Inqilab Logo

শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮, ১৯ যিলহজ ১৪৪২ হিজরী

উৎকণ্ঠায় পাড়ের মানুষ

মতলবে হঠাৎ নদীভাঙন

মতলব (চাঁদপুর) উপজেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ৪ মে, ২০২১, ১২:০০ এএম

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ১০নং ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের সিপাইকান্দি ও ঠেটালীয়া গ্রামে হঠাৎ তীব্র্র নদীভাঙন দেখা দেয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন নদী পাড়ের হাজারো মানুষ। বর্ষার আগমনে বাড়ছে উৎকন্ঠা।

গত রোববার হঠাৎ ৬০ থেকে ৭০শ’ ফুট জায়গা নদীতে গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। মাস খানেক পূর্বেও ৩/৪ টি স্থানে ভাঙনের ফলে প্রায় ২০০ ফুট জায়গা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। মেঘনা নদীতে পানি বৃদ্ধি ও প্রবল স্র্র্রোতের কারণে এমনটি হয়েছে বলে ধারনা স্থানীয়দের। ২০১৯ ও ২০২০ সালে চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ অ্যাডভোকেট মো. নুরুল আমিন রুহুল এমপির নির্দেশ ক্রমে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড চাঁদপুর মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী নদীভাঙন রোধে বালির বস্তা ফেলে নদীর তীরে ডাম্পিং এর জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তবে এখন এলাকাবাসীর দাবি বড় আকারের ব্লক ডাম্পিং করে যেন ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয়া হয়।
এদিকে মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বেড়িবাঁধে জনতা বাজার এলাকায় সম্পতি দুই বার ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন এলাকায় কার্যকর কোন সংস্কারের ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত না নেয়ায় মানুষের মাঝে উৎকন্ঠা লক্ষ করা যাচ্ছে। বর্ষায় বেড়িবাঁধটি ভেঙে ভিতরে পানিতে প্লাবিত হতে পারে বলে মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
মেঘনা-ধনাগোদা পানি ব্যবস্থাপনা ফেডারেশনের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ কুদ্দুন বলেন, বেড়িবাঁধ বিভিন্ন এলাকা দিয়েই ঝুঁকিপূর্ণ। বর্ষার আগে সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বৃষ্টি হলেই এখানে পানিবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। নিস্কাশন খালগুলো সংস্কার না হওয়ার পানিবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। দ্রুত খালগুলো সংস্কার প্রয়োজন। এ বিষয়ে মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, সরেজমিন তদন্ত পূর্বক জরুরি ব্যবস্থা নেয়া হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: হঠাৎ নদীভাঙন
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ