Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৪ আষাঢ় ১৪২৮, ০৬ যিলক্বদ ১৪৪২ হিজরী

আবারও আমদানি চাল বাজারজাতে সময় বৃদ্ধি

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ১২:০০ এএম

চাল আমদানিতে ব্যবসায়ীদের কূটচালের কাছে সরকার আবারও নতি স্বীকার করলো। বেসরকারিভাবে আমদানি করা সব চাল বাজারে আনতে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে। শেষবারের মতো চাল আনার সময় বেধে দিয়ে গত ২৩ এপ্রিল খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে দুটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো সময় বাড়ানো হলো। এর আগে এলসির সব চাল বাজারে আনার জন্য প্রথমে ৩০ মার্চ ও পরে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত সময় বেধে দেয়া হয়। বেধে দেয়া সময় শেষ হয়েছে ২০ এপ্রিল।

চিঠিতে বলা হয়, বেসরকারিভাবে চাল আমদানির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যেসকল আমদানিকারক গত ২৫ মার্চ ও ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এলসি খুলেছেন কিন্তু চাল বাজারজাত করতে পারেননি তাদের এলসি করা সম্পূর্ণ চাল বাজারজাতকরণের জন্য আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সময় বাড়ানো হলো। এ সময় আর বর্ধিত করা হবে না।

চালের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা রোধ, নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে সহায়তা এবং বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে বেসরকারি পর্যায়ে চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করে সরকার। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর বেসরকারিভাবে চাল আমদানি জন্য বৈধ আমদানিকারকদের প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্রসহ ১০ জানুয়ারির মধ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে বলা হয়। খাদ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন শর্তে বেসরকারি পর্যায়ে সর্বমোট ১৫ লাখ ৬০ হাজার ৮৬৩ টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এই অনুমতির চিঠি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

কিন্তু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট সময়মতো চাল আমদানির বিষয়ে ধীরে চলো নীতি অবলম্বন করে। এতে চাহিদার তুলনায় বাজারের সরবরাহের ঘাটতি দেখিয়ে চালের মূল্য ক্রমাগত বাড়াতে থাকে। সরকার বিষয়টি বুঝতে পেরেও কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি। উল্টো বারবার ব্যসায়ীদের দাবির কাছে নতিস্বীকার করছে। প্রথম দিকে নির্দিষ্ট সময়ে ঋণপত্র বা এলসি খুলতে না পারায় অনেকের বরাদ্দপত্র সরকার বাতিল করলেও এর তেমন সুফল আসেনি। যারা ঋণপত্র খুলতে পেরেছেন, তারাও পুরো চাল বাজারে আনতে সময় ক্ষেপন করছেন। এতে সরকার বার বার তাদের চাল বাজারে আনার সময় বাড়াচ্ছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ৯ লাখ ৫৪ হাজার ৪৪৪ টন চাল আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়েছে। ওই সময় পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৯০১ টন চাল আমদানি হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ