Inqilab Logo

রোববার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৮ কার্তিক ১৪২৮, ১৬ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

ঈদ উপলক্ষ্যে ৬অ৯ মডেলের স্মার্ট ফ্রিজ আনলো ওয়ালটন

ফ্রিজের নিয়ন্ত্রণ এবার হাতের মুঠোয়, বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২১ এপ্রিল, ২০২১, ৫:৫৭ পিএম

ঈদ উপলক্ষ্যে নতুন মডেলের স্মার্ট ফ্রিজ বাজারে আনলো দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন। আইওটি (ইন্টারনেট অব থিংকস) বেজড নন-ফ্রস্ট এই স্মার্ট ফ্রিজ বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বসে মোবাইল ফোনে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির এই ফ্রিজ ৫০ শতাংশেরও বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। এই ফ্রিজের আয়োনাইজার সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে জীবাণু ধ্বংস করতেও সক্ষম। আছে ডোর অ্যালার্ম, হিউম্যান ডিটেক্টরসহ অত্যাধুনিক নানা ফিচার। এর ডিজাইনেও রয়েছে আভিজাত্যের ছাপ। ৬অ৯ মডেলের এই ফ্রিজের দাম ৮০ হাজার ৯শ’ টাকা।

জানা গেছে, ফ্রিজে প্রতিদিন বা মাসিক কতটুকু বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে? কত বিল আসছে? ভোল্টেজ লো না হাই? কম্প্রেসার কি ওভারলোডে চলছে? এসব তথ্য জানা যাবে ওয়ালটনের স্মার্ট ফ্রিজে। ঈদের বিশেষ উপহার হিসেবে নতুন মডেলের এই স্মার্ট ফ্রিজ বাজারে ছেড়েছে ওয়ালটন ফ্রিজ গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রকৌশলীরা। তারাই বাংলাদেশে প্রথম বিশ্বের লেটেস্ট প্রযুক্তির স্মার্ট ফ্রিজ তৈরি করেছে। যা কিনা শুধু ওয়ালটনের জন্যই নয়; দেশীয় প্রকৌশলী তথা বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল মাইলফলক।

ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ স্ট্রাকচারাল ডিজাইনের ইনচার্জ মো. সোহেল রানা জানান, স্মার্ট ফ্রিজটি টেম্পারড গøাসের সাইড বাই সাইড ডোর ডিজাইনে তৈরি। এতে রয়েছে আভিজাত্যের ছাপ, মেক্সিমাম স্টোরেজ ক্যাপাসিটি বা বিশাল জায়গা। আছে ডোর অ্যালার্ম, চাইল্ড লক, ইন্টেলিজেন্ট জার্ম প্রোটেকশন বা জীবাণুধ্বংসকারী আয়োনাইজার সিস্টেম, হিউম্যান ডিটেক্টর, ডিজিটাল ডিসপ্লে, থ্রিডি ম্যাট্রিক্স স্পিড অপটিমাইজেশনসহ আরো অনেক অত্যাধুনিক সব ফিচার।

ওয়ালটন ফ্রিজ আরএন্ডডি (গবেষণা ও উন্নয়ন) রেফ্রিজারেশন-ইলেকট্রনিক্স বিভাগের ইনচার্জ প্রকৌশলী আব্দুল মালেক সিকদার বলেন, এর কন্ট্রোল বোর্ডে আইওটি ডিভাইস হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে ওয়াই-ফাই মডিউল। ফলে ওয়াইফাই ইন্টারনেট কানেকশনের আওতায় আসবে এই ফ্রিজ। গ্রাহককে মোবাইল ফোনে ‘ওয়ালটন স্মার্ট অ্যাপ্লায়েন্সেস’ নামে একটি বিশেষ অ্যাপস ইনস্টল করে নিতে হবে। ইন্টারনেট ব্যবহার করে এই বিশেষ অ্যাপস এর ফ্রিজ অপশন সিলেক্ট করে গ্রাহক বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকেই ফ্রিজের সেটিংস নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

তিনি আরো জানান, ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজে আছে এআই বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বেজড থ্রিডি ম্যাট্রিক্স স্পিড অপটিমাইজেশন টেকনোলজি। রয়েছে ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার কম্প্রেসার। এতে ব্যবহৃত হচ্ছে সিএফসি এবং এইচএফসিমুক্ত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব আর৬০০এ রেফ্রিজারেন্ট। ফ্রিজের ভেতরে আছে এলইডি লাইট। বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে ৫০ শতাংশেরও বেশি। নন-ফ্রস্ট হওয়ায় ভেতরের বডিতে কোনো বরফ জমবে না। এছাড়া, আয়োনাইজার প্রযুক্তি থাকায় সংরক্ষিত খাবারের গায়ে কোনো ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের জীবাণু থাকলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে। ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজের দরজা ১ মিনিটের বেশি খোলা থাকলে এর ডোর অ্যালার্ম সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেজে উঠবে।

ওয়ালটন আরএন্ডটি বিভাগের প্রধান তাপস কুমার মজুমদার বলেন, প্রযুক্তি নিয়ে নিয়মিত গবেষণার ধারাবাহিকতায় ওয়ালটন ফ্রিজে সংযোজন করা হলো আইওটি বেজড স্মার্ট প্রযুক্তি। বিএসটিআই নির্ধারিত মানদন্ড ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস ১৮৫০:২০১২’ অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে তৈরি করা হচ্ছে ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ।

ওয়ালটন ফ্রিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনিসুর রহমান মল্লিক জানান, শুধু ওয়ালটন ফ্রিজেই নয়; দেশের বাজারেও স্মার্ট ফ্রিজ এক নতুন সংযোজন। ক্রেতাদের এ ধরণের আরো নতুন নতুন প্রযুক্তি ও ফিচার সমৃদ্ধ পণ্য উপহার দেয়ার এই ধারা অব্যাহত থাকবে। সেই লক্ষ্যে বিশ্বের লেটেস্ট সব প্রযুক্তি নিয়ে প্রতিনিয়ত গবেষণা চালাচ্ছে ওয়ালটন আরএন্ডডি টিমের প্রকৌশলীরা। তার প্রত্যাশা- নতুন ও অত্যাধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ব্যাপক গ্রাহকপ্রিয়তা পাবে।

জানা গেছে, ওয়ালটনের প্রতিটি ফ্রিজ বাংলাদেশ এ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড স্বীকৃত এবং আইএসও সনদপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিকমানের টেস্টিং ল্যাব নাসদাত-ইউটিএস (ঘটঝউঅঞ-টহরাবৎংধষ ঞবংঃরহম খধন) থেকে মান নিয়ন্ত্রণ সনদ পাওয়ার পর বাজারজাত করা হচ্ছে। সর্বোচ্চ গুণগতমানের এই আত্মবিশ্বাসেই ওয়ালটন ফ্রিজে ১ বছরের রিপ্লেসমেন্টসহ কম্প্রেসরে ১২ বছরের গ্যারান্টি সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া খুচরা যন্ত্রাংশে ৪ বছরের ওয়ারেন্টিসহ ৫ বছর পর্যন্ত ফ্রি বিক্রয়োত্তর সেবার সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। আইএসও সনদপ্রাপ্ত ওয়ালটন সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় সারা দেশে বিস্তৃত ৭৬টি সার্ভিস সেন্টারের থেকে গ্রাহকদের দ্রæত বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, ফ্রিজ উৎপাদন ও রপ্তানিতে ইতোমধ্যে ওয়ালটন অর্জন করেছে আইএসও, ওএইচএসএএস, ইএমসি, সিবি, আরওএইচএস, এসএএসও, ইএসএমএ, ইসিএইচএ, জি-মার্ক, ই-মার্ক ইত্যাদি সার্টিফিকেট। ফলে স্থানীয় বাজারে ওয়ালটন ফ্রিজের মার্কেট শেয়ার প্রায় ৭৫ শতাংশ। দেশের সেরা রেফ্রিজারেটর ব্র্যান্ডের মর্যাদাস্বরূপ ওয়ালটন ফ্রিজ সাতবার ‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে। এছাড়া ওয়ালটন ‘সুপার ব্র্যান্ড ২০২০’ খেতাব পাওয়ার পাশাপাশি ২০২১ সালের জন্য ‘সুপারব্র্যান্ড’ এর সম্মাণনা পেয়েছে। দেশের গন্ডী পেরিয়ে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেবেলযুক্ত ওয়ালটনের তৈরি ফ্রিজ এখন রপ্তানি হচ্ছে বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশে। শিগগিরই অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা এবং ইউরোপের বাজারে ফ্রিজ রপ্তানি শুরু করবে বাংলাদেশী এই ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট।

উল্লেখ্য, ওয়ালটন বর্তমানে ১০,৯৯০ টাকা থেকে ৮০,৯০০ টাকার মধ্যে দেড় শতাধিক মডেলের ফ্রস্ট ও নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর, ডিপ ফ্রিজ ও বেভারেজ কুলার উৎপাদন এবং বাজারজাত করছে। এসব ফ্রিজের মধ্যে রয়েছে ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইনভার্টার প্রযুক্তির সাইড বাই সাইড গøাস ডোরের নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর, বিএসটিআই’র সর্বোচ্চ এনার্জি এফিশিয়েন্সি ‘ফাইভ স্টার’ রেটিং প্রাপ্ত রেফ্রিজারেটর। এসব ফ্রিজে ব্যবহৃত হচ্ছে ডিইসিএস টেকনোলজি সমৃদ্ধ থ্যালেটমুক্ত গ্যাসকেট, শতভাগ কপার কনডেনসার, ওয়াইড ভোল্টেজ ডিজাইন। ফলে এসব ফ্রিজে ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। দেশজুড়ে প্রায় ৪০০ টি ওয়ালটন প্লাজাসহ ১৭ হাজারেরও বেশি আউটলেটের মাধ্যমে ওয়ালটন ফ্রিজ পৌঁছে যাচ্ছে দেশের প্রতিটি ঘরে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ওয়ালটন ফ্রিজ


আরও
আরও পড়ুন

ঘরে বসেই হবে আয়কর রিটার্ন ফরম পূরণ

img_img-1635054180

ব্যক্তিগত আয়কর রিটার্ন ফরম এবং সম্পদের হিসাব-নিকাশ এখন অনলাইনে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পূরণ  করা যাবে। ঘরে বসেই করা যাবে আয়কর পরিশোধ এবং রিটার্ন ফাইল দাখিল। বাসায় বসেই নেয়া যাবে আয়কর সংক্রান্ত যেকোনো সেবাও। আয়কর রিটার্ন দাখিল সহজতর করতে ডিজিট্যাক্স নামক এমন একটি ওয়েব অ্যাপলিকেশন নিয়ে এসেছে দেশ ইউনিভার্সেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান। শনিবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)-এর কার্যালয়ে ডিজিট্যাক্সের এ অনলাইন ট্যাক্স অ্যাপলিকেশনটি উদ্বোধন করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (করনীতি) মো. আলমগীর হোসেন। এ সময় পেশাধার হিসাববিদদের সংগঠন দি ইনিস্টিটিউট অফ চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরু, ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একে এম আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন, ডিজিট্যাক্সের পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার রঞ্জু ও ইআরএফ সেক্রেটারি এসএম রাশিদুল ইসলাম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। ডিজিট্যাক্সের মূল ফিচার বর্ননা করে প্রতিষ্ঠানটির টিম মেম্বার সৈয়দা নুসরাত হায়দার বলেন, আমাদের দেশে বিভিন্ন লেভেলের টেক্স পেয়ার রয়েছে, এর মধ্যে অধিকাংশই আয়কর ক্যালকুলেশন এর নিয়মাবলী ও আইন কানুন যথাযথভাবে জানেন না। ফলে সুচারুভাবে রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন না। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট খাতে ইনপুট দিয়ে সহজেই রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন সে ব্যবস্থা নিয়ে এসেছি। আমাদের সিস্টেমে রয়েছে আইন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় আয়কর গণনা পদ্ধতি যাতে করে ব্যবহারকারীরা সহজেই আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন। ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে, বাংলা ভাষায়ও সফটওয়ারটি ব্যবহারের পদ্ধতি রাখা হয়েছে। করদাতা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে রিটার্ন পূরণ করে নিজে আয়কর অফিসে জমা দিতে পারেন অথবা গ্রাহক যদি চান, তবে ডিজিট্যাক্সের পেশাদার আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। ডিজিট্যাক্সের সিস্টেমটি এনবিআরের সাথে ইন্টিগ্রেট করতে পারলে ভবিষ্যতে তাদের মাধ্যমেই করদাতারা অনলাইনে তার রিটার্ন সাবমিট করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সৈয়দা নুসরাত হায়দার। এতে করে মেনুয়াল পেপার বেইজ সাবমিশন প্রয়োজন হবে না এবং সরকারও ডাটা এন্ট্রি ছাড়াই রিয়েল টাইম আপডেট পাবে বলে জানান তিনি। করদাতার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা বিষয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক করদাতার ব্যক্তিগত আইডি ও পাসওয়ার্ড থাকবে। তিনি ছাড়া আর কেউ এ তথ্য দেখতে পাবেন না। করদাতা তার তথ্য সেইভ করে রেখে যেকোনো সময় তা আবার লকইন করে এডিট করতে পারবেন। তিনি বলেন, সরকার একটি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে আয়করের আওতায় আনার জন্য এরইমধ্যে অনেক ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগের সাথে ব্যক্তি পর্যায়ে আমরা কাজ করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। এর অংশ হিসেবে আমরা এই সফটওয়্যার টি ডেভলপ করেছি। ভবিষ্যতে সরকারের সাথে ইন্টিগ্রেটেড হয়ে একসাথে কাজ করতে পারবো এটাই আমাদের লক্ষ। আয়কর আইনজীবিরাও এর মাধ্যমে তাদের ক্লায়েন্টদের কর সেবা দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সৈয়দা নুসরাত হায়দার। অ্যাপলিকেশনটি উদ্ভোধন করে এনবিআর সদস্য আলমগীর হোসেন বলেন, মানুষের মধ্যে কর দেয়ার আগ্রহ তৈরি হয়েছে। করদাতার সংখ্যাও বাড়ছে। এতো বিপুল সংখ্যক করদাতাকে প্রচলিত পদ্ধতিতে করসেবা দেয়া সম্ভব নয়। করদাতাকে সেবা দিতে সব কিছু অনলাইন করা ও রিটার্ন দাখিল স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি করার বিকল্প নেই। এনবিআর অনেক আগেই এ উদ্যোগটি নিয়েছে। অনলাইনের মাধ্যমে রিটার্ন ফরম পূরণ, দাখিল ও পেমেন্ট সিস্টেম চালু করছি। বেসরকারিভাবে ডিজিট্যাক্সের এগিয়ে আসা কর সেবাকে ডিজিটাল করার উদ্যোগ আরো সহজতর হবে। তিনি বলেন, রিটার্ন দাখিল অনলাইন করার পাশাপাশি ১ নভেম্বর থেকে আমরা আয়কর মাস পালন করছি। করাঞ্চলগুলোতে মেলার পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। করদাতারা স্বাচ্ছন্দে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। আইসিএবির প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরু বলেন, আয়কর আইন হলো পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিনতম একটি আইন। এটি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। এ আইন নিয়ে এতো বড় ‍উদ্যোগ নেয়ায় ডিজিট্যাক্স প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি বলেন, ডিজিট্যাক্সের এ উদ্যোগটি করদাতাদের সহায়তা করবে। এর ফলে বিপুল মানুষকে রিটার্ন দাখিলে আগ্রহী করা যাবে। সরকারও রাজস্ব পাবে। এর আগে শুভেচ্ছা বক্তব্যে ডিজিট্যাক্সের এডভাইজার ও দেশ ইউনিভা্র্সেল নির্বাহী পরিচালক মোসারাত নাইমা বলেন, ডিজিট্যাক্স একটি স্বয়ংক্রিয় ট্যাক্স রিটার্ন ফরম পূরণের ওয়েব অ্যাপলিকেশন। রেজিট্রেশন করার পর করদাতা তার আয়ের তথ্য দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর গণনা হয়ে যাবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ