রিল রফিকুল ইসলামকে নেত্রকোনা থেকে আটক করে র‌্যাব। রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়া ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
এর আগে মাওলানা রফিকুল ইসলামের সর্বশেষ ফেসবুক পোস্টে লেখেন, আমাকে গুম করার চেষ্টা চলছে। গত ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ এলাকায় রয়েল রিসোর্ট মাওলানা মামুনুল হকসহ এক নারীকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফেসবুক লাইভে এসে মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী মামুনুল হকের সমর্থনে কথা বলেন।

গত ২৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের মোদিবিরোধী মিছিল থেকে তাকে পুলিশি হেফাজতে নিয়েছিল। পরে আবার ছেড়ে দেয়া হয়। ওই দিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন ঘিরে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের একটি মিছিল রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকি এলাকায় শুরু হয়। এতে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। মিছিলটি মতিঝিলে যাওয়ার পর পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় রফিকুল ইসলামকে পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়েছিল। রফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণায়, থাকেন গাজীপুরে। তিনি নেত্রকোণার পশ্চিম বিলাশপুর সাওতুল হেরা মাদরাসার পরিচালক।

 



 

Show all comments
  • প্রবাসী-একজন ২১ এপ্রিল, ২০২১, ৪:১২ পিএম says : 0
    ওহোদের যুদ্ধে অনেক সাহাবী শহীদ হয়েছিলেন; নবী করিম (সাঃ) - নিজেও শত্রুদের তীরের আঘাতে জর্জরিত হয়েছিলেন; কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে স্তব্ধ করা যায়নি; ইসলামের বিজয় মহান আল্লাহই সুনিশ্চিত করেছেন। ফেরাউনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে বিবি আসিয়া (রা:) - পেয়েছিলেন মৃত্যুদণ্ড; কিন্তু তাঁর জন্য জান্নাত সুনিশ্চিত করেছেন মহান আল্লাহ তা'লা অনন্ত কালের জন্য; আর ফেরাউন ও তার বিশাল বাহিনীকে আল্লাহ ধ্বংস করেছেন; পবিত্র কোরানেই এর প্রমান রয়েছে। হে আল্লাহ, জালেমদের অত্যাচার থেকে আপনি আলেমদের হেফাজত করুন।
    Total Reply(0) Reply
  • Jack Ali ২১ এপ্রিল, ২০২১, ৯:২১ পিএম says : 0
    জানো কি বন্ধু ? এ দেশের কিছু শিক্ষিত গরু আছে, বাচার জন্য খায়, না তাহারা খাওয়ার জন্য বাচে। নিজেদের ভাবে মহাপন্ডিত জ্ঞানী ও বুদ্ধিজীবি আসলে মাথায় কিছু নেই, শুধ পচা গোবোরের ঢিবি। মৌলভী দেখলে নাক সিটকায় মোল্লাকে দেখলে জ¦লে। বানরের মতো মুখ ভেংচায়, নানা কটু কথা বলে। ভাবে হায় হায়! হবে কি উপায়! এই মোল্লাদের দলে- প্রগতির যুগে টেনে নিলো হায় দেশ টাকে রসাতলে মোল্লারা নাকি অপয়া, অধম; সমাজের নাকি বোঝা। হাল জামানার বোঝেনা কিছুই কেবলি নামাজ,রোজা। আমি বলি, ‘বাছা, সবুর সবুর এতোটা তো নয় সোজা’। কে কতোটা ভালো-মন্দ বা দোষী এসো শুরু করি খোঁজা। প্রথমে দেখ শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস করে কারা ? আমরা তো দেখি তোমরাই করো, করে নাতো মোল্লারা। পার্কে-বাগানে, এখানে সেখানে ভাঙ্গা বস্তির ফাঁকে গাঁজার আসরে দেখেছো কি বলো কভু কোনো মোল্লাকে? কোন খানে কোনো মদের আড্ডা কিংবা জুয়া খেলাতে তোমাদের কভু দেখা হয়েছে কি কোনো মোল্লার সাথে? হাঁটে বা বাজারে আলিতে গলিতে কিংবা রাস্তার মোড়ে দেখেছো কি কোন মোল্লা কখনো চুরি রাহাজানি করে? সাথে বে-শরম, বেহায়া, বে-লাজ, উদ্ভট নারী নিয়ে- কোনো মোল্লাকি তোমাদের মতো বেড়ায় রিক্সা দিয়ে? রাস্তার পরে মাস্তানী বল মোল্লারা করে কভু ? অযথাই কেনো মোল্লাদেরকে দোষারোপ করো তবু ? তোমারাই বলো- কোনাদিন কোনো অফিসে বা আদালতে কোনো মোল্লাকে পেয়েছো কখনও কারো কাছে ঘুষ খেতে? যত দূর্নীতি, কালো বাজারী বা মাদক চোরাচালান। ক’জন মোল্লা পেয়েছো বলতো হাতে আঙ্গলে গুনে! মাদ্রাসা পড়া শেষ করে তারা কিছু না কিছু তা করে। বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে বসে তো থাকে না ঘরে। কোন যুক্তিতে করো বাহাদুরি, কিসের গরম এতো? তোমরা তো করো দাড়িয়ে পেশাব করো নেড়ী কুকুরের মতো। মুখে বলো শুধু আমরা বাঙালী, আমরা স্বাধীন জাতি। ইংরেজদের গোলামী ছাড়োনী আজো বাপ-দাদা-নাতি। প্যান্টের নিচে শার্ট ইন করে দেখাও পাছার মাপ, দাঁড়ি গোঁফ চেঁছে কচি খোকা সাজো এগারো ছেলের বাপ বাংলার সাথে ইংরেজী মারো দেখাও আধুনিকতা ? বৈশাখ এলে চলো বটমুলে হৃদয়ের আকুলতা। পাঞ্জাবী পরে বাঙালী সাজো মাটির শানকী হাতে। নারী মদ নিয়ে নাচো ইংরেজী নব বর্ষের রাতে। ব্রেক ফাস্ট! লাঞ্চ, ডিনার কতকি শিখেছো নতুন ভাষা। বাড়ীতে গরীব মায়েরা কিষানী বাপেরা গরীব চাষী।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রিমান্ড


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ